১৯৭৮১
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
উত্তর
১১টি
১৯৭৮৪
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এক ব্যক্তি দম্ভোক্তি করে, যা বলেছিল নিম্নরূপঃ ' লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শক্র, এবার তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না।' এ দম্ভোক্তিকারী ব্যাক্তি কে ছিল?
উত্তর
জেনারেল ইয়াহিয়া খান
সমাধান
জেনারেল ইয়াহিয়া খান ছিলেন সামারিক শাসক ও পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট। পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে পতদ্যাগ করেন। জেনারেল টিক্কাখান পাকিস্তান আমলে ১৯৭১ সালে বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৮৫
'যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন' ---- এটি কার উক্তি?
উত্তর
হিটলার
সমাধান
আডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ যিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সে দেশের ফিউরার ছিলেন।
১৯৭৮৭
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন(ইইউ) -এর একক মুদ্রা কবে চালু হচ্ছে?
উত্তর
১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
সমাধান
ইউরোপীয় সাধারণ মুদ্রা 'ইউরো' প্রথম চালু হয় ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি। বর্তমানে ইইউভুক্ত ১৯ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু রয়েছে। উল্লেখ্য , 'ইউরো ব্যাংক নোট' প্রথম চালু হয় ১ জানুয়ারি ২০০২।
১৯৭৮৮
চীনের ' দ্বৈত অর্থনীতির' ধারণা প্রধানত কোন বাস্তবতার নিরীখে গৃহীত?
উত্তর
হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
সমাধান
চীনের সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি এবং হংকং - এর পুঁজিবাদী অর্থনীতির সামঞ্জস্য বিধানের লক্ষ্যে চীনে দ্বৈত অর্থনীতি অর্থাৎ এক দেশ দুই নীতি চালু হয়। এছাড়া ম্যাকাও ও তাইওয়ানের একত্রীকরণকে সামনে রেখেও এ প্রক্রিয়াটিকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১৯৭৮৯
ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যর দেওয়ানী লাভ করে?
উত্তর
১৭৬৫ সালে
সমাধান
১৭৬৫ সালের ১ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিল্লির বাদশাহ শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দীউয়ানি ও রাজস্ব ক্ষমতা গ্রহন করে। ১৭৬৫ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত কোম্পানি বাংলার প্রশাসনের সঙ্গে রাজস্ব ক্ষমতা ভাগাভগি করলেও তারা প্রশাসনিক কোনো দায় - দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ করেনি। কোম্পানির পক্ষে সৈয়দ মোহাম্মদ রেজা খান রাজস্ব সংক্রান্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।
১৯৭৯০
অবিভক্ত বাংলায় শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সমাধান
১৯৪৬ এর নির্বাচনে বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের বিপুল বিজয়েহোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং আবুল হাশিম মূল কৃতিত্বের দাবীদার ছিলেন।১৯৪৬ সালে বাংলার মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে পাকিস্তান আন্দোলনে তিনি ব্যাপক সমর্থন প্রদান করেন।পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে ১৯৪৬ সালে তিনি পাকিস্তান আন্দোলনের প্রতি তার সমর্থন এবং সহযোগিতা প্রদান করেন। স্বাধীন ভারতবর্ষের ব্যাপারে কেবিনেট মিশন প্ল্যানের বিরুদ্ধে জিন্নাহ ১৯৪৬ সালের আগস্ট ১৬ তারিখে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের ডাক দেন।