১৫১
কোন গাছের পাতা ঘরের ছাউনি এবং বেড়া তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর
গোলপাতা
সমাধান
গাছ ও পাতার আকার লম্বা হলেও নাম গোলপাতা গাছ। তবে গোলপাতা নাম অনেকের কাছে অতি পরিচিত। সাধারণত লোনা পানিতে জন্ম নেয় গোলপাতা গাছ। তাল বা খেজুর গাছের মত গোলপাতা গাছ দেখতে হলেও কোন কাটা থাকে না। বসতবাড়ি, রান্নাঘর, গোয়ালঘর, মৎস্য ঘেরের বাসা, বৈঠকখানাসহ বিভিন্ন ঘরের ছাউনিতে ব্যবহার করা হয়।
১৫২
মাছের ড্রপসি রোগ কোন জাতীয়?
উত্তর
ব্যাকটেরিয়াজনিত
সমাধান
মাছের ড্রপসি বা উদরী রোগ (ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ) । মাছের পেটে জল জমে যায় এবং আঁশ সামান্য খাঁড়া হয়ে থাকে।
১৫৩
পুকুরের প্রতি শতকে কত গ্রাম রোটেনন ব্যবহার করতে হয়?
উত্তর
৩০-৩৫ গ্রাম
সমাধান
পুকুর পোনা মাছ মজুদ করার পূর্বে একজন মৎস্য চাষির নিকট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে পুকুরটি মাছ চাষ উপযোগী করে প্রস্তুত করে নেয়া। প্রথমে পুকুরকে সেচের মাধ্যমে শুকিয়ে ফেলা প্রয়োজন। পুকুর শুকানো সম্ভব না হলে প্রতি শতাংশে প্রতি ফুট গভীরতার জন্য ৩০ - ৩৫ গ্রাম রোটেনন পাউডার পানিতে গুলিয়ে সমভাবে পুকুরে ছিটিয়ে দিয়ে সব ধরনের মাছ অপসারণ করা যায়। এরপর পুকুরের তলায় শতাংশ প্রতি ১ কেজি হারে চুন ছিটিয়ে দিয়ে ৪ - ৫ দিন রোদে শুকানোর পর ২/৩ ফুট পানি ভর্তি করা উচিত।
১৫৪
নিচের কোনটি ডুবন্ত জলজ উদ্ভিদ?
উত্তর
নাজাল
সমাধান
নাজাল ডুবন্ত জলজ উদ্ভিদ । বাকি গুলা সব পানির উপরে ভেসে থাকে।
১৫৫
রুই মাছ কি ভোজী?
উত্তর
জীবকণা ভোজী
সমাধান
রুই মাছ জলজ উদ্ভিদ, আগাছা এবং মাঝে মাঝে পানির তলদেশ থেকে পঁচা জৈব পদার্থ খেয়ে জীবন ধারণ করে ৷ এছাড়াও ফিসমিল, খৈলের গুড়া, কুঁড়া ইত্যাদি পুকুরে চাষের সময় সম্পূরক খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তবে ছোট অবস্থায় এদের প্রধান খাদ্য থাকে প্রাণীকণা বা প্লাংকটন। এছাড়াও চাউলের গুড়া/ গমের ভূষি, সরিষার খৈল খাদ্য হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।
১৫৭
পলি ব্যাগে ভরার জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
উত্তর
দোঁ-আশ মাটি
সমাধান
দোআঁশ মাটিতে বালি, পলি ও কাদা সম পরিমানে থাকে। এ মাটির পানি ধারন ক্ষমতা মাঝারী। চাষাবাদের জন্য দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। পলি ব্যাগে ভরার জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি দোআঁশ মাটি।
১৫৮
বন্যপ্রাণী আইন চালু হয় কোন সালে?
উত্তর
১৯৭৪ সালে
সমাধান
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশোধিত) আইন, ১৯৭৪ বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পরবর্তী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত প্রথম আইন। ১৯৭৩ সালের ২৭ মার্চ তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমানের আদেশক্রমে "বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আদেশ, ১৯৭৩" জারি করা হয়। আদেশটি প্রেসিডেন্ট আদেশ ২৩ নামে পরিচিত। এটি ১৭ জুলাই প্রথম দফায় সংশোধন করা হয়। প্রেসিডেন্ট আদেশ ২৩ এরপর একই বছর আগস্ট মাসে জাতীয় সংসদে যায়। পরের বছর ১৯৭৪ সালে আদেশটি দ্বিতীয় দফা সংশোধিত হয় এবং বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশোধিত) আইন, ১৯৭৪ হিসেবে অনুমোদিত হয়।
১৫৯
কোন অঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ কম?
উত্তর
পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে
সমাধান
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন প্রায় ২২.৫ লক্ষ হেক্টর। বনভূমির এ পরিমাণ দেশের মোট ভূমির শতকরা ১৭ ভাগ। এই বন সারাদেশে সমানভাবে বিস্তৃত নয়। অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব, দক্ষিণ - পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। দেশের উত্তর ও উত্তর - পশ্চিমাঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।
১৬০
বাংলাদেশে কত সালে বনায়ন কর্মসূচী শুরু হয়?
উত্তর
১৮৭৩ সালে
সমাধান
বন বিভাগ ১৯৬০ দশকের শুরুর দিকে বন সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বপ্রথম বনায়ন কর্মসূচি বনাঞ্চলের বা্ইরে জনগণের কাছে নিয়ে যায়। অতঃপর ১৯৮১ - ৮২ সাল হতে উত্তরবঙ্গের সরকারী বনভূমিতে বনায়নের জন্য বৃহত্তর ৭টি জেলায় কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহনে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে। সরকার ২০০০ সালে সামজিক বনায়ন কার্যক্রমকে ১৯২৭ সালের বন আ্ইনের অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে আইনি কাঠামোতে নিয়ে আসে। সামাজিক বনায়নকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সরকার ২০০৪ সালে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা প্রবর্তন করে।