৭৫৩১
সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম -----
উত্তর
ক্রনোমিটার
সমাধান
যে সূক্ষ্ম যন্ত্রের সাহায্যে সঠিকভাবে কাল নিরুপণ করে সাগরবক্ষে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা যায় তাকে ক্রমোমিটার বলে। কম্পাস হচ্ছে দিক নির্দেশক যন্ত্র। সিসমোগ্রাফ ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্র। সেক্সট্যান্ট হলো কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করার যন্ত্র।
৭৫৩২
কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে-
উত্তর
কালো দেখায়
সমাধান
দৃশ্যমান আলো আসলে বিভিন্ন বর্ণের মিশ্রণ। প্রত্যেক বর্ণের নিজস্ব নিজস্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ফ্রিকুয়েন্সী থাকে। মানুষের দৃশ্যমান আলো শুরু লাল, কমলা থেকে এবং শেষ হয় বেগুনীতে। একটা বস্তু যখন কোনো তরঙ্গকে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে এবং বস্তুটিকে আমরা সেই তরঙ্গের বর্ণেরই মনে করি। কোনো বস্তু কী রঙ দেখাবে সেটা বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম অর্থাত্ তরঙ্গগুলিকে শোষণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আলোক তরঙ্গের মিশ্রণ থেকে কিছু তরঙ্গ কে শোষণ এবং কিছু তরঙ্গ কে প্রতিফলিত করার জন্য প্রতিটি বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম আছে। যখন কোন বস্তুর উপর আলো পড়ে তখন সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। বস্তুটি আলোর তরঙ্গ - মিশ্রণের থেকে বেশ কিছু বা প্রায় সব তরঙ্গই শোষণ করে নিতে পারে। কখনও কখনও আবার শোষণ না করে সমস্ত রঙের তরঙ্গগুলিকেই প্রতিফলিত করে দিতে পারে। বস্তু যখন কোনো তরঙ্গ কে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে।
৭৫৩৩
ঠোঁটের কোণ ও মুখের চারদিকে ফেটে যায়-
উত্তর
ভিটামিন বি২-এর অভাবে
সমাধান
ঠোঁটের কোণ ও মুখের চারদিকে ফেটে যায় - ভিটামিন বি২ - এর অভাবে।
যার ফলে চিলোসিস (ঠোঁটের ফাটল), সূর্যের আলোতে উচ্চ সংবেদনশীলতা, কৌনিক চাইলাইটিস, গ্লসাইটিস (জিহ্বার প্রদাহ), সেবোরিহিক ডার্মাটাইটিস বা সিউডো সিফিলিস (বিশেষত স্ক্রোটাম বা ল্যাবিয়া মাজোরাকে প্রভাবিত করে) মুখ ), ফ্যারিঞ্জাইটিস (গলা ব্যথা), হাইফেরেমিয়া এবং ফেরেঞ্জিয়াল এবং ওরাল মিউকোসার এডিমা।
৭৫৩৪
প্রবল জোয়ারের কারণ, যখন ----
উত্তর
সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
সমাধান
অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়। ঐদিন চন্দ্র ও সূর্যের দিকে পূর্ণিমার দিন অপেক্ষা ও জোয়ার বেশি হয়।
৭৫৩৫
বাংলাদেশে হাইড্রোজেনের উৎস হলো-
উত্তর
প্রাকৃতিক গ্যাস ও পানি
সমাধান
বানান বিশ্লেষণ: হ্ + আ + ই + ড্ + র্ + ও + জ্ + এ + ন্ + অউচ্চারণ: [হাই.ড্রো.জেন] [ɦai. ɖro.ɟen]শব্দ - উৎস: গ্রিক hudôr (পানি) + gennan (উৎপন্ন করা)>ইংরেজি Hydrogen(হাইড্রোজেন)
খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে প্যারেসলাস (Paracelsus) বলেছিলেন যে, ধাতুর সাথে এ্যাসিডের বিক্রিয়ার ফলে একটি গ্যাস উৎপন্ন হয়। তবে তিনি এই গ্যাসের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানান নি। ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দে হেনরী ক্যাভেণ্ডিস (Henry Cavendish) সর্বপ্রথম পরীক্ষা করে দেখেন যে, আগুনের সংস্পর্শে গ্যাসটি জ্বলে ওঠে। তাই তিনি গ্যাসটির নাম দেন—দাহ্য বায়ু (Inflammable Air) ১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে ল্যাভয়সিয়ে (Lavoisier) প্রমাণ করেন যে, হাইড্রোজেন একটি মৌলিক পদার্থ। এই গ্যাসটি বাতাসে জ্বলার কারণে পানি উৎপন্ন করে। এই কারণে তিনি এর নাম দেন পানি উৎপাদক বা হাইড্রোজেন। এর তিনটি সমাণু (Isotope) রয়েছে। এই তিনটি সমাণু হলো - H - 1, H - 2 এবং H - 3।
বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাস মৌলিক ও যৌগিক উভয় রূপেই পাওয়া যায়। সাধারণভাবে বায়ুমণ্ডলের ওজনের শতকরা ১ ভাগ হাইড্রোজেন আছে। সৌরমণ্ডলে, আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত গ্যাসে, অন্যান্য প্রাকৃতিক গ্যাসের খনিতে আবদ্ধ অবস্থায় এবং বায়ুতে মৌলিক হাইড্রোজেনের অস্তিত্ব দেখা যায়। প্রকৃতিতে যৌগাবস্থায় পানি, এ্যাসিড, ক্ষার, পেট্রোলিয়াম ও অন্যান্য জৈব পদার্থে পাওয়া যায়। সাধারণ হাইড্রোজেন, দুই ধরনের হাইড্রোজেনের সংমিশ্রণে গঠিত হয়। এদের একটি অর্থো - হাইড্রোজেন, অপরটি প্যারা - হাইড্রোজেন। উল্লেখ্য, কোনো হাইড্রোজেনের অণুতে অবস্থিত প্রোটনদ্বয়ের ঘূর্ণন যদি একই দিকে হয়, তবে তখন তাকে অর্থো - হাইড্রোজেন বলে। আর যখন দুটি প্রোটনের ঘূর্ণন পরস্পরের বিপরীত দিকে হয়, তখন তাকে প্যারা - হাইড্রোজেন বলে। এই হাইড্রোজেন দুইটির রাসানিক ধর্ম একই। তবে ভৌত ধর্মে কিছু কিছু পার্থক্য দেখা যায়। তূলনামূলকভাবে অর্থো - হাইড্রোজেনের আণবিক শক্তি বেশি। যে কারণে ২৫% তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে প্যারা - হাইড্রোজেন ভেঙে যায়। কিন্তু অর্থো - হাইড্রোজেন ভাঙার জন্য ৭৫% তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়। হাইড্রোজেনের আইসোটোপ : হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে। এগুলি হলো—১. হাইড্রোজেন : এর প্রতীক H, এতে একটি প্রোটন ও একটি ইলেক্ট্রন আছে, কোনো নিউট্রন থাকে না। ২. ডিউটেরিয়াম : এর প্রতীক D, এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রন ও একটি নিউট্রন থাকে। এটি বর্ণহীন, স্বাদহীন ও গন্ধহীন গ্যাস। এটি সাধারণত সাধারণ হাইড্রোজেন অপেক্ষা দ্বিগুণ ভারী হয়। ৩. ট্রিটিয়াম : এর প্রতীক T, এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রনও দুটি নিউট্রন থাকে। এটি সাধারণ হাইড্রোজেন অপেক্ষা তিনগুণ ভারী।
৭৫৩৬
কোলেস্টেরল এক ধরনের ----
উত্তর
অসম্পৃক্ত এলকোহল
সমাধান
কোলেস্টেরল হলো একধরনের প্রাণীজ স্টেরল। স্টেরল হলো উদ্ভিজ্জ তেল ও প্রাণীজ চর্বি। এগুলো দানাদার যৌগ এবং কাঠামােতে একটি হাইড্রোক্সিল গ্রুপ আছে। স্টেরলগুলোকে কঠিন/ অসম্পৃক্ত বলা হয়।
৭৫৩৭
কৃষি জমিতে প্রধানত চুন ব্যবহার করা হয়----
উত্তর
মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
সমাধান
মাটি অম্লধর্মী না ক্ষারধর্মী তা pH দ্বারা পরিমাপ করা হয়। মাটির pH ৭ হলে তা নিরপেক্ষ হয় । pH ৭ থেকে যত কমতে থাকে অম্লতা তত বৃদ্ধি পায় এবং ৯ থেকে বেশি হলে ক্ষারকত্ব বৃদ্ধি পায়। মাটির অম্লত্ব বেড়ে গেলে তাতে চুন প্রয়োগ করে তা প্রশমন করা হয়।
৭৫৩৮
কোন আলোক তরঙ্গে (Light spectrum) মানব চোখে দেখতে পাওয়া যায়?
উত্তর
৪০০ থেকে ৭০০ নে. মি (nm)
সমাধান
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য হচ্ছে ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত। দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যসবচেয়ে কম।
৭৫৩৯
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ ----
উত্তর
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
সমাধান
হীরকের বিভিন্ন ধারগুলো এমনভাবে কাটা থাকে যে, তার কোনো এক পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতরে প্রবেশ করলে প্রতিসরাঙ্ক (২.৪২) বেশি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি এই বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্যই তা এত উজ্জ্বল দেখায়।
৭৫৪০
মানব দেহে সাধারণভাবে ক্রোমোজোম থাকে -----
উত্তর
২৩ জোড়া
সমাধান
মানবেদেহে সাধারণথ ২৩ জোড়া ক্রোমোজাম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটোজোম বলা হয়। বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে।