T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
ইসলাম শিক্ষা
বিষয়ভিত্তিক
৩৮১

ইসলামের দৃষ্টিতে নারী পুরুষ একে অপরের-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সহযোগী
সমাধান
ইসলাম মনে করে, নারী ও পুরুষ অখণ্ড মানব সমাজের দু’টি অপরিহার্য অঙ্গ। পুরুষ মানব সমাজের একটি অংশের প্রতিনিধিত্ব করলে, আরেকটি অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন নারী। নারীকে উপেক্ষা করে মানবতার জন্য যে কর্মসূচী তৈরি হবে তা হবে অসম্পূর্ণ। আল কোরআনের দৃষ্টিতে নারীর মর্যাদা إِنَّ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْقَانِتِينَ وَالْقَانِتَاتِ وَالصَّادِقِينَ وَالصَّادِقَاتِ وَالصَّابِرِينَ وَالصَّابِرَاتِ وَالْخَاشِعِينَ وَالْخَاشِعَاتِ وَالْمُتَصَدِّقِينَ وَالْمُتَصَدِّقَاتِ وَالصَّائِمِينَ وَالصَّائِمَاتِ وَالْحَافِظِينَ فُرُوجَهُمْ وَالْحَافِظَاتِ وَالذَّاكِرِينَ اللَّـهَ كَثِيرًا وَالذَّاكِرَاتِ أَعَدَّ اللَّـهُ لَهُم مَّغْفِرَةً وَأَجْرًا عَظِيمًا নিশ্চয়ই মুসলমান পুরুষ ও মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ ও নারী, ইবাদতকারী পুরুষ ও নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ ও নারী, খোদাভীরুপুরুষ ও নারী, ছদকা দানকারী পুরুষ ও নারী, রোযাদার পুরুষ ও নারিগণ এবং যে সকল পুরুষ ও নারী তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং যে সকল পুরুষ ও নারী আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের সকলের জন্যেই আল্লাহ তা’য়ালার কাছে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। (সূরা আহযাব - ৩৫। ) এই পবিত্র আয়াতে, পুরুষ ও নারীকে পাশা - পাশি উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ্ তা’য়ালা পুরস্কার দান ও ক্ষমা করার ব্যাপারে তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করেন নি।
৩৮২

সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা ও সুশাসনের মূল ভিত্তি কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আদল
সমাধান
আদল শব্দের অর্থন্যায় বিচার করা, আদল আরবী শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ইনসাফ, সুবিচার বা সমান করে দেয়া ইত্যাদি। আদল হল; কুরআন ও সুন্নাহ মুতাবেক যাবতীয় কথা ও কাজে কম বা বেশি না করে মধ্য - পন্থা অবলম্বন করা। ইসলামি সমাজ ব্যবস্থায় আল্লাহর নির্দেশিত বিধান অনুযায়ী যার যা হক্ব ও অধিকার আছে, তা আদায়ের সুষ্ঠু নীতিমালা ও সুব্যবস্থা করার নীতিই আদল, যাকে ইনসাফও বলা হয়।
৩৮৩

'যুননূরাইন' কার উপাধি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হযরত উসমান (রা)
সমাধান
যুননুরাইন অর্থ 'দুই নুরের অধিকারী'। হযরত ওসমান (রা.) আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কন্যা উম্মে কুলসুমকে বিয়ে করেছিলেন। পরে উনার মৃত্যুর পর হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর আরেক কন্যা উম্মে রুকাইয়াকে বিয়ে করেছিলেন। নবী করিম সাঃ এর দুই মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন বলে তাঁকে যুননুরাইন উপাধি দেওয়া হয়।
৩৮৪

মুসলিম জাতির 'আদি পিতা' কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হযরত আদম (আ)
সমাধান
মুসলমানরা বিশ্বাস করে আল্লাহ পৃথিবীতে সর্বপ্রথম মানুষ হিসেবে আদম ও হাওয়া আঃ কে পাঠানো, তাদের ঔরস থেকে পৃথিবীতে মানুষের আগমন ঘটে, এ জন্য আদম আঃ কে মুসলমানদের আদি পিতা বলা হয়।
৩৮৫

হিজরতকালে মহানবী (স) কোন গুহায় আশ্রয় নেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাওর গুহায়
সমাধান
হযরত মুহাম্মদ সাঃ যখন তার হিজরতের সাথী আবু বক্কর সিদ্দিক রাঃ কে নিয়ে যখন মদিনার দিকে যাচ্ছিলেন তখন কাফের তাদের ধরার জন্য উভয় দিক হতে অগ্রসর হোন, ফলে তারা আল্লাহর নির্দেশে সাওর পর্বতের গুহায় উভয়ই আশ্রয় নেন।
৩৮৬

ঈমান মানুষের অন্তরে সৃষ্টি করে আল্লাহর প্রতি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আনুগত্য
সমাধান
ঈমান অর্থ হল বিশ্বাস। আল্লাহর প্রতি একান্ত বিশ্বাসে মানুষের মাঝে আল্লাহর আনুগত্য ও ঈমানের দৃঢ়তার বৃদ্ধি পায়।
৩৮৭

শিশুদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হযরত আলী (রা)
সমাধান
শিশুদের মধ্যে ১০ বছর বয়সে হজরত আলী (রা.) ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন। আর মহিলাদের মধ্যে খাদিজা (রা.)
৩৮৮

কুরআন মাজীদে সাওমের কয়টি মৌলিক উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
তিনটি
সমাধান
সাওমের উদ্দেশ্যএকজন মুসলিমের ওপর ফরয হলো, সাওম পালন করা ও কিয়ামুল লাইল করার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা যেসব কথা ও কর্ম হারাম করেছেন তা থেকে রক্ষার অনুশীলন করা। কারণ, সাওম দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহর আনুগত্য করা, আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা। আর স্বীয় মাওলার আনুগত্য করার মাধ্যমে প্রবৃত্তির চাহিদার বিপরীতে চলার জন্য মানবাত্মার সাথে সার্বক্ষণিক সংগ্রাম করা। আল্লাহ তা‘আলা যে সব বিষয়সমূহ নিষেধ করেছেন তার ওপর ধৈর্যের অনুশীলন করা। সাওমের উদ্দেশ্য শুধু খাওয়া, পান করা ও যাবতীয় সাওম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ থেকে বিরত থাকাই নয়। এ বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করেছেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিশুদ্ধ বর্ণনা পাওয়া যায়, যাতে তিনি বলেন,«الصِّيَامُ جُنَّةٌ فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَجْهَلْ، وَإِنِ امْرُؤٌ قَاتَلَهُ أَوْ شَاتَمَهُ فَلْيَقُلْ: إِنِّي صَائِمٌ مَرَّتَيْنِ »“সাওম ঢালস্বরূপ, ফলে সাওম পালনকারী যেন অশ্লীল ও অপকর্ম না করে, যদি কোনো লোক গায়ে পড়ে বিবাদ করে বা গালি দেয় সে যেন বলে আমি সাওম পালনকারী, দু’ বার”।[1]রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিশুদ্ধ সনদে আরও একটি হাদীস বর্ণিত রয়েছে, যাতে তিনি বলেন,«مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالعَمَلَ بِهِ، فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ»“যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও তদনুযায়ী আমল করা ছাড়ল না, তার খানা ও পান করা ছেড়ে দেওয়াতে কোনো লাভ নেই”। উল্লিখিত হাদীস এবং এ ছাড়াও আরও অন্যান্য হাদীস দ্বারা এ কথা প্রমাণিত যে, একজন সাওম পালনকারীর ওপর ওয়াজিব হলো, আল্লাহ তা‘আলা যেসব বিষয়কে নিষিদ্ধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহ তা‘আলা যা করার নির্দেশ দিয়েছেন তা যথাযথভাবে পালন করা। এ ধরনের সাওম দ্বারা এ আশা করা যায় যে, একজন সাওম পালনকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রাপ্ত হবেন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভ করবেন। আর সাওম পালনকারী তার সিয়াম ও কিয়াম কবুল হওয়ার আশা করতে পারেন।সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৯৪ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯০৩
৩৮৯

হজ্জ্বের মাধ্যমে মানুষের মন থেকে দূর হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কৃপণতা
সমাধান
হজ্জ হচ্ছে একটি ফরজ ইবাদাত । আল্লাহ তায়ালা সম্পদশালী ব্যক্তিদের জন্য হজ্জকে ফরজ করেছেন। হজ্জের মধ্যমে শারীরিক পরিশ্রম ও আর্থিক সম্পদ ব্যয় হয়।
৩৯০

'ইসলামের সেতু' কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
যাকাত
সমাধান
যাকাত ইসলামর সেতু বন্ধন হিসাসে কাজ করে । যাকাতের খাত আটটি । যাকাতের মাধ্যমে ধনী ও দরীদ্রের মাধ্যেকার সম্পর্ক আরো গভির হয় । যাকাতের মধ্যমে অন্য ধর্মের লোকদের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা সম্ভব।