T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
জীববিজ্ঞান
বিষয়ভিত্তিক
৬১১

দেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ইউট্রিকুলাস
সমাধান
ইউট্রিকুলাস বা ভেস্টিবিউলার অ্যাপারেটাস কানের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ। এটি একটি ভেস্টিবিউল বা গোলাকার প্রকোষ্ঠ এবং তিনটি অর্ধবৃত্তাকার নালী নিয়ে গঠিত। নালীগুলোর মধ্যে দুটি উলম্বিক এবং একটি আনুভূমিকভাবে অবস্থান করে। নালীগুলো পরস্পর সমকোণে অবস্থান করে।
৬১২

ম্যালেরিয়া পরজীবীতে মায়োসিস কি ধরনের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
জাইগোজেনিক
সমাধান
ম্যালেরিয়া পরজীবী অযৌন ও যৌন উভয় পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করে। এর জীবচক্রে হ্যাপ্লয়েড (n) ও ডিপ্লয়েড (2n) দুটি পর্যায় আছে। কোনো জীবের জীবনচক্রে অযৌন ও যৌন জনুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুক্রম বলে। আগে ধারণা ছিল ম্যালেরিয়ার পরজীবীর জননকোষ সৃষ্টির সময় মায়োসিস বিভাজন ঘটে। তাই এর নাম ছিল গ্যামিটোজেনিক অধ্যায়। পরবর্তী গবেষকদের পর্যবেক্ষণে জানা গেছে, মায়োসিস বিভাজন ঘটে জাইগোট সৃষ্টি হওয়ার পর ঊত্তসিস্ট পর্যায়ে। অর্থাৎ ম্যালেরিয়ার পরজীবীতে মায়োসিস জাইগোজেনিক ধরনের।
৬১৩

পরাগনালী উদগমের জন্য প্রাথমিকভাবে ভৌত ও রাসায়নিক পরিবেশ সৃষ্টি করে কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হৃদপিন্ড
সমাধান
হৃদপিণ্ড অধিকাংশ প্রাণীতে একটি পেশীবহুল অঙ্গ, যা পৌনঃপুনিক ছন্দময় সংকোচনের মাধ্যমে সংবহনতন্ত্রের রক্তনালির মধ্য দিয়ে সারা দেহে রক্ত পাম্প করে। এনিলিডা, মলাস্কা এবং আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের দেহেও অনুরূপ অঙ্গ বিদ্যমান।
৬১৪

নিচের কোনটি শুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ষ্ণ=ষ+ণ
৬১৫

কুনোব্যাঙের পাচক রসে কোনটি থাকে না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ট্রিপসিন
সমাধান
কুনোব্যাঙ এমন একটি প্রাণী যা একটানা ছয় মাস ঘুমাতে পারে। এরা সাধারণত রাতের বেলা বের হয়। দিনের বেলা ঘরের কোনে অথবা দেয়ালের ফাঁকা জায়গা অথবা মাটির গর্তে বাস করে। তাই এদের কুনোব্যাঙ বলা হয়। এরা মেরুদন্ডী প্রাণী।
৬১৬

নিচের কোনটি মিল?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ফুসফুস-লোবিওল
সমাধান
ফুসফুস হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীদের প্রধান শ্বসন অঙ্গ, যা আমাদের নিশ্বাস ও প্রশ্বাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। ফুসফুস সংখ্যায় দুটি এবং হালকা গোলাপী রঙের স্পঞ্জের মতো নরম অঙ্গ। বাম ফুসফুসটি আকারে ছোট, ওজনে ৫৬৫ গ্রাম, দুই লোব বিশিষ্ট এবং ডান ফুসফুস আকারে বড়, ওজনে ৬২৫ গ্রাম, তিন লোব বিশিষ্ট। ফুসফুস দ্বিস্তরী পিউরাল পর্দা (pleural membrane) দিয়ে আবৃত থাকে।
৬১৭

একটি স্নয়ুকোষে স্নায়ু অনুভূতি পরিবহনের সঠিক গতিপথ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ডেনড্রাইট - কোষদেহ-অ্যাক্সন
সমাধান
কোষদেহ-নিউরনের কোষ দেহকে নিউরোসাইটন বলে।কোষদেহে প্লাজমামেমব্রেন বা কোষপর্দা,, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াসসহ বিভিন্ন অঙ্গানু রয়েছে। এটা নিউরোনের মুখ্য অংশ এবং এটি গোলাকার, ডিম্বাকার, মোচাকার, সুঁচালো, তারকাকৃতি প্রভৃতি বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। কোষদেহের ব্যাস ৬ মাইক্রন থেকে ১২০ মাইক্রন পর্যন্ত হতে পারে। কোষদেহ থেকে নির্গত বা বহির্গত শাখা-প্রশাখাকে প্রবর্ধক অংশ বলে। এটি দু’ধরনের যথা : ক. ডেনড্রাইট (Dendrite) ও খ অ্যাক্সন (Axon)।                         ডেনড্রাইট -কোষদেহের চারদিকে সৃষ্ট ক্ষুদ্র তন্তুময় শাখাবিশিষ্ট অংশকে ডেনড্রাইট বলে।                          অ্যাক্সন- কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা ও শাখাবিহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন।
৬১৮

মানবদেহে সবচেয়ে কঠিন অংশ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
এনামেল
সমাধান
মানুষের দেহে কঠিনতম অংশ হল এনামেল, এনামেল মানুষের দাঁতে অবস্থিত ৷এটি দাঁতের বাইরের শক্ত আবরণ, যা ক্যালসিয়াম ও ফস‌ফেট দ্বারা গঠিত।
৬১৯

ভেগাস স্নায়ুর উৎপত্তিস্থল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সুষুম্না শীর্ষকের অঙ্কীয়দেশ
সমাধান
যে সকল স্নায়ু উভয় দিকেই অর্থাৎ গ্রাহক অংশ থেকে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে কারক অঙ্গে স্নায়ু উদ্দীপনা বহন করে নিয়ে যায় , তাকে মিশ্র স্নায়ু বলে । উদা : ভেগাস স্নায়ু , ফেসিয়াল স্নায়ু । ভেগাস স্নায়ুর উৎপত্তিস্থল সুষুম্না শীর্ষকের অঙ্কীয়দেশ হতে। ভেগাস নার্ভ যা আমাদের হার্টবিট নিয়ন্ত্রন করে ঘাম নিয়ন্ত্রন করে। এটা আমাদের কথা বলতে সাহায্যকরে এমনকি বমি করতে বাধ্য করে অনেক সময়। এই স্নায়ু প্রকৃতপক্ষে মস্তিষ্ক থেকে গোটা শরীরের তথ্য সরবরাহের হাইওয়ে। 'vagus' হল একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিচরন করা।
৬২০

ভাইরাসের দেহে কয়টি কোষ আছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
একটি ও নাই
সমাধান
ভাইরাস হলো এক প্রকার অতিক্ষুদ্র জৈব কণা বা অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই মাত্র বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এরা এক্যারিওটা শ্রেণির সদস্য ও‌ আণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয়। এরা সরলতম জীব। ভাইরাস জৈব রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে গঠিত এবং উপযুক্ত পোষক দেহের অভ্যন্তরে পোষক দেহের জৈব রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে সংখ্যা বৃদ্ধি করতে সক্ষম ।  সকল ভাইরাসে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান । তাই ভাইরাসকে এক প্রকার জীব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।ভাইরাস মানুষ, পশু-পাখি, উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী। এমনকি, কিছু ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়ার মধ্যে বংশবৃদ্ধি করে- এদের ব্যাক্টেরিওফেজ (Bacteriophage)বলা হয়।ভাইরাস ল্যাটিন ভাষা হতে গৃহীত একটি শব্দ। এর অর্থ হল বিষ। আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোন বিষাক্ত পদার্থকে ভাইরাস বলা হত। বর্তমান কালে ভাইরাস বলতে এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক অকোষীয় রোগ সৃষ্টিকারী বস্তুকে বোঝায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বহু রোগ সৃষ্টির কারণ হল ভাইরাস। ভাইরাস কে জীবাণু না বলে 'বস্তু' বলা হয়। কারণ, জীবদেহ ডিএনএ, আরএনএ ও নিওক্লিক এসিড দিয়ে গঠিত, প্রোটিন তাই ভাইরাস অকোষীয়।