'চাঁদের আমবস্যা', 'কাঁদো নদী কাঁদো' কার রচনা?
সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই কথাসাহিত্যিকের লেখনীতে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সমাজবাস্তবতা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।
সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
- চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো—এই দুটি উপন্যাসই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কালজয়ী সৃষ্টি।
- তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের অবচেতন মনের জটিলতা এবং অস্তিত্ববাদী দর্শন, যা এই উপন্যাসগুলোতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- বাংলা সাহিত্যে 'লালসালু'র মতো বিখ্যাত উপন্যাসের স্রষ্টাও তিনি, তাই এই নামগুলো মনে রাখা খুব জরুরি।
বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান কোন জেলায়?
বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান হলো রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে আমরা নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে চিনি।
- তাঁর জন্ম ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দে।
- ঐতিহাসিকভাবে রংপুর অঞ্চলটি তাঁর কর্মজীবন এবং শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত স্থান হিসেবে পরিচিত।
তাই সঠিক উত্তরটি হলো রংপুর।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এর জন্ম সাল-
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম সাল হলো ১৮৮০ সাল। তিনি ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:
- বেগম রোকেয়ার জন্ম সাল: ১৮৮০
- মৃত্যু সাল: ১৯৩২
এই দুটি সাল মনে রাখলে তাঁর জীবনকাল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি?
সঠিক উত্তর হলো অবরোধবাসিনী। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা এই বিখ্যাত গ্রন্থটি মূলত তৎকালীন সমাজের নারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কঠোর পর্দা প্রথা বা অবরোধের কুফল নিয়ে লেখা।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:
- অবরোধবাসিনী হলো বেগম রোকেয়ার অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী রচনা।
- তিনি তাঁর লেখায় নারীদের মুক্তি ও শিক্ষার ওপর সবসময় জোর দিয়েছেন, আর এই বইটি সেই সংগ্রামেরই একটি অংশ।
- পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ বেগম রোকেয়ার সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
‘পদ্মরাগ’ কার রচনা?
সঠিক উত্তর হলো বেগম রোকেয়া। ‘পদ্মরাগ’ মূলত একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচনা করেছেন।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:
- বেগম রোকেয়ার সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘পদ্মরাগ’, ‘সুলতানার স্বপ্ন’ এবং ‘অবরোধবাসিনী’ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
- এই উপন্যাসটিতে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের শিক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম একটি তালিকার মতো করে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।
‘সুলতানার স্বপ্ন’ কোন ধারনের গ্রন্থ?
‘সুলতানার স্বপ্ন’ (Sultana's Dream) হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানধর্মী উপন্যাস। যদিও এটি আকারে ছোট, তবে বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনার দিক থেকে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি হিসেবে স্বীকৃত।
- এটি একটি কাল্পনিক সমাজব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে লেখা, যেখানে নারীরাই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক।
- গল্পের মূল কাঠামো এবং কাহিনি বিন্যাসের কারণে সাহিত্যিক বিচারে একে উপন্যাস বা ছোটগল্পের ধারায় ফেলা হয়।
- বেগম রোকেয়া এই রচনার মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের লিঙ্গবৈষম্যকে এক চমৎকার রূপক বা ফ্যান্টাসির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।
বেগম রোকেয়ার জন্ম কতসালে?
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মসাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৮০ সালের দিকে জন্মগ্রহণ করেন, তবে সঠিক সালটি হলো ১৮৮২।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি মাথায় রাখতে পারেন:
- বেগম রোকেয়ার জন্ম: ৯ ডিসেম্বর, ১৮৮২।
- জন্মস্থান: রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
তিনি ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত, তাই তাঁর জন্মসালটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সালটি মনে রাখার জন্য ১৮৮২ সংখ্যাটি বারবার মনে মনে আওড়ালে খুব সহজেই আয়ত্তে চলে আসবে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারীর পটভূমিতে রচিত ‘কবর’ নাটকের রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর হলো মুনীর চৌধুরী। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলো 'কবর'।
- মুনীর চৌধুরী যখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তিনি এই কালজয়ী নাটকটি রচনা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নাট্যরূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটিই ছিল প্রথম এবং সবচেয়ে শক্তিশালী প্রয়াস।
তাই যখনই 'কবর' নাটক এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মুনীর চৌধুরী-কে মনে রাখবেন!
‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?
‘কাশবনের কন্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন শামসুদ্দিন আবুল কালাম। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, যা মূলত গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
- উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো গ্রামীণ জনপদ ও মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা।
- শামসুদ্দিন আবুল কালাম তাঁর লেখনীতে আঞ্চলিক ভাষার চমৎকার ব্যবহার করেছেন, যা এই বইটিকে অনন্য করে তুলেছে।
- পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম মিলিয়ে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
‘কাঞ্চনমালা’ গ্রন্থটি কার রচনা?
সঠিক উত্তর হলো শামসুদ্দিন আবুল কালাম।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শামসুদ্দিন আবুল কালাম মূলত গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে সাহিত্য রচনা করেছেন। তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হলো 'কাঞ্চনমালা'। এই বইটি মনে রাখার জন্য আপনি নিচের কৌশলটি ব্যবহার করতে পারেন:
- শামসুদ্দিন আবুল কালাম মানেই গ্রামীণ পটভূমির গল্প।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর তালিকায় 'কাঞ্চনমালা' নামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে 'কাঞ্চনমালা' নামটি তাঁর নামের সাথে মিলিয়ে একবার পড়ে নিলেই হবে।