৭৩৭২
বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্ব্বোচ্চ?
উত্তর
CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
সমাধান
সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি বায়ুমন্ডেলের ওজোনস্তর পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেন পরিণত করে ( CFC + O3→02 + ......) । এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মাহজাগতিক বিভিন্নি রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
৭৩৭৩
' ড্রাই আইস' (dry ice) হলো ------
উত্তর
কঠিন অবস্থায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সমাধান
কার্বন - ডাই অক্সাইড গ্যাস 0°C উষ্ণতায় এবং সাধারণ চাপের 40 গুণ চাপে তরলে পরিণত হয়। কার্বন - ডাই - অক্সাইডকে চাপ প্রয়োগে বাষ্পীভূত করলে বাষ্পীভবনের প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ ঐ তরল কার্বন - ডাই - অক্সাইড আর ও ঠাণ্ডা হয়ে ( - 78.4°C) কার্বন - ডাই - অক্সাইড উৎপন্ন করে। একেই ড্রাই আইস (Dry Ice) বলা হয়।
৭৩৭৪
ডায়বেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় সেটি হলো -------
উত্তর
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়
সমাধান
আমাদের দেশের মানুষের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয় প্রকৃতপক্ষে অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। এর ফলে মানবেদেহের কিডনি বিনিষ্ট হতে পারে।
৭৩৭৫
এনজিও প্লাস্টি হচ্ছে -----
উত্তর
হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
সমাধান
ধমনী দ্বারা রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হলে এর চিকিৎসায় এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে বিশেষ ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে সমস্যাযুক্ত ধমনির সংকুচিত স্থান বিশেষ ধরনের বেলুন দ্বারা প্রসারিত করা হয়।
৭৩৭৬
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে ---এটি কি?
উত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
সমাধান
স্ট্রোকমস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত ক্ষরনের ফলে অক্সিজেন সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মাধ্যমে যে অবস্থা দ্রুত জন্ম নেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক (Stroke)। দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্ক কোষসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল - - - অক্সিজেন বা শর্করা সরবরাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষগুলো শরীরের যেই অংশ নিয়ন্ত্রণ করত ওই অংশ গুলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।
৭৩৭৭
স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো -----
উত্তর
৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড
সমাধান
পানির ব্যতিক্রমী ধর্ম হচ্ছে 4°C তাপমাত্রায় এর ঘনত্ব সবচেয়ে বৃদ্ধি পায় এবং এরপর তাপমাত্রা কমালে ঘনত্ব হ্রাস পায়। 0°C তাপমাত্রায় পানি বরফ এবং 100°C - এ বাষ্পে পরিণত হয়।
৭৩৭৮
যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয়, তাদের বলা হয় ----
উত্তর
আইসোটোপ
সমাধান
আইসোটোপের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, আইসোবারের ক্ষেত্রে ভরসংখ্যা সমান কিন্তু এটমিক সংখ্যা ভিন্ন, আইসোটোনের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান এবং আইসোমারের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংক্যা ও ভরসংখ্যা সমান , কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন।
৭৩৭৯
"গ্রীন হাউজ ইফেক্টের' পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কি হবে?
উত্তর
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
সমাধান
গ্রীন হাউজগ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ ভূপৃষ্ঠে উপস্থিতিতেও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূপৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমণ্ডলস্থ গ্রিন হাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূপৃষ্ঠে ও বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। শীতপ্রধান দেশগুলোতে সাধারণত কাচ নির্মিত গ্রিন হাউজ তৈরি করে উদ্ভিদ উৎপাদন করার পদ্ধতি অনুসরণ এই প্রক্রিয়ার নামকরণ করা হয়। একটি গ্রিনহাউজে সৌর বিকিরণ কাচের মধ্য দিয়ে গ্রিন হাউজটিকে উত্তপ্ত র াখে, এখানে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে গ্রিন হাউজটিকে বাতাসের প্রবাহ হ্রাস করে উত্তপ্ত বাতাস কাচের কাঠামোর মধ্যে পরিচলন ব্যতিরেকে ধরে রাখতে পারে। সূর্য থেকে পৃথিবীর মতো দূরত্বে যদি কোনো আর্দশ তাপ - সুপরিবাহী কৃষ্ণবস্তু (আর্দশ ভৌত পদার্থ যা তার উপর আপতিত সকল তড়িচ্চুম্বকীয়বিকিরণ শোষণ করতে পারে) থাকত তাহলে বস্তুটির তাপমাত্রা হত প্রায় ৫.৩° সেলসিয়াস। যেথপৃথিবী িবী তার দিকে আগত সৌররশ্মির ৩০ শতাংশ প্রতিফলন করে সেহেতু, এই আর্দশ গ্রহের কার্যকর তাপমাত্রা (একটি কৃষ্ণবস্তুও এই সমপরিমাণ তাপমাত্রা বিকিরণ করবে) হবে প্রায় - ১৮° সেলসিয়াস। এই কল্পিত গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৩৩° সেলসিয়াসের নিচে যেখানে পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রকৃত তাপমাত্রা প্রায় ১৪° সেলসিয়াস। বায়ুমণ্ডলেরডলের কারণে যে প্রক্রিয়া পৃষ্ঠের প্রকৃত তাপমাত্রা ও কার্যকর তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে তাইিন ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া। পৃথিবীতে এই প্রাকৃতিক গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া প্রাণের সৃষ্টি করতে সহায়তা করেছে। কিন্তু, মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বিশেষত, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত দহন এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের কারণে প্রাকৃতিক গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া তীব্রতর হচ্ছে ফলশ্রুতিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৭৩৮০
নিত্য ব্যবহার্য বহু ' এরোসোলের' কৌটায় এখন লেখা থাকে 'সিএফসি' বিহীন। সিএফসি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক?
উত্তর
ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
সমাধান
হিমায়করুপে ব্যবহার্য সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করলে দীর্ঘ দিনের ব্যবধানে ওজন স্তরে গিয়ে অতি বেগুনী রশ্মীর উপস্থিতিতে জটিল বিক্রিয় করে ওজন স্তর ক্ষয় করে। এজন্য সিএফসি একটি নিরব ধাতক।