‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কার রচনা?
সঠিক উত্তর হলো শামসুর রহমান।
বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি আমাদের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমানের লেখা। তিনি মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেম নিয়ে অনেক কালজয়ী কবিতা লিখেছেন।
- কবিতাটির নাম: ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’
- রচয়িতা: শামসুর রহমান
পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু কবির নাম আর কবিতার শিরোনামটি একবার মিলিয়ে নিলেই হবে। শামসুর রহমানের কাব্যশৈলীতে স্বাধীনতা ও সংগ্রামের যে চিত্র ফুটে ওঠে, এই কবিতাটি তার একটি চমৎকার উদাহরণ।
কবি শামসুর রাহমান কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
কবি শামসুর রাহমানের জন্মস্থান হলো ঢাকা জেলা। তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- শামসুর রাহমানকে বলা হয় 'নাগরিক কবি'।
- তার কবিতার মূল উপজীব্য ছিল ঢাকা শহরের জীবনযাত্রা ও সমসাময়িক রাজনীতি।
- তাই তার জন্মস্থান ঢাকা—এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ।
নিচের কোন গ্রন্থটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?
সঠিক উত্তর হলো সাত নরী হার। কারণ এটি শামসুর রাহমানের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। বরং এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসুর লেখা একটি উপন্যাস।
সহজে মনে রাখার উপায়:
- শামসুর রাহমান মূলত তাঁর আধুনিক কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত, যেমন: নিজ বাসভূমে, ইকারুসের আকাশ এবং নিরালোকে দিব্যরথ।
- অন্যদিকে, সাত নরী হার বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত সৃষ্টি, যা শামসুর রাহমানের সাহিত্যকর্মের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।
'স্বাধীনতা তুমি , রবি ঠাকুরের অজর কবিতা'- কথাটি কার রচনা?
এখানে সঠিক উত্তর হলো শামসুর রাহমান। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি, যা শামসুর রাহমানের লেখা।
- কবিতাটির মূল উপজীব্য হলো স্বাধীনতার বিভিন্ন রূপ ও তার প্রভাব।
- শামসুর রাহমান তার এই কালজয়ী কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন।
- কবিতার শুরুর দিকেই তিনি লিখেছেন, 'স্বাধীনতা তুমি, রবি ঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান'।
তাই কবি শামসুর রাহমানের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তরটি খুব সহজে দেওয়া সম্ভব।
শামসুর রাহমানের কবিতার বইয়ের নাম?
সঠিক উত্তর হলো বন্দী শিবির থেকে। শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে। তিনি মূলত আধুনিক ও দেশপ্রেমমূলক কবিতার জন্য বিখ্যাত।
- শামসুর রাহমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো বন্দী শিবির থেকে, যা মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির দেশপ্রেম ও মানবিক চেতনার গভীর প্রতিফলন ঘটেছে।
- পরীক্ষায় প্রায়ই এই বইটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি যে এটি শামসুর রাহমানেরই লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।
‘রক্ত গোলাপ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
‘রক্ত গোলাপ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন সৈয়দ শামসুল হক। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লেখক।
- তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় নাটক, উপন্যাস এবং কবিতার পাশাপাশি ‘রক্ত গোলাপ’-এর মতো কাব্যগ্রন্থগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
- পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার মিলিয়ে পড়লেই হবে।
মুক্তিযুদ্ধ অবলম্বনে সবচেয়ে সার্থক ও মঞ্চসফল নাটকের রচয়িতা কে
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা সবচেয়ে সার্থক ও মঞ্চসফল নাটক হলো 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'। আর এই কালজয়ী নাটকটির রচয়িতা হলেন সৈয়দ শামসুল হক।
বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- তার এই নাটকটি কাব্যনাট্য ধারার এক অনন্য সৃষ্টি, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মঞ্চে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
- মঞ্চসফলতা এবং শিল্পমান—উভয় দিক থেকেই এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়।
কোনটি সৈয়দ শামসুল হকের রচনা নয়?
সঠিক উত্তর হলো নাম না জানা ভোর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্মের তালিকা বেশ সুনির্দিষ্ট।
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী লেখক, যার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে খেলারাম খেলে যা, দেয়ালের দেশ এবং সীমানা ছাড়িয়ে অন্যতম।
- অন্যদিকে, নাম না জানা ভোর তাঁর কোনো মৌলিক রচনা নয়।
- পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের একটি তালিকা ছোট করে নোটবুকে লিখে রাখলে এমন প্রশ্নগুলো খুব দ্রুত সমাধান করা যায়।
‘কাঁদো নদী কাঁদো’ এর রচয়িতা কে?
‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসে তিনি নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও অস্তিত্বের সংকটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
- উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।
- তার অন্যান্য বিখ্যাত কাজের মধ্যে ‘লালসালু’ ও ‘চাঁদের অমাবস্যা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
পরীক্ষার জন্য নামটা মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখনশৈলী এবং বিষয়বস্তু বাংলা সাহিত্যে একদম আলাদা ও স্বতন্ত্র।
‘বহিপীর’ কে রচনা করেন?
সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক নাটকের ধারায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাম সব সময় ওপরের দিকে থাকে। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:
- বহিপীর নাটকটি মূলত সামাজিক কুসংস্কার ও ধর্মীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্যান্য কালজয়ী সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে কাঁদো নদী কাঁদো এবং লালসালু।
পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে নাটকের নামটি একবার ভালো করে মিলিয়ে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।