T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা ব্যাকরণ
বিষয়ভিত্তিক
১

কোনটি ঠিক

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বহ্নিপীর (নাটক)
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো বহ্নিপীর (নাটক)। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য সৃষ্টি।

  • বহ্নিপীর মূলত একটি ঐতিহাসিক ও কাব্যধর্মী নাটক।
  • নজরুল ইসলাম তার এই নাটকে পীর বা আধ্যাত্মিক চেতনার সাথে সামাজিক সংগ্রামের এক চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।
  • পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই নাটকের নাম এবং লেখকের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।
২

বাংলা ব্যকরণ প্রথম রচনা করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
এন.বি. হ্যালহেড
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো এন.বি. হ্যালহেড। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত 'A Grammar of the Bengal Language' হলো বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ।
  • এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি লিখেছিলেন ব্রিটিশ লেখক ও ভাষাবিদ নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড (এন.বি. হ্যালহেড)।
  • বইটি হুগলি থেকে ছাপা হয়েছিল এবং এটি বাংলা মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।

তাই বাংলা ব্যাকরণের প্রথম রচয়িতা হিসেবে এন.বি. হ্যালহেডের নামই সবার আগে আসে।

৩

বাগধারা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বাক্যতত্ত্বে
সমাধান
পুরাতন ব্যাকরণ অনুসারে বাগধারা বাক্যতত্ত্বের বিষয় (নতুন সংস্করণ অনুযায়ী অর্থতত্ত্বের বিষয়)।
৪

কারক ও সমাস ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রূপতত্ত্বে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো রূপতত্ত্বে। ব্যাকরণের এই অংশটি মূলত শব্দের গঠন এবং শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে। কেন এটি রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:

  • শব্দ গঠন: সমাস হলো নতুন শব্দ তৈরির একটি প্রক্রিয়া, যা রূপতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
  • বিভক্তি ও কারক: কারক নির্ণয়ের জন্য শব্দের সাথে বিভক্তির যোগ প্রয়োজন হয়। যেহেতু শব্দের রূপ পরিবর্তন এবং বিভক্তি নিয়ে রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়, তাই কারকও এর অন্তর্ভুক্ত।
  • সহজ মনে রাখার উপায়: ব্যাকরণের যে অংশে পদ, বচন, লিঙ্গ, সমাস এবং কারক নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেটিই হলো রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব।
৫

ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ধ্বনিতত্ত্বে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ধ্বনিতত্ত্বে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • বাংলা ব্যাকরণে ণ-ত্ব (ণ-এর ব্যবহার) এবং ষ-ত্ব (ষ-এর ব্যবহার) বিধান মূলত উচ্চারণের শুদ্ধতা ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মের সাথে সম্পর্কিত।
  • যেহেতু এই বিধানগুলো বর্ণের উচ্চারণ এবং ধ্বনির রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এগুলো ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশের অন্তর্ভুক্ত।
  • সহজ কথায়, যেখানেই বর্ণ বা ধ্বনি নিয়ে কাজ হয়, সেখানেই ধ্বনিতত্ত্বের নিয়মগুলো কার্যকর হয়।
৬

বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম প্রকাশিত হয় কোথা থেকে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
লিসবন
সমাধান

বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'-এর রচয়িতা ছিলেন ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও। এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।

  • বইটির লেখক ছিলেন একজন পর্তুগিজ পাদ্রি।
  • পর্তুগিজ ভাষায় লেখা এই ব্যাকরণটি মূলত পর্তুগিজদের বাংলা ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
  • যেহেতু লেখক পর্তুগিজ ছিলেন, তাই মুদ্রণ ও প্রকাশনার কাজটি তাঁর নিজ দেশ লিসবন থেকেই সম্পন্ন হয়।
৭

বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ' গ্রন্থটি কোন ভাষায় রচিত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পর্তুগীজ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো পর্তুগীজ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই ব্যাকরণগ্রন্থটির নামেই এর উত্তর লুকিয়ে আছে।

  • গ্রন্থটির নাম হলো 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ'।
  • নামের শেষ অংশটি খেয়াল করলেই বোঝা যায় যে, এটি পর্তুগীজ ভাষায় রচিত।
  • পর্তুগীজ ধর্মযাজক মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁও ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে এটি প্রকাশ করেছিলেন।
  • মূলত পর্তুগীজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যেই তিনি পর্তুগীজ ভাষায় এই ব্যাকরণটি লিখেছিলেন।
৮

বাক্য ব্যবহৃত শব্দকে বলা হয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পদ
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো পদ। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যখন কোনো শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার রূপ বদলে যায়।

  • আমরা যখন আলাদাভাবে কোনো শব্দ বলি, তখন সেটি কেবল একটি শব্দ।
  • কিন্তু সেই শব্দ যখন বাক্যের ভেতরে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এবং বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন তাকে আর শব্দ বলা যায় না, তখন সেটি হয়ে যায় পদ।
  • সহজ কথায়, বাক্যের প্রতিটি অঙ্গই হলো এক একটি পদ।
৯

শব্দ সম্পর্কিত আলোচনা হয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রূপমূল তত্ত্বে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো রূপমূল তত্ত্বে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • ভাষাবিজ্ঞানের যে শাখায় শব্দের গঠন এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম একক বা রূপমূল নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই রূপমূল তত্ত্ব বা Morphology বলা হয়।
  • আমরা যখন কোনো শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করি বা শব্দ কীভাবে তৈরি হয়েছে তা দেখি, তখন মূলত আমরা রূপমূল তত্ত্বেরই আশ্রয় নিই।
  • সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের গঠনশৈলী এবং এর ক্ষুদ্রতম এককগুলো কীভাবে কাজ করে, তা জানার জন্য রূপমূল তত্ত্বই হলো প্রধান জায়গা।
১০

অনুসর্গ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অব্যয়
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো অব্যয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:

  • অনুসর্গ মূলত এক ধরনের অব্যয় পদ, যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে।
  • এগুলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং পদের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে।
  • যেহেতু অনুসর্গের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না, তাই ব্যাকরণের ভাষায় এগুলোকে অব্যয় হিসেবেই গণ্য করা হয়।

সহজ কথায়, 'দিয়ে', 'কর্তৃক', 'জন্য', 'মাঝে'—এই শব্দগুলো যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন এগুলো অব্যয় হিসেবেই কাজ করে।