‘জোঁক' গল্পের রচয়িতা-
‘জোঁক’ গল্পের রচয়িতা হলেন আবু ইসহাক। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছোটগল্প।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
- আবু ইসহাক মূলত তার বাস্তবধর্মী লেখনীর জন্য পরিচিত।
- ‘জোঁক’ গল্পটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা পাঠ্যবই এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- নামটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন: ‘আবু ইসহাক’ এবং ‘জোঁক’—উভয় শব্দেই ‘আ’ এবং ‘ক’ এর একটি ছন্দময় মিল আছে, যা মনে রাখা সহজ।
কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা?
সঠিক উত্তর হলো গোলাপ ফুটে খুকির হাতে। শামসুর রাহমানের শিশুতোষ সাহিত্যের ভুবনে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত নাম।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- শামসুর রাহমান মূলত আধুনিক কবিতার জন্য বিখ্যাত হলেও শিশুদের জন্য তিনি দারুণ সব ছড়া ও কবিতা লিখেছেন।
- গোলাপ ফুটে খুকির হাতে তাঁর লেখা একটি চমৎকার শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।
- পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর শিশুতোষ রচনার তালিকা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামটি মাথায় রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা সম্ভব।
সূর্যগ্রহণ গল্পটি কে রচনা করেছেন?
সঠিক উত্তর হলো জহির রায়হান।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জহির রায়হান মূলত তার কালজয়ী চলচ্চিত্র এবং রাজনৈতিক সচেতনতামূলক রচনার জন্য পরিচিত হলেও, তিনি বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু চমৎকার ছোটগল্প উপহার দিয়েছেন। 'সূর্যগ্রহণ' তার লেখা অন্যতম একটি জনপ্রিয় গল্প।
- লেখক: জহির রায়হান।
- মনে রাখার কৌশল: জহির রায়হানের সাহিত্যকর্মের তালিকায় 'সূর্যগ্রহণ' একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।
'গয়া' কোন গল্পের চরিত্র?
সঠিক উত্তর হলো মামলার ফল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'মামলার ফল' ছোটগল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র হলো গয়া।
গল্পটি পড়ার সময় এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- গল্পের মূল প্রেক্ষাপট হলো জমিজমা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা।
- এই জটিলতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা অন্যতম চরিত্র হলো গয়া।
- গল্পের নাম এবং চরিত্রের নাম মনে রাখার জন্য গয়া ও মামলার আইনি প্যাঁচের সম্পর্কটি মাথায় রাখলেই চলবে।
আল মাহমুদের ‘পানকৌড়ির রক্ত’ কোন ধরনের রচনা?
আল মাহমুদের ‘পানকৌড়ির রক্ত’ হলো একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। এটি মূলত তার একই নামের ছোটগল্প সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- আল মাহমুদ তার কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি গদ্য সাহিত্যেও সমান পারদর্শী ছিলেন।
- ‘পানকৌড়ির রক্ত’ তার লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি ছোটগল্প, যেখানে গ্রামীণ জীবন ও মানুষের মনস্তত্ত্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
- পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখা জরুরি যে এটি কোনো উপন্যাস বা নাটক নয়, বরং একটি সার্থক ছোটগল্প।
সম্বাদ কৌমুদী'র সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন পত্রিকা প্রকাশ করেন?
সঠিক উত্তর হলো সমাচার চন্দ্রিকা। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- ১৮২১ সালে রাজা রামমোহন রায়ের উদ্যোগে প্রকাশিত 'সম্বাদ কৌমুদী' পত্রিকার সাথে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্ত ছিলেন।
- পরবর্তীতে রক্ষণশীল মতাদর্শের পার্থক্যের কারণে তিনি রামমোহনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
- এরপর ১৮২২ সালে তিনি নিজেই নিজস্ব পত্রিকা হিসেবে সমাচার চন্দ্রিকা প্রকাশ করেন, যা তৎকালীন সময়ে রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিতি পায়।
বাংলা ভাষায় কোরান শরীফ-এরঅনুবাদক ‘গিরিশচন্দ্র সেন’ কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
সঠিক উত্তর হলো ব্রাহ্ম ধর্ম। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।
- গিরিশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি অনুবাদক এবং সমাজ সংস্কারক।
- তিনি কেশবচন্দ্র সেনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্রাহ্ম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন।
- তার এই ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই তিনি বিভিন্ন ধর্মের মূল বাণী সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলস কাজ করেছেন, যার অন্যতম বড় নিদর্শন হলো বাংলা ভাষায় কোরান শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ।
‘দেনাপাওনা’ উন্যাস ও ‘দেনাপাওনা’ ছোটগল্পের লেখক যথাক্রমে-
সঠিক উত্তর হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই দুটি নাম বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘দেনাপাওনা’। এটি তার সামাজিক বাস্তবধর্মী রচনার অন্যতম সেরা নিদর্শন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘দেনাপাওনা’ হলো একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প, যা মূলত যৌতুক প্রথা ও সামাজিক কুসংস্কারের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
সহজ কথায়, উপন্যাসের ক্ষেত্রে শরৎচন্দ্র এবং ছোটগল্পের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ—এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলেই পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হবে না।
রবীন্দ্রনাথ রচিত সর্বশেষ ছোটগল্প কোনটি?
সঠিক উত্তর হলো ল্যাবরেটরী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের ভাণ্ডার অনেক বিশাল, তবে তাঁর লেখা সর্বশেষ ছোটগল্পটি হলো 'ল্যাবরেটরী'।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে ১৯৪১ সালে এই গল্পটি রচনা করেন।
- গল্পটি তাঁর মৃত্যুর মাত্র কয়েক মাস আগে প্রকাশিত হয়, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটিই তাঁর শেষ ছোটগল্প হিসেবে স্বীকৃত।
সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, রবীন্দ্রনাথের জীবনের একদম শেষ দিকের সৃষ্টিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, যা তাঁর আধুনিক মননশীলতার পরিচয় বহন করে।
শরৎচন্দ্র রচিত ‘মহেশ’ গল্পে ‘মহেশ’ একটি......নাম।
সঠিক উত্তর হলো গরুর। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী ছোটগল্প ‘মহেশ’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো একটি অসহায় গরু।
গল্পটি পড়ার সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:
- গল্পের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে গফুর নামের এক দরিদ্র কৃষক এবং তার প্রিয় বলদ গরু ‘মহেশ’-কে ঘিরে।
- গফুর তার অভাবের সংসারেও মহেশকে সন্তানের মতো ভালোবাসত, যা এই গল্পের মূল আবেগ।
- তাই ‘মহেশ’ কোনো দেবতা বা দ্বীপের নাম নয়, বরং এটি একটি প্রাণীর নাম।