দ্বীন কায়েম করা কি?
দ্বীন কায়েম করা হলো ফরয। ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন ও দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।
- দ্বীন কায়েম করার অর্থ হলো ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলা এবং তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা।
- কুরআন ও সুন্নাহর অকাট্য দলিলে দ্বীন প্রতিষ্ঠার এই কাজকে মুমিনদের জন্য একটি আবশ্যকীয় বা ফরয ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এটি কেবল কোনো ঐচ্ছিক কাজ নয়, বরং ঈমানের দাবি হিসেবে প্রতিটি সক্ষম মুসলিমের ওপর এই দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে।
কোনটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা নয়?
সঠিক উত্তর হলো IMF। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়। বিশ্বব্যাংক গ্রুপ মূলত পাঁচটি অঙ্গসংস্থার সমন্বয়ে গঠিত, যার মধ্যে IBRD, IDA এবং IFC অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, IMF বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বিশ্বব্যাংকের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়।
সহজ মনে রাখার উপায়:
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপ: IBRD, IDA, IFC, MIGA এবং ICSID।
- IMF: এটি একটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা, যা বিশ্বব্যাংকের সাথে কাজ করলেও এর অংশ নয়।
তাই, তালিকার মধ্যে IMF-ই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা হিসেবে গণ্য হয় না।
কোন মৌলটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিজারক হিসেবে কাজ করে?
সঠিক উত্তর হলো হাইড্রোজেন। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিজারক হিসেবে কাজ করার মূল শর্ত হলো ইলেকট্রন দান করা বা অন্য মৌল থেকে অক্সিজেন সরিয়ে নেওয়া।
বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:
- হাইড্রোজেন পরমাণুর বাইরের কক্ষপথে একটি ইলেকট্রন থাকে, যা সে সহজেই অন্য মৌলকে দান করে দিতে পারে।
- ইলেকট্রন দান করার এই প্রবণতার কারণেই হাইড্রোজেন অন্য যৌগকে বিজারিত করতে পারে।
- অনেক ধাতব অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করার সময় হাইড্রোজেন অক্সিজেনকে সরিয়ে নিয়ে পানি ($H_2O$) তৈরি করে, যা মূলত একটি বিজারণ প্রক্রিয়া।
সহজ কথায়, ইলেকট্রন দান করার ক্ষমতা বা অক্সিজেন অপসারণ করার সক্ষমতা থাকার কারণেই হাইড্রোজেন একটি শক্তিশালী বিজারক হিসেবে পরিচিত।
আজকে বাংলা সনের কত তারিখ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ২৭ ভাদ্র, ১৪২৮।
খুব সহজেই দিনপঞ্জির হিসাব অনুযায়ী এই তারিখটি নির্ধারণ করা হয়। বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ভাদ্র মাসের এই নির্দিষ্ট দিনে ঐতিহাসিক বা নির্ধারিত বারটি পড়েছিল, যা আমাদের সঠিক উত্তরের দিকে নিয়ে যায়। তাই নির্ভুলভাবে বলা যায় এই দিনটি ছিল ১৪২৮ বঙ্গাব্দের ২৭ ভাদ্র।
OIC এর সদস্য সংখ্যা কত?
OIC বা অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা হলো ৫৭।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- ১৯৬৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে সদস্য সংখ্যা বাড়তে বাড়তে বর্তমানে এই সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে।
- বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশের মোট ৫৭টি মুসলিম প্রধান দেশ এই সংস্থার সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
তাই সঠিক উত্তরটি হলো ৫৭।
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর। আবার পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স কত?
এই অংকটি খুব সহজেই সমাধান করা যায়। আমাদের শুধু মোট বয়সের পার্থক্যটা বের করতে হবে।
- পিতা, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স হলো: $3 \times 37 = 111$ বছর।
- পিতা ও পুত্রের মোট বয়স হলো: $2 \times 35 = 70$ বছর।
- এখন, তিনজনের মোট বয়স থেকে পিতা ও পুত্রের বয়স বাদ দিলেই মাতার বয়স পাওয়া যাবে: $111 - 70 = 41$ বছর।
অর্থাৎ, মাতার বয়স হলো ৪১ বছর।
আগুন শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
আগুন শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো সর্বশুচি। এর কারণটি বেশ সহজ:
- আগুন বা অগ্নিকে পবিত্র বা শুদ্ধকারী মনে করা হয়, তাই একে সর্বশুচি বলা হয়।
- পৌরাণিক ও কাব্যিক ভাষায় আগুনের পবিত্রতা বোঝাতে এই শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
- অন্যান্য শব্দের তুলনায় এটি আগুনের দহন ক্ষমতা ও পবিত্র করার গুণকে সরাসরি নির্দেশ করে।
সহজ কথায়, যা সবকিছুকে পুড়িয়ে পবিত্র করে তোলে, তাই হলো সর্বশুচি বা আগুন।
নিচের কোনটি মুদ্রাস্ফীতির কারণ হতে পারে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো অর্থের যোগান বৃদ্ধি। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:
- যখন বাজারে মানুষের হাতে প্রচুর টাকা বা অর্থের যোগান বেড়ে যায়, তখন সবার কেনার ক্ষমতা বা চাহিদা বেড়ে যায়।
- কিন্তু সেই তুলনায় পণ্য বা সেবার উৎপাদন বা সরবরাহ যদি না বাড়ে, তবে পণ্যের দাম হু হু করে বাড়তে থাকে।
- অর্থনীতিতে এই অবস্থাকেই আমরা মুদ্রাস্ফীতি বলি।
সহজ কথায়, বাজারে টাকার পরিমাণ যখন পণ্যের পরিমাণের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। তাই অর্থের যোগান বৃদ্ধি সরাসরি মুদ্রাস্ফীতির একটি প্রধান কারণ।
অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে কী থাকে?
অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে সঠিক উত্তর হলো তরল কার্বন ডাই অক্সাইড। এর পেছনের কারণটা খুবই সহজ:
- কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই এটি আগুনের চারপাশে একটি আবরণ তৈরি করে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
- সিলিন্ডারের ভেতরে উচ্চ চাপে গ্যাসটিকে তরল অবস্থায় রাখা হয়।
- যখন এটি ব্যবহার করা হয়, তখন এটি দ্রুত গ্যাসীয় অবস্থায় বেরিয়ে আসে এবং আগুনের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়, ফলে আগুন নিভে যায়।
সহজ কথায়, অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলতে পারে না, আর কার্বন ডাই অক্সাইড সেই অক্সিজেনকে আগুনের সংস্পর্শ থেকে সরিয়ে দেয়। তাই এটি আগুন নেভানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর।
শিশুর ভাষা শিক্ষায় প্রথম মাধ্যম কে?
শিশুর ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো মা। এর কারণ খুব সহজ:
- একটি শিশু জন্মের পর থেকেই তার মায়ের সান্নিধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় কাটায়।
- মায়ের কথা বলার ভঙ্গি, উচ্চারণ এবং আদর-যত্নের মাধ্যমেই শিশু প্রথম শব্দ শুনতে শেখে।
- শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে মা-ই তার প্রথম শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন, তাই ভাষাগত দক্ষতা অর্জনের প্রথম মাধ্যম হিসেবে মা-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।