৭৩০১
ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে -----
উত্তর
বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
সমাধান
ধানগাছ বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার পর ভ্রূণকান্ড ও ভ্রূণমূল যথাক্রমে ধানের কান্ড ও গুচ্ছমূলে পরিণত হয়। কান্ড পর্বসন্ধি ও পর্বমধ্য দ্বারা গঠিত। কান্ড থেকে উৎপন্ন পাতা একটি লম্বা পত্রফলক ও চ্যাপ্টা বৃন্তের সমন্বয়ে গঠিত। সর্বশেষ পাতাকে ধ্বজাপত্র (flag leaf) বলে, তাতে থাকে শেষ পর্বমধ্য বা যৌগমঞ্জরি (panicle)। সাধারণ জাতের ধানের তুলনায় উচ্চফলনশীল জাতগুলি অধিক সংখ্যক কুঁশি ও দানা উৎপাদন করে, তাই এদের ফলনও বেশি। ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে বাতাসের সাথে পরাগ ঝড়ে পড়ে ।
৭৩০২
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে -----
উত্তর
১০ নিউটন
সমাধান
গড়ে পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত, ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থছেদের একটি বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম, এবং এটি ১০.১ নিউটন বল বা ওজন প্রয়োগ করে। যার ফলে ১০.১নিউটন/সেমি২ বা ১০১ কিলোনিউটন/মিটার২ (১০১ কিলোপ্যাস্কেল, কেপিএ) চাপের সৃষ্টি হয়
৭৩০৩
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো----
উত্তর
ইরি - ৮
সমাধান
বাংলাদেশে ১৯৬৮ সালে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) থেকে প্রথম উফশী জাতের ধান (আইআর ৮) মাঠ পর্যায়ে চাষাবাদ শুরু হয়। খাটো আকৃতির এ উফশী ধান থেকে প্রতি হেক্টরে ৫ - ৬ টন (বিঘাপ্রতি ১৮ - ২১ মণ) ফলন পাওয়া যায়। তখন থেকে উফশী ধান লোকমুখে ইরি ধান নামে পরিচিতি লাভ করে।
৭৩০৪
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে ----
উত্তর
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
সমাধান
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে ।
ইস্পাত একটি লোহা ও কার্বনের সংকর যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০ .২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে ব্যবহৃত হলেও কার্বন সবচেয়ে সাশ্রয়ী। লোহার সাথে এই ধাতুগুলো যুক্ত হয়ে লোহার দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।নিন্ম গলনাংক ও ঠালাই যৌগ্যতার জন্য উচ্চ কার্বনযুক্ত সংকর ঠালাই লোহা (কাস্ট আয়রণ) নামে পরিচিত।ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
৭৩০৫
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো -----
উত্তর
মিথেন
সমাধান
প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন হলেও এর সাথে অল্প পরিমাণ অন্যান্য
প্যারাফিন হাইড্রোকার্বন যেমন ইথেন,
প্রোপেন , বিউটেন, পেন্টেন , হেক্সেন ইত্যাদি থাকে। এছাড়া আরও থাকে
নাইট্রোজেন , কার্বন ডাই অক্সাইড ও
হাইড্রোজেন সালফাইড ।
প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুপাত: -
(a.) মিথেন - 97.33%
(b.) ইথেন - 1.72%
(c.) প্রোপেন - 0.35%
(d.) ঊচ্চতর কার্বনের শিকল যুক্ত অংশ - 0.19%
(e.) কার্বন ডাই অক্সাইড - 0.05%
(f.) অক্সিজেন - 0.02%
(g.) হাইড্রোজেন - 0.03%
(h.) হাইড্রোজেন সালফাইড - 0.01%
(i.) অন্যান্য - 0.3%
মোট - 100%
৭৩০৬
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয় -----
উত্তর
পরমাণু
সমাধান
ব্যাখ্যাঃ পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য রক্ষাকারী ক্ষুদ্রতম কণা যা সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। অণু হল মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য রক্ষাকারী ক্ষুদ্রতম কণা যা সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে না। যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত, তাদেরকে মূল কণিকা বলা হয়। যেমনঃ ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন।
৭৩০৭
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ -----
উত্তর
বায়ু প্রবাহের প্রভাব
সমাধান
ব্যাখ্যাঃ সমুদ্র স্রোত উৎপত্তির কারণ হল - বায়ুপ্রবাহ, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, বাষ্পীভবনের তারতম্য, গভীরতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন এবং স্থলভাগের অবস্থান।
৭৩০৮
কাজ করার সামর্থ্যকে বলে -----
উত্তর
শক্তি
সমাধান
যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎসটি দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই হচ্ছে ক্ষমতা। সময়ের সাপেক্ষে কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে।
বস্তুর সরণ না হলে কাজের পরিমান ০।
৭৩০৯
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো ----
উত্তর
প্রিজমের কাজ করে
সমাধান
ব্যাখ্যাঃ দুইটি হেলানো সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ প্রতিসারক মাধ্যমকে প্রিজম বলা হয়। প্রিজমের মধ্যে দিয়ে আলোর প্রতিসরণের ফলে সাদা রঙের আলো সাতটি মূল রঙের আলোতে বিশ্লিষ্ট হয়। রঙধনু একটি আলোকীয় ঘটনা। এক পশলা বৃষ্টির পর আবার যখন সূর্য ওঠে তখন কখনও কখনও সুর্যের বিপরীত দিকে আকাশে উজ্জ্বল রঙের অর্ধবৃত্ত দেখা যায়, একে বলা হয় রঙধনু বা রামধনু। রঙধনুতে সাতটি রঙ থাকে। বৃষ্টির কণায় সূর্যের আলোর প্রতিসরণ থেকে রঙধনু উৎপত্তি। এক্ষেত্রে বৃষ্টির পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
সকালে রঙধনু পশ্চিমাকাশে ও বিকালে রংধনু পূর্ব আকাশে দেখা যায়
৭৩১০
কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো -----
উত্তর
বালি
সমাধান
কাঁচের প্রধান উপাদান হচ্ছে বালি বা সিলিকা। আজকের দিনে আমাদের যে কাঁচ তৈরি পদ্ধতি রয়েছে, তাতে যে মূল তিনটি উপাদান প্রয়োজন হয় সেগুলি হল কোয়ার্টজ(সিলিকা), সোডা, এবং চুন। যখন এগুলির মিশ্রণকে ১২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে উত্তপ্ত করা হয়, তখন এগুলি গলতে শুরু করে এবং তৎক্ষণাৎ যদি ঠাণ্ডা করা যায় তাহলে কাঁচের জন্ম হয়। ঢাকার আশে পাশে ২ - ৩ টি (ফ্লোট/শীট) গ্লাস কোম্পানি আছে। এর মধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরে ১০০ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত 'নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (NGIL)' বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ফ্লোট এন্ড শীট গ্লাস কোম্পানি। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এই কোম্পানি বিদেশেও উন্নতমানের ফ্লোট, শীট ও কালার গ্লাস বিদেশে রপ্তানি করছে।