কোনটি ঠিক
এখানে সঠিক উত্তর হলো বহ্নিপীর (নাটক)। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য সৃষ্টি।
- বহ্নিপীর মূলত একটি ঐতিহাসিক ও কাব্যধর্মী নাটক।
- নজরুল ইসলাম তার এই নাটকে পীর বা আধ্যাত্মিক চেতনার সাথে সামাজিক সংগ্রামের এক চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।
- পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই নাটকের নাম এবং লেখকের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।
কোন বানানটি শুদ্ধ?
ব্যাকরণ বানানটি সম্পূর্ণরূপে শুদ্ধ। সঠিক বানান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, শব্দটির মাঝে ও শেষে 'ণ' ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বানানটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
কোন বানানটি সঠিক?
এখানে সঠিক উত্তর হলো করেন। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রিয়াপদ বা ধাতুর সাথে যুক্ত প্রত্যয় বা বিভক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ (ণ) এর পরিবর্তে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহৃত হয়।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- ক্রিয়াপদ বা সাধারণ শব্দের ক্ষেত্রে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করাই নিয়ম।
- 'করেন' শব্দটি একটি ক্রিয়াপদ, তাই এখানে দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে মূর্ধন্য-ণ এর ভুল প্রয়োগ রয়েছে, যা বাংলা বানানের আদর্শ রীতি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়।
কোন বানানটির ক্ষেত্রে দন্ত্য ‘স’ হবে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো স্টেশন। এর কারণটি খুব সহজ—বাংলা ভাষায় ইংরেজি বা বিদেশি শব্দে সাধারণত দন্ত্য ‘স’ ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি শব্দ যেমন—স্টেশন, স্টল, স্কুল বা স্টাইল-এ কখনোই মূর্ধন্য ‘ষ’ বসে না।
- যেহেতু 'স্টেশন' একটি ইংরেজি শব্দ (Station), তাই এর বানানে সবসময় দন্ত্য ‘স’ ব্যবহার করা হয়।
সহজ কথায়, বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ‘ষ’-এর ব্যবহার নেই বললেই চলে, তাই চোখ বন্ধ করে দন্ত্য ‘স’ ব্যবহার করাই নিয়ম!
নিম্নের কোন বানানটির ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে?
সঠিক উত্তর হলো কৃপণ। বাংলা বানানে মূর্ধন্য ‘ণ’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সহজ নিয়ম কাজ করে, যা হলো ‘ঋ’, ‘র’ বা ‘ষ’-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ‘ণ’ বসে।
বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে নিচের ধাপটি দেখুন:
- শব্দটিতে কৃ অংশটি লক্ষ্য করুন, যেখানে ‘ক’-এর সাথে ‘ঋ’-কার যুক্ত আছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের মধ্যে ‘ঋ’, ‘র’ বা ‘ষ’-এর ঠিক পরেই যদি ‘ন’ থাকে, তবে সেটি পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়ে যায়।
- যেহেতু কৃপণ শব্দে ‘ঋ’-কারের ঠিক পরেই ‘প’ এবং তারপর ‘ণ’ এসেছে, তাই এখানে মূর্ধন্য ‘ণ’ ব্যবহার করা হয়েছে।
সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে ‘ঋ’ বা ‘ঋ’-কার থাকলে তার প্রভাবে পরবর্তী ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’-এ পরিণত হয়।
কোনটি শুদ্ধ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো আকান্ত অনুগত। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দপ্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি একটি শুদ্ধ প্রয়োগ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- 'আকান্ত' শব্দটি এখানে 'অত্যন্ত' বা 'সম্পূর্ণরূপে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'অনুগত' শব্দের সাথে 'আকান্ত' বিশেষণটি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি একটি শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে শব্দের গঠন বা প্রয়োগগত ভুল থাকায় সেগুলো অশুদ্ধ।
তাই পরীক্ষার খাতায় বা শুদ্ধি পরীক্ষায় সবসময় আকান্ত অনুগত-কেই সঠিক হিসেবে বেছে নেবেন।
কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর হলো পথের দাবী (উপন্যাস)। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মাইলফলক।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- পথের দাবী মূলত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।
- এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছিল।
- শরৎচন্দ্রের লেখনীতে এই উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র এবং কাহিনী বিন্যাস একে একটি সার্থক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো গণিত খুব জটিল। বাক্যটি শুদ্ধ হওয়ার কারণ হলো এর গঠন ও শব্দপ্রয়োগ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং ব্যাকরণসম্মত।
- অন্যান্য অপশনগুলোতে শব্দের ব্যবহারে ভুল রয়েছে। যেমন, 'সাবধান পূর্বক' না হয়ে 'সাবধানে' হওয়া উচিত।
- 'গোপন কথা' বলা হয় না, কারণ কথা গোপন হলে তা এমনিতেই গোপন থাকে।
- 'সূর্য উদয় হয়েছে' না লিখে শুদ্ধ রূপটি হবে 'সূর্য উদিত হয়েছে'।
- অন্যদিকে, গণিত খুব জটিল বাক্যটিতে কোনো বাহুল্য বা ভুল নেই, তাই এটিই শুদ্ধ।
সাহচর্য শব্দের শুদ্ধ গঠন কোনটি?
সাহচর্য শব্দের সঠিক গঠন হলো সহচর + য। এটি মূলত একটি তদ্ধিত প্রত্যয়জাত শব্দ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:
- শব্দটির মূল অংশ বা প্রকৃতি হলো সহচর।
- এর সাথে য (ষ্ণ্য) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, য প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের প্রথম স্বর 'অ' পরিবর্তিত হয়ে 'আ' হয়ে যায়।
- অর্থাৎ, $সহচর + য = সাহচর্য$।
সহজ কথায়, মূল শব্দের সাথে য প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা কাঙ্ক্ষিত শব্দটি পেয়ে যাই।
কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক উত্তর হলো পুণ্য। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'ণ' বা 'ন'-এর ব্যবহার নিয়ে আমাদের অনেকেরই দ্বিধা থাকে, তবে এখানে বিষয়টি বেশ সহজ:
- বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সাধারণত ঋ, র, ষ-এর পরে দন্ত্য-ন (ন) মূর্ধন্য-ণ (ণ)-এ পরিণত হয়।
- পুণ্য শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যেখানে 'প' বর্ণের সাথে 'ঋ' কারের প্রভাব বা ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ (ণ) যুক্ত হয়।
- সহজ কথায়, এই শব্দটি দীর্ঘকাল ধরে এভাবেই শুদ্ধ রূপ হিসেবে স্বীকৃত এবং এটিই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।