৭৩৯২
' অ্যাকোয়া রেজিয়া' বলতে বুঝায় ------
উত্তর
কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ
সমাধান
এক মৌল গাঢ় নাইট্রিক এসিড ও তিন মৌল গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের আনুপাতিক মিশ্রণ ই হল রাজঅম্ল বা অ্যাকুয়া রেজিয়া।
৭৩৯৩
বায়ুমণ্ডলের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায় -----
উত্তর
১০ মিটার
সমাধান
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলপৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল - ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে (গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া) ভূপৃষ্টকে উত্তপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে। শ্বাস - প্রশ্বাস ও সালোকসংশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের প্রদত্ত প্রচলিত নাম বায়ু বা বাতাস। পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন, ২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে। বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%। বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়, স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে। বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫×১০১৮ কেজি, যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ কিলোমিটারের (৩৬, ০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কারম্যান রেখা যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়। বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে। বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং তার প্রক্রিয়া নিয়ে চর্চা করাকে বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বা অ্যাইরলজি বলা হয়। লিওন টিইসারিয়েক ডি বর্ট ও রিচার্ড অ্যাসম্যান এই শাস্ত্রের প্রারম্ভিক পথিকৃৎ।
৭৩৯৪
' এভিকালচার ' বলতে কি বুঝায়?
উত্তর
পাখিপালন বিষয়াদি
সমাধান
পাখি পালন বিষয়াদি বুঝায় । যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় । তাকে এভিকালচার বলে ।
৭৩৯৫
টুথপেস্টের প্রধান উপাদান ----
উত্তর
সাবান ও পাউডার
সমাধান
দাঁত পরিষ্কার করার জন্য জেলি / লেইয়ের মত যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে টুথপেস্ট বলে।
সাধারণ মানের টুথপেস্টে রয়েছে -
চক পাউডার - ৩০%
সাবান - ১৫%
ট্রাই ও ডাই ক্যালসিয়াম ফসফেট - ১০%
গাম ট্রাগাকান্হ মিউসিলেজ - ৫.৫%
৭৩৯৬
পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতি হয় -----
উত্তর
পৃষ্ঠটান
সমাধান
পৃষ্ঠটানপৃষ্ঠটান (ইংরেজি: Surface Tension) হল প্রবাহীর পৃষ্ঠের একটি স্থিতিস্থাপক প্রবণতা, যা তার উপরিতলকে সম্ভাব্য সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফল প্রদান করে। পৃষ্ঠটানের জন্যই কিছু কীট, যাদের দেহের ঘনত্ব জল অপেক্ষা অনেক বেশি, তারা জলের উপরিতলে ভাসমান থাকতে পারে আর হেঁটে যেতে পারে। পৃষ্ঠটান ও পদার্থের জলবিকর্ষী ধর্ম জলের ফোঁটাকে কেটে তোলে। সাবানের ফেনা দিয়ে পৃষ্ঠটানের একটি পরীক্ষাতরল ও গ্যাসের সংযোগস্থলে, তরল অণুগুলির পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ (সংসক্তি টানের জন্য), তরল ও গ্যাসের অণুগুলির আকর্ষণ (আসঞ্জন বলের জন্য) অপেক্ষা অনেক বেশি হওয়ায় পৃষ্ঠটান সংঘটিত হয়। তরলপৃষ্ঠের নিচে অভ্যন্তরীণ বলসমূহের লব্ধি বল এমনভাবে ক্রিয়া করে, যেন তরলের উপরিতল কোনো টান করা স্থিতিস্থাপক পর্দা দ্বারা আবৃত রয়েছে। এই অসম লব্ধি বলের কারণেই তরল পৃষ্ঠে সংকোচনশীল টান প্রযুক্ত হয়, সেই কারণেই সম্ভবত একে ‘পৃষ্ঠটান’ বলা হয়। অন্যান্য তরলের থেকে জলের অণুগুলির হাইড্রোজেন বন্ধন উচ্চ মানের হয় (২০° সে. উষ্ণতায় ৭২.৮ মিলিনিউটন প্রতি মিটার)। পৃষ্ঠটানে বল প্রতি একক দৈর্ঘ্যে কিংবা প্রতি বর্গ - একক ক্ষেত্রফল প্রযুক্ত হতে পারে। এই দুই প্রকার বল বাস্তবে একই, কিন্তু প্রতি বর্গ - একক ক্ষেত্রফল প্রযুক্ত হলে, এই বলকে পৃষ্ঠশক্তি বলা হয়। পৃষ্ঠশক্তি আবার কঠিনের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হতে পারে। বস্তুবিজ্ঞানে পৃষ্ঠটানকে পৃষ্ঠ পীড়ন বা মুক্ত পৃষ্ঠশক্তি নামেও অভিহিত করা হয়।
৭৩৯৭
মুক্তা হলো ঝিনুকের -----
উত্তর
প্রদাহের ফল
সমাধান
মুক্তামুক্তা (ইংরেজি: Pearl) ঝিনুক বা মুক্তির মধ্যকার রত্নবিশেষ। এর অন্য নাম মোতি। আঞ্চলিক ভাষায় অনেক সময় মুক্তাকে মুকুতা নামেও ডাকা হয়। মুক্তা এক ধরনের শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের মাধ্যমে তৈরী হয়। এটি দেখতে ছোট এবং প্রায়শঃই সাদা রঙের হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো পাণ্ডুর বা ফ্যাকাশে রঙ - সহ কালো রঙেরও হতে পারে। সাধারণতঃ মোতি দেখতে গোলাকৃতি ধরনের হয়। এছাড়া, অর্ধ - গোলাকার, ডিম্বাকৃতি কিংবা অন্য যে - কোন বিভিন্ন আকৃতিরও হতে পারে। অলঙ্কার জগতে এর অসম্ভব জনপ্রিয়তা ও সুনাম রয়েছে। জুন মাসে জন্মগ্রহণকারী জাতকগণ জন্মপাথররূপে মুক্তা ধারণ করে থাকেন।
৭৩৯৮
১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হলে, ১৯৯৫ সালের ঐ একই তারিখে হবে -----
উত্তর
শুক্রবার
৭৪০০
পোলিও টীকা আবিস্কারক জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে মারা যান, শহরটির নাম---
উত্তর
La Zola
সমাধান
পোলিওপোলিওমাইলিটিজ (/poʊlioʊmaɪəlaɪtɪs/) এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। সচরাচর এটি পোলিও নামেই সর্বাধিক পরিচিত। এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি এ ধরনের ভাইরাসের মাধ্যমে আক্রান্ত হন। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সাময়িক কিংবা স্থায়ীভাবে শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হন ও তার অঙ্গ অবশ বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। সাধারণতঃ এ সংক্রমণ শিশুসহ কিশোরদের মাঝে প্রবাহিত হয়ে থাকে। শতকরা ৯৫ ভাগেরও অধিক পোলিও আক্রান্ত রোগীর শরীরে কোন উল্লেখযোগ্য দৃশ্যমান উপসর্গ কিংবা স্বল্পমাত্রার উপসর্গ দেখা যায় না। কেবলমাত্র রক্তে প্রবাহিত হয়ে আক্রান্ত হবার মাত্র কয়েকদিন পূর্বে তা দৃশ্যমান হয়। এ ভাইরাসটি মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ করে ও মাংসপেশীকে নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুকোষকে আক্রান্ত করে। এরফলে ব্যক্তির শরীর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত স্থানটি সাধারণতঃ পায়ে হয়ে থাকে। এছাড়াও এর ধ্বংসাত্মক প্রবণতা মানুষের মস্তিষ্কে ঘটে যা জটিল থেকে জটিলতর হয়। কখনো কখনো এটি মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেহেতু পোলিংও শিশুদেরকেই অধিক আক্রান্ত করে, তাই এটি অপরিপক্ক পক্ষাঘাত নামে পরিচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট পোলিও আক্রান্ত ছিলেন বলে তার ডাক্তারগণ ধারণা করেছিলেন।