কোন উদ্দেশ্যে Myxine বেশী পরিমান স্লাইম নিঃসরণ করে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: ভক্ষক থেকে রক্ষার।
বিষয়টা খুব সহজ! Myxine বা হ্যাগফিশ যখনই কোনো শত্রু বা আক্রমণকারীর মুখোমুখি হয়, তখন আত্মরক্ষার জন্য মুহূর্তের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ পিচ্ছিল স্লাইম বা মিউকাস নিঃসরণ করে। এই স্লাইম শত্রুর মুখ ও গিল ব্লক করে দেয়, ফলে তারা খুব সহজেই বড় বড় ভক্ষক বা শিকারিদের হাত থেকে বেঁচে পালাতে পারে।
পাখি উড়তে সক্ষম কারন তাদের দেহে আছে-
এখানে সঠিক উত্তর হলো সবগুলি। কারণ পাখির আকাশে ওড়ার বিষয়টি কোনো একটি অঙ্গের ওপর নির্ভর করে না, বরং এর পেছনে বেশ কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্যের চমৎকার সমন্বয় থাকে:
- পাখির শক্তিশালী পাখা বাতাসের বিপরীতে চাপ সৃষ্টি করে ডানা মেলে উড়তে সাহায্য করে।
- দেহের ওজন হালকা রাখার জন্য তাদের হাড়গুলো নিরেট না হয়ে ফাঁপাহাড় (Pneumatic bone) বা ছিদ্রযুক্ত হয়।
- শ্বাসনালীর সাথে যুক্ত বিশেষ বায়ুথলি বা Air sac থাকার কারণে শরীর হালকা থাকে এবং উড়ন্ত অবস্থায় প্রচুর অক্সিজেনের জোগান নিশ্চিত হয়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মিলেই পাখিকে সফলভাবে আকাশে উড়তে সাহায্য করে।
কোনটিকে 'সরীসৃপ যুগ' বলা হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো অপশন A: মেসোজোয়িক।
পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে মেসোজোয়িক মহাযুগকে মূলত সরীসৃপদের স্বর্ণযুগ বা 'সরীসৃপ যুগ' বলা হয়। কারণ এই সময়েই ডাইনোসরসহ নানা ধরণের বিশাল আকৃতির সরীসৃপের পৃথিবীতে রাজত্ব ছিল এবং তাদের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল।
Taenia solium -এর মধ্যবর্তী পোষক কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো শূকর।
খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, Taenia solium বা ফিতা কৃমির জীবনচক্র সম্পূর্ণ করার জন্য দুটি পোষকের প্রয়োজন হয়—
- প্রধান পোষক (Definitive Host): মানুষ
- মধ্যবর্তী পোষক (Intermediate Host): শূকর
শূকরের পেশীতে এই কৃমির লার্ভা দশা (Cysticercus) অবস্থান করে, তাই শূকরকে এর মধ্যবর্তী পোষক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
২০০ টি স্প্যারম্যাতোজোয়া তৈরী করতে কতগুলো Spermatogonia কোষের প্রয়োজন হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৫০টি। খুব সহজেই বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:
- আমরা জানি, একটি ডিপ্লয়েড স্পার্মাটোসাইট বা স্পার্মাটোগোনিয়া মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে মোট ৪টি শুক্রাণু বা স্পার্মাটোযোয়া তৈরি করে।
- তাহলে, ২০০টি স্পার্মাটোযোয়া তৈরি করতে কতটি কোষ লাগবে তা বের করতে খুব সহজেই মোট সংখ্যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করতে হবে:
$$\frac{200}{4} = 50$$
অর্থাৎ, মাত্র ৫০টি স্পার্মাটোগোনিয়া কোষ থেকেই ২০০টি স্পার্মাটোযোয়া পাওয়া সম্ভব!
Sponge - এ কয় ধরণের ক্যানাল সিস্টেম থাকে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৩। স্পঞ্জের (Porifera পর্বের প্রাণী) দেহে সাধারণত তিন ধরনের ক্যানাল সিস্টেম বা নালী তন্ত্র দেখতে পাওয়া যায়।
- Asconoid: এটি সবচেয়ে সরল প্রকৃতির ক্যানাল সিস্টেম।
- Syconoid: এটি Asconoid থেকে কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- Leuconoid: এটি সবচেয়ে জটিল এবং উন্নত ধরণের ক্যানাল সিস্টেম।
এই তিন ধরনের গঠনপ্রণালীর মাধ্যমেই স্পঞ্জের দেহে পানি সংবহন এবং খাদ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।
সিল্ক-ওয়ার্মনিঃসৃত প্রোটিনের নাম কী?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কোনোটিই না। কারণ সিল্ক-ওয়ার্ম বা রেশম পোকার গুটি থেকে যে প্রোটিন পাওয়া যায়, তার মূল উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে দুটি প্রধান প্রোটিন: ফাইব্রোইন (Fibroin) যা রেশম সুতার মূল অভ্যন্তরীণ অংশ গঠন করে এবং সেরিসিন (Sericin) যা এই তন্তুগুলোকে একসাথে আটকে রাখে। যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক প্রোটিনগুলোর নাম আলাদাভাবে দেওয়া আছে কিন্তু কোনো একক অপশনে সম্পূর্ণ ও সঠিক নাম বা 'উভয়' নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে কোনটিই না।
Biodiversity- শব্দটির প্রবর্তক কে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Walter G Rosen।
জীববৈচিত্র্য বা বায়োডাইভার্সিটি (Biodiversity) শব্দটির উৎপত্তি ও এর প্রথম ব্যবহার নিয়ে কিছুটা ইতিহাস থাকলেও, ১৯৮৮ সালে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী Walter G Rosen সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে 'Biodiversity' শব্দটি প্রবর্তন ও ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে জীববিজ্ঞانی ই. ও. উইলসন (E. O. Wilson) এই ধারণাকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করে তোলেন, তবে শব্দটির প্রবর্তক হিসেবে ওয়াল্টার জি Rosen-এর নামই স্বীকৃত।
Paramecium-এ কোন্ অঙ্গাণুটি পানি নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সংকোচনশীল গহবর।
খুব সহজ কথায়, অ্যামিবা বা প্যারামেসিয়ামের মতো এককোষী প্রাণীদের শরীরে অতিরিক্ত পানি প্রবেশ করলে তা কোষের ক্ষতি করতে পারে। এই অতিরিক্ত পানি ও বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিয়ে কোষের ভেতরের পানির সমতা বা অসমোরেগুলেশন (Osmoregulation) ঠিক রাখার কাজটি নিখুঁতভাবে করে এই সংকোচনশীল গহবর বা Contractile vacuole।
FAO-এর রিপোর্ট অনুযায়ী জলজপ্রানী চাষাবাদে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পঞ্চম।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে এক অনন্য অবস্থান অর্জন করেছে। সার্বিক জলজ প্রাণী বা মাছ চাষাবাদ ও উৎপাদনে বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হলো পঞ্চম। আমাদের দেশের বিশাল জলরাশি এবং মৎস্যচাষিদের অসামান্য সাফল্যের কারণেই এই গৌরব অর্জন সম্ভব হয়েছে।