T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
নৈতিকতা ও মূল্যবোধ
বিষয়ভিত্তিক
১

সমাজের শিক্ষিত শ্রেণীর যে অংশ সরকার বা কর্পোরেট গ্রুপে থাকে না, কিন্তু সকলের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রাধে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সুশীল সমাজ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সুশীল সমাজ। কারণ, এরা সরাসরি সরকার বা কোনো কর্পোরেট দলের অংশ না হয়েও সমাজের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে নিজেদের মতামত ও প্রভাব ঠিকই বজায় রাখতে পারে।

  • সরকার বা ক্ষমতার বাইরে থেকে জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলে।
  • বিভিন্ন ইস্যুতে জনমত গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।
  • সমাজের অন্যায় বা অনিয়মের বিরুদ্ধে নৈতিক চাপ সৃষ্টি করে।
২

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান কর্তৃক ঘোষিত স্ট্রাটেজিক ডিফেন্স ইনিসিয়েটিভ (এস. ডি. আই) এর জনপ্রিয় নাম ছিল :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
তারকা যুদ্ধ
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো তারকা যুদ্ধ বা Star Wars। রোনাল্ড রিগানের এই উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল মহাকাশে লেজার বা উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র মোতায়েন করে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা।

বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:

  • এই প্রকল্পটি তৎকালীন সময়ে সায়েন্স ফিকশন সিনেমা 'স্টার ওয়ার্স'-এর মতো অসম্ভব এবং জাঁকজমকপূর্ণ মনে হয়েছিল।
  • তাই সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষ মজা করে একে তারকা যুদ্ধ বা Star Wars নামে ডাকা শুরু করে।
  • এটি মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করার একটি ঢাল বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত ছিল।
৩

প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয়ঃ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো থমাস হবসন, হুগো গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • প্রাকৃতিক আইনের আধুনিক ধারণার মূল ভিত্তি তৈরি করেছিলেন এই দার্শনিকরা।
  • হুগো গ্রোসিয়াসকে প্রাকৃতিক আইনের জনক বলা হয়, যিনি আইনকে ধর্মতত্ত্ব থেকে আলাদা করে যুক্তিনির্ভর করার চেষ্টা করেছিলেন।
  • জন লক তার লেখনীতে মানুষের সহজাত অধিকার বা প্রাকৃতিক অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
  • থমাস হবসন (বা হবস) তার সামাজিক চুক্তির তত্ত্বে প্রাকৃতিক আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।

মূলত, এই দার্শনিকদের লেখনীর মাধ্যমেই প্রাকৃতিক আইন আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তাই এই অপশনটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।

৪

কোন বছর ইউ এন ডি পি (UNDP) সুশাসনের সংজ্ঞা প্রবর্তন করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
1997
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো 1997।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে তাদের একটি নীতিমালায় প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সুশাসনের (Good Governance) সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো প্রবর্তন করে।

৫

ব্যক্তি সহনশীলতার শিক্ষা লাভ করে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো মূল্যবোধের শিক্ষা থেকে।

বিষয়টা খুব সহজ—নৈতিকতা, অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ধৈর্য ধারণের মতো গুণগুলো মূলত আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ থেকেই গড়ে ওঠে। মূল্যবোধ মানুষকে একে অপরের সাথে মিলেমিশে চলতে এবং সহনশীল হতে শেখায়।

৬

সুশাসনের কোন নীতি সংগঠনের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অংশ্রগহণ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অংশগ্রহণ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো জনগণের মতামত প্রকাশের সুযোগ।

  • সুশাসনের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বলতে বোঝায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সকল নাগরিকের সরাসরি বা প্রতিনিধিদের মাধ্যমে যুক্ত থাকার অধিকার।
  • যখন মানুষ কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে, তখনই তাদের সংগঠন করার স্বাধীনতা বা নিজস্ব মতামত প্রকাশের পথ প্রশস্ত হয়।
  • সহজ কথায়, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ ছাড়া সংগঠনের স্বাধীনতা চর্চা করা সম্ভব নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৭

নিচের কোন রিপোর্টে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন। বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে তাদের একটি বিখ্যাত রিপোর্টে সুশাসনের এই সংজ্ঞাটি প্রদান করে।

বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:

  • বিশ্বব্যাংকের মূল কাজ হলো বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
  • এই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য তারা যে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর জোর দেয়, তাকেই তারা শাসন প্রক্রিয়া (Governance) হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
  • সহজ কথায়, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য যে কার্যকর শাসন ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেটিই বিশ্বব্যাংকের সংজ্ঞার মূল ভিত্তি।
৮

নিচের কোনটি সুশাসনের উপাদান নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নৈতিক শাসন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো নৈতিক শাসন। বিষয়টি একটু বুঝিয়ে বলি, সুশাসনের মূল ভিত্তিগুলো হলো এমন কিছু নিয়ম বা চর্চা যা একটি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তোলে।

সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এই তালিকাটি:

  • অংশগ্রহণ: সিদ্ধান্ত গ্রহণে সবার মতামত নেওয়া।
  • স্বচ্ছতা: সব কাজ সবার চোখের সামনে থাকা।
  • জবাবদিহিতা: কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকা।

সহজ কথায়, সুশাসন মূলত কাঠামোগত এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত। 'নৈতিক শাসন' বিষয়টি ব্যক্তিগত মূল্যবোধ বা দর্শনের সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু এটি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের স্বীকৃত কোনো উপাদান নয়। তাই পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে মনে রাখবেন, সুশাসনের উপাদানগুলো সবসময়ই প্রশাসনিক ও কাঠামোগত হয়।

৯

নিচের কোনটি সংস্কৃতির উপাদান নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আইন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: আইন।

সংস্কৃতি হলো মানুষের জীবনযাত্রার সামগ্রিক রূপ, যার মধ্যে মানুষের বিশ্বাস, চিন্তা, আচার-আচরণ, ভাষা, প্রতীক এবং মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এগুলো সমাজ কর্তৃক গঠিত ও শেয়ারকৃত মানসিক ও আত্মিক অর্জন। পক্ষান্তরে, আইন হলো রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রযুক্ত নিয়মকানুন, যা মূলত সমাজ নিয়ন্ত্রণের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ, সংস্কৃতির মৌলিক উপাদান নয়।

১০

মূল্যবোধ পরীক্ষা করে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
উপরের সবগুলো
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো উপরের সবগুলো। কারণ মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণের এমন এক মাপকাঠি, যা দিয়ে আমরা জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ বিচার করি। এর মূল কাজগুলো হলো:

  • ভালো ও মন্দ: কোনো কাজ আমাদের জন্য কল্যাণকর নাকি ক্ষতিকর, তা মূল্যবোধের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়।
  • ন্যায় ও অন্যায়: সমাজে কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল, সেই পার্থক্য করার ক্ষমতা আমাদের মূল্যবোধ থেকেই আসে।
  • নৈতিকতা ও অনৈতিকতা: মানুষের চারিত্রিক গুণাবলি এবং আচরণের শুদ্ধতা যাচাই করার প্রধান ভিত্তিই হলো মূল্যবোধ।

সহজ কথায়, আমাদের বিবেক যখন কোনো কাজকে বিচার-বিশ্লেষণ করে, তখন সে এই তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নেয়। তাই এই সবগুলোই মূল্যবোধের আওতাভুক্ত।