১২১
টেস্ট ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান (এক ইনিংসে) সংগ্রহকারী ব্যাটম্যান হলেন-
উত্তর
ব্রায়ান চার্লস লারা
সমাধান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের যুবরাজ ব্রায়ান লারা। সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানটি প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটের এক ইনিংসে ৪০০ রান করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। ২০০৪ সালে সেন্ট জোন্সে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে অতিমানবীয় ৪০০ রানের অপরাজিত ইনিংসটি খেলেছিলেন লারা।
১২২
লন্ডনে সর্বপ্রথম কত সালে আধুনিক সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর
১৮৩৭ সালে
সমাধান
সাঁতার এক ধরনের জলক্রীড়া প্রতিযোগিতা বিশেষ, যাতে প্রতিযোগীরা নির্দিষ্ট দূরত্বে দ্রুত অতিক্রমণের জন্য সচেষ্ট থাকেন। যিনি সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন তিনি সর্বসমক্ষে সাঁতারু নামে অভিহিত হন। বিভিন্ন দূরত্বে ও পর্যায়ের সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। লন্ডনে ১৮৩৭ সালে আধুনিক সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
১২৩
মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) কত সালে গঠিত হয়?
উত্তর
১৭৮৭ সালে
সমাধান
মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) টমাস লর্ড কর্তৃক ১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট ক্লাব। এ ক্লাবটি বিশ্বের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ক্লাবরূপে পরিচিত ও বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বিশাল ক্রিকেট ব্র্যান্ড। ক্রিকেটের ইতিহাসে এ ক্লাবের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ ক্লাবটি সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও জনপ্রিয় ক্রিকেট ক্লাবের মর্যাদা পেয়ে আসছে। ক্রিকেটের স্বর্গভূমি নামে পরিচিত লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ডের স্বত্ত্বাধিকারীর ভূমিকায় রয়েছে এমসিসি।
১২৪
কাবাডি খেলায় দু অর্ধেক মধ্যে কয় মিনিট বিরতি দেয়া হয়?
উত্তর
৫ মিনিট
সমাধান
কাবাডি খেলার ৫ মিনিট বিরতি সহ দুই অর্ধে পুরুষদের ২৫ মিনিট করে এবং মেয়েদের ২০ মিনিট করে খেলা হবে। খেলা শেষে যেই দল বেশি পয়েন্ট পাবে সাই দলই জয়ী হবে। দুদলের পয়েন্ট সমান হলে দুঅর্ধে আরও ৫ মিনিট করে খেলা হবে। এরপরেও যদি পয়েন্ট সমান থাকে তবে যে দল প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছিল সে দলই জয়ী হবে।
১২৫
প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক নিচের কোন দেশ?
উত্তর
উরুগুয়ে
সমাধান
১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক হয় নীল জার্সির দেশ উরুগুয়ে। প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয় ১৩ দেশ। ইউরোপের মাত্র চারটি দেশ, উত্তর আমেরিকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো এবং সাতটি দেশ অংশ নেয় লাতিন আমেরিকা থেকে।
১২৬
ভলিবল খেলায় প্রতি দলে সর্বোচ্চ কত জন খেলোয়াড় থাকে?
উত্তর
১২ জন
সমাধান
ভলিবল খেলার সময় ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে একটি দল গঠিত হবে। মাঠে ৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে হবে। প্রতি সেটে সর্বাধিক ৬ জন খেলোয়াড় বদল করা যাবে। খেলা আরম্ভের সময় সামনের সারিতে ৩ জন ও পেছনের সারিতে ৩ জন খেলোয়াড় দাঁড়াবে।
১২৭
বিশ্বের প্রথম ক্রিকেট টেস্ট কোন দেশ দুটির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর
ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া
সমাধান
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম টেস্ট খেলাটি ১৫ - ১৯ মার্চ, ১৮৭৭ তারিখে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) অস্ট্রেলিয়া - ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঐ খেলায় অস্ট্রেলিয়া দল ৪৫ রানে বিজয়ী হয়েছিল
১২৮
জিমন্যাস্টিকস সাধারণত কত প্রকার?
উত্তর
৩ প্রকার
সমাধান
জিমন্যাস্টিক্স শারীরিক কলা - কৌশল প্রদর্শনের ক্রীড়াবিশেষ; যাতে দৌঁড়, লাফ, ডিগবাজী, সমারসল্টিং এবং ভারসাম্য রক্ষা করার বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট থাকে। এটা দুই প্রকার, যথা - আর্টিস্টিক ও রিদমিক। মেয়েদের ক্ষেত্রে চার ধরনের - ফ্লোর, বার (ক্রীড়া), বীম এবং ভল্ট উপকরণাদি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ছেলেদের ক্ষেত্রে ফ্লোর, প্যারালেল বার, হাই বার, পমেল হর্স, ভল্ট এবং রিং - এ ছয় ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
১৩০
'শারীরিক কার্যকলাপের মাধ্যমে অর্জিত শিক্ষাই শারীরিক শিক্ষা।'-- এটি কার প্রদত্ত সংজ্ঞা?
উত্তর
ডি কে ম্যাথিউস
সমাধান
শারীরিক শিক্ষা শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ। শারীরিক শিক্ষা ছাড়া শিক্ষা অসম্পূর্ণ। শিক্ষা শব্দটির ব্যাখ্যা প্রদান করলে শারীরিক শিক্ষা কী তা বোঝা সহজ হবে। শিক্ষা সম্পর্কে বিভিন্ন পণ্ডিত ব্যক্তি নানাভাবে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন যা বিভিন্ন অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট। শিক্ষা শুধুমাত্র বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ নয়, ব্যক্তির শারীরিক, সামাজিক, আবেগিক ও অন্যান্য দিকেরও সুষম বিকাশ সাধন করে। শিক্ষা ব্যক্তিজীবনের কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়েই ঘটে না, শিক্ষা জীবনব্যাপী বিস্তৃত। শিক্ষা শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, শিক্ষা অর্জিত হয় বাড়িতে, সমাজে, খেলার মাঠে এবং সর্বত্র।
ডি. কে. ম্যাথিউস বলেছেন, শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা অর্জিত শিক্ষাই শারীরিক শিক্ষা।
হপ স্মিথ ও ক্লিফটন বলেছেন, বিজ্ঞানসম্মত ও কৌশলগত অঙ্গসঞ্চালনের নাম শারীরিক শিক্ষা।
জে. বি. ন্যাশের ভাষায়, ‘শারীরিক শিক্ষা গোটা শিক্ষার এমন একদিক যা মাংসপেশির সঠিক সঞ্চালন ও এর প্রতিক্রিয়ার ফল হিসেবে ব্যক্তির দেহের ও স্বভাবের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন সাধন করে।
শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য
শারীরিক শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ব্যক্তির সর্বাত্মক উন্নতি সাধন করা, সুস্থদেহে সুন্দর মন গড়া। শারীরিক শিক্ষার প্রধান কাজ হলো শিশুকে আনন্দ ও খেলাধূলার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা ও কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা। বিভিন্ন শারীরিক শিক্ষাবিদগণ শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হিসেবে নিম্নলিখিত মত ব্যক্ত করেছেন।
উইলিয়ামস - এর মতে, ‘শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো ব্যক্তির শারীরিক, সামাজিক ও অন্যান্য দিকের সুষম উন্নতি ঘটিয়ে ব্যক্তিসত্তার সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধনের চেষ্টা করা’।
বুক ওয়াল্টার বলেছেন ‘শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক দিক সমূহের সুসমন্বিত বিকাশ সাধন।’ এই বিকাশ সাধনের উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনেচলা ও নিয়মনীতি অনুসারে পরিচালিত খেলাধুলা, ছন্দোময় ব্যায়াম এবং জিমন্যাস্টিকস্ ইত্যাদি ক্রিয়াক্রর্মে অংশগ্রহণ।