৭৩৩১
আমিষের সহজলভ্য উৎস হলো-
উত্তর
সামুদ্রিক মাছ
সমাধান
চীনাবাদাম স্নেহের উৎস । চাল শর্করার উৎস । কলা লৌহ নামক খনিজ লবণের উৎস। সামুদ্রিক মাছ আমিষের উৎস।
৭৩৩২
সৌরশক্তি হচ্ছে-
উত্তর
নবায়নযোগ্য শক্তি
সমাধান
সৌরশক্তি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। সৌরশক্তিকে আজকাল নবায়নযোগ্য শক্তি বিপুল শক্তি বহন করে আনে। এ শক্তিকে ধরে রাখার জন্য উদ্ভাবিত হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি। যেমন - সৌরকোষ ।
৭৩৩৩
বহুকোষী প্রাণি নয়-
উত্তর
অ্যামিবা
সমাধান
অ্যামিবা এককোষী জীব । আর তেলাপোকা, শামুক, মাছ হচ্ছে বহুকোষী জীব।
৭৩৩৪
গৃহে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে লক্ষ রাখতে হয়-
উত্তর
নিরাপত্তা ফিউজের সংযোগ কম গলনাংকের কোনো ধাতব তারে হয়
সমাধান
ঘরবাড়িতে বা দোকানে বা কলকারখানায় কোনো কারণে বিদ্যুৎপ্রবাহ বৃদ্ধি পেলে তাপ উৎপাদিত হয়ে আগুন লেগে যেতে পারে। ফলে অপূরনীয় ক্ষতিও হতে পারে। এ সকল কারণে বিদ্যুৎ লাইনে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় । কম গলনাংকের কোনো ধাতব তার ব্যবহার করে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়। এ তারকে নিরাপত্তা ফিউজ বলে।
৭৩৩৫
উপকূলে কোনো একটি স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো---
উত্তর
প্রায় ১২ ঘণ্টা
সমাধান
চন্দ্র - সূর্যের আকর্ষণ শক্তি, পৃথিবীর কেন্দ্র শক্তি এবং আহ্নিক গতির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক জায়গায় ফুলে ওঠে, আবার অন্য জায়গায় নেমে যায়। সমুদ্র পানির এভাবে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা পর পর দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা।
৭৩৩৬
কোন বিষয়ের সঙ্গে কম্পিউটার সম্পৃক্ত?
উত্তর
ই-মেইল
সমাধান
ই - মেইল বা ইলেক্ট্রনিক মেইল হচ্ছে তথ্য আদান - প্রদান করার একটি সহজ মাধ্যম। কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে ই - মেইল করা যায়। বড় আকারের সংবাদ এবং প্রচুর উপাত্ত ই - মেইলের মাধ্যমে আদান প্রদান করা হয় । এর মাধ্যমে স্মারকলিপি ,দলিল পত্রাদি, নকশা, ছক প্রভৃতি অতি সহজে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
৭৩৩৭
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ----
উত্তর
ধমনির ভেতর দিয়ে
সমাধান
ধমনিইন্ট্রাক্রেনিয়াল অ্যানিউরিজমইন্ট্রাক্রেনিয়াল অ্যানিউরিজম (ইংরেজি: Intracranial aneurysm) বা মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম হচ্ছে এক প্রকার সেরিব্রোভাসকুলার রোগ। এই রোগে মস্তিষ্কের ধমনি বা শিরায় দুর্বলতার সৃষ্টি হয় যার ফলশ্রুতিতে রক্তবাহিকার আক্রান্ত স্থান প্রসারিত হয়ে বেলুনের মতো আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের পেছনের অংশের রক্তবাহিকায় (বেসিলার ধমনি, ভার্টিব্রাল ধমনি, এবং পোস্টেরিয়র কমিউনিকেটিং ধমনি) সৃষ্ট অ্যানিউরিজমের ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। বেসিলার ধমনির অ্যানিউরিজমের পরিমাণ অন্তঃকরোটির অ্যানিউরিজমগুলোর মধ্যে ৩% - ৫% তবে মস্তিষ্কের পেছনের অংশে থাকা রক্তবাহিকাগুলোর মধ্যে এ ধরনের অ্যানিউরিজম - ই সবচেয়ে প্রচলিত।
৭৩৩৮
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের পোনামাছ ধরা নিষেধ?
উত্তর
২৩ সেমি
সমাধান
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে মাছ চাষের উদ্দেশ্য ছাড়া কেউ প্রতি বছর জুলাই - ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩ সেমি'র কম দৈর্ঘ্যের রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ ও ঘনিয়া , নভেম্বর - এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা (ছোট ইলিশ) ও পাঙ্গাশ এবং ফেব্রুয়ারি - জুন পর্যন্ত ৩০ সেমি'র কম দৈর্ঘ্যের মাছ ধরা নিষিদ্ধ।
৭৩৩৯
চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
উত্তর
চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
সমাধান
শব্দ পরিবহনে জন্যে মাধ্যমের প্রয়োজন। পৃথিবীতে বায়ুমন্ডল এই মাধ্যমের কাজ করে, সহজ কথায় বাতাস হচ্ছে মাধ্যম। চাঁদের অভিকর্ষজ বল খুব দূর্বল, ফলে চাঁদের পরিপূর্ণ বায়ুমন্ডল নেই। সে জন্যে শব্দ পরিবহন সম্ভব নয় । চাঁদে বাতাস নেই, তাই শব্দ সঞ্চারের মাধ্যমও নেই ।
৭৩৪০
ধূমকেতু শুমেকার লেভী-৯ এর ভাঙ্গা টুকরোটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
উত্তর
১৬ জুলাই, ১৯৯৪
সমাধান
ধূমকেতুধুমকেতু (ইংরেজি: Comet কমেট্) হল ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। ধূমকেতু একটি ক্ষুদ্র বরফাবৃত সৌরজাগতিক বস্তু যা সূর্যের খুব নিকট দিয়ে পরিভ্রমণ করার সময় দর্শনীয় কমা (একটি পাতলা, ক্ষণস্থায়ী বায়ুমন্ডল) এবং কখনও লেজও প্রদর্শন করে । ধূমকেতুর নিউক্লিয়াসের ওপর সূর্যের বিকিরণ ও সৌরবায়ুর প্রভাবের কারণে এমনটি ঘটে। ধূমকেতুর নিউক্লিয়াস বরফ, ধূলা ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথুরে কণিকার একটি দুর্বল সংকলনে গঠিত। প্রস্থে কয়েকশ মিটার থেকে দশ কি.মি. এবং লেজ দৈর্ঘ্যে কয়েকশ কোটি কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে । মানুষ সুপ্রাচীন কাল থেকে ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ করছে। একটি ধূমকেতুর পর্যায়কাল কয়েক বছর থেকে শুরু করে কয়েকশ’ হাজার বছর পর্যন্ত হতে পারে। ধারণা করা হয় স্বল্পকালীন ধূমকেতুর উৎপত্তি কুইপার বেল্ট থেকে যার অবস্থান নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে এবং দীর্ঘকালীন ধূমকেতুর উৎপত্তি ওরট মেঘ থেকে, যা সৌরজগতের বাইরে একটি বরফময় বস্তুর গোলাকার মেঘ। আমাদের সৌরজগতের বড় গ্রহগুলোর ( বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন) অথবা সৌরজগতের খুব কাছ দিয়ে পরিক্রমণকারী নক্ষত্রের কারণে ওরট মেঘে যে মাধ্যাকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাতে বস্তুগুলো সূর্যের দিকে ছুটে আসে এবং তখনি কমার উৎপত্তি হলে আমরা ধূমকেতু দেখি। বিরল কিছু ধূমকেতু অধিবৃত্তাকার কক্ষপথে সৌরজগতের ভেতরে প্রবেশ করে এসব গ্রহের মাধ্যমে আন্তনাক্ষত্রিক স্থানে নিক্ষিপ্ত হতে পারে। ধুমকেতু উল্কা বা গ্রহাণু থেকে পৃথক কারণ এর কমা ও লেজের উপস্থিতি। কিছু বিরল ধূমকেতু সূর্যের খুব নিকট দিয়ে বারবার পরিভ্রমণ করার কারণে উদ্বায়ী বরফ ও ধুলা হারিয়ে ছোট গ্রহাণুর মত বস্তুতে পরিণত হয়। এপ্রিল ২০১৫ এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ৫৩৮৪ টি ধূমকেতু আমাদের জানা । এ সংখ্যা ক্রমবর্ধমান কারণ মোট ধূমকেতুর (যা ধারণা করা হয় শত কোটি) একটি নগণ্য অংশ। খালি চোখে দেখা যাওয়া উজ্জ্বল ধূমকেতুকে বৃহৎ ধূমকেতু বলা হয়। কিছু ধুমকেতু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই স্থানে ফিরে আসে। যেমন হ্যালীর ধুমকেতু।