১৯৫২১
এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কি?
উত্তর
'আসিয়ান' জোটকে সমর্থন করা
সমাধান
এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি 'আসিয়ান' জোটকে সমর্থন করা।
দক্ষিণ - পূর্ব এশিয়ার দশটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, যা ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। তারপর থেকে, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার, এবং ভিয়েতনাম সদস্যপদ লাভ করে।
এর লক্ষ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি, সাংস্কৃতিক বিবর্তন তার সদস্যদের মধ্যে ত্বরান্বিত করা, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা সুরক্ষা, এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করা।
১৯৫২২
বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ স্থানান্তর করেন কে?
উত্তর
নবাব মুর্শিদকুলি খান
সমাধান
মুর্শিদকুলী খান (১৭০০ - ১৭২৭) বাংলায় নওয়াবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা। বাংলায় মুর্শিদকুলী খানের কর্মজীবন শুরু হয় প্রাদেশিক দীউয়ান হিসেবে। একে একে বাংলা ও উড়িষ্যার নাজিম বা গভর্নর, বিহারের দীউয়ান এবং কয়েকটি জেলার ফৌজদারের পদ অলঙ্কৃত করার পর আঠারো শতকের প্রথম দিকে তাঁর কর্মজীবনের সমাপ্তি ঘটে।
১৯৫২৩
কমনওয়েলথের কোন দেশটি যুক্তরাজ্যের রাজা ও রানীকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে?
উত্তর
অস্ট্রেলিয়া
১৯৫২৪
জার্মানি ব্যতিরেকে কোন দেশের প্রায় সকল নাগরিক জার্মান ভাষায় কথা বলে?
উত্তর
অস্ট্রিয়া
১৯৫২৫
রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী আত্মঘাতী মহিলার নাম কি?
উত্তর
ধানু
সমাধান
রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী আত্মঘাতী তামিল নারীর প্রকৃত নাম তেনমুলি রাজারত্নম ওরফে থানু
১৯৫২৮
মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখিত গ্রন্থ "আমার কিছু কথা" এর লেখক কে?
উত্তর
শেখ মুজিবুর রহমান
সমাধান
আমার কিছু কথা - লেখকঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বইটির ক্যাটাগরিঃ ভাষণ, বক্তৃতা ও উপদেশ সংকলন
১৯৫২৯
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য দেশ?
উত্তর
১৩৬ তম
সমাধান
১৯৭২ এবং ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে ব্যর্থ হয়েছিল কারণ চীন পাকিস্তানের পক্ষে ভেটো ব্যবহার করে বাংলাদেশে পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তি রোধ করেছিল। ১৯৭৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য
১৯৫৩০
প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর
৫ ভাগে
সমাধান
প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মাটিকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা : (ক) পাহাড়ি মাটি, (খ) ল্যাটোসেলিক মাটি, (গ) পলল মাটি, (ঘ) জলাভূমি মাটি এবং (ঙ) কোষ মাটি।