বাংলা উপন্যাসের প্রাথমিক পর্যায়ে কোন বিষয়টি বিশেষ প্রাধান্য বিস্তার করেছিল?
সঠিক উত্তর হলো সমাজের রঙ্গরসাত্মক চিত্র। বাংলা উপন্যাসের শুরুর দিকে লেখকরা তৎকালীন সমাজের অসঙ্গতি ও ত্রুটিগুলোকে তুলে ধরার জন্য ব্যঙ্গ বা রঙ্গরসাত্মক ঢং বেছে নিয়েছিলেন।
বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:
- বাংলা উপন্যাসের একদম শুরুর দিকে প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল' বা কালীপ্রসন্ন সিংহের 'হুতোম প্যাঁচার নকশা'-র মতো বইগুলো বেশ জনপ্রিয় ছিল।
- এই বইগুলোতে তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি, কুসংস্কার এবং বাবু সমাজের অদ্ভুত সব কর্মকাণ্ডকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হতো।
- গল্পের ছলে সমাজকে আয়নার মতো পরিষ্কার করে দেখানোর এই কৌশলটিই তখন উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
্তারি1. কোনটি কাব্যগ্রন্থ?
সঠিক উত্তর হলো কয়েকটি কবিতা। এটি কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- বইয়ের নাম বা কাব্যগ্রন্থ চেনার জন্য মূল লেখকের কাজের তালিকাটি একবার দেখে নেওয়া ভালো।
- এখানে কয়েকটি কবিতা সরাসরি একটি কাব্যগ্রন্থের নাম হিসেবে স্বীকৃত।
- অন্যান্য অপশনগুলো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, বরং কবিতার সাধারণ বিষয় বা আলোচনা নির্দেশ করে।
ড. আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন রচিত বই--
ড. আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন ছিলেন বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও শিক্ষাবিদ। তার লেখা অন্যতম জনপ্রিয় ও তথ্যবহুল বই হলো সাগরের রহস্যপুরী।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
- এই বইটিতে তিনি সমুদ্রের তলদেশের অজানা জগত এবং সামুদ্রিক প্রাণীদের রহস্যময় জীবন নিয়ে চমৎকারভাবে আলোচনা করেছেন।
- তার অন্যান্য বিখ্যাত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে 'আবিষ্কারের নেশায়', 'বিজ্ঞানের রাজ্যে' এবং 'আইনস্টাইন'।
- পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে চাইলে, সমুদ্র বা বিজ্ঞানের রহস্য নিয়ে তার লেখা বইগুলোর তালিকার সাথে এটি মিলিয়ে নিতে পারেন।
১৯৮৮ সালের সমীক্ষায় জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ সবচেয়ে বেশি কোন দেশে?
১৯৮৮ সালের সেই সময়ের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে পাকিস্তান সবার চেয়ে এগিয়ে ছিল।
বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:
- সেই সময়ে পাকিস্তানের শিল্পায়ন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামো প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় কিছুটা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচের হিসাবটি মূলত মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনকে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায়, অর্থাৎ: $$\text{জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ} = \frac{\text{মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন}}{\text{মোট জনসংখ্যা}}$$
- সেই নির্দিষ্ট বছরে পাকিস্তানের মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহারের হার ছিল প্রায় $250$ থেকে $300$ কিলোওয়াট-ঘণ্টার কাছাকাছি, যা ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় ছিল সর্বোচ্চ।
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম-
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম হলো বাংলা সাহিত্যের কথা। এটি মূলত দুই খণ্ডে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
- বাংলা সাহিত্যের কথা গ্রন্থটি ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষণার ফসল।
- তিনি এই গ্রন্থে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।
- পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই নামটা মনে রাখা জরুরি।
“কবিতায় আর কি লিখব? যখন বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ।” উল্লেখিত কবিতাংশটি কোন কবিতার অংশ?
সঠিক উত্তর হলো শহীদ স্মরণে। এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি কবি রফিক আজাদ-এর লেখা ‘শহীদ স্মরণে’ কবিতার অংশ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- কবিতাটির মূল ভাব হলো ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা।
- যেখানে কবি বলছেন, বুকের রক্ত দিয়ে লেখা সেই নামটিই হলো আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।
- এই আবেগঘন পঙ্ক্তিটি মূলত ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত, তাই এটি ‘শহীদ স্মরণে’ কবিতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
প্রথম সার্থক বাংলা নাটক-
বাংলা নাটকের ইতিহাসে শর্মিষ্ঠা হলো প্রথম সার্থক বাংলা নাটক। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৫৯ সালে এটি রচনা করেন। এর আগে বাংলা নাটক থাকলেও সেগুলোতে নাট্যরীতির অভাব ছিল, কিন্তু মধুসূদন দত্তই প্রথম পাশ্চাত্য নাট্যরীতির অনুকরণে বাংলা নাটকে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসেন।
- নাট্যকার: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- প্রকাশকাল: ১৮৫৯ সাল।
- গুরুত্ব: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক হিসেবে স্বীকৃত, কারণ এতেই প্রথম সফলভাবে আধুনিক নাট্যশৈলী ও গঠনশৈলী ব্যবহৃত হয়েছে।
মোজাম্মেল হক রচিত উপন্যাস কোনটি?
মোজাম্মেল হক রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো জোহরা। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক উপন্যাস।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
- জোহরা উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি তৎকালীন মুসলিম সমাজের পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- মোজাম্মেল হক মূলত তার এই উপন্যাসের মাধ্যমেই সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।
'শিক্ষা ও সভ্যতা' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
'শিক্ষা ও সভ্যতা' প্রবন্ধ বা গ্রন্থের রচয়িতা হলেন অতুলচন্দ্র গুপ্ত।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:
- অতুলচন্দ্র গুপ্ত মূলত তাঁর মননশীল ও যুক্তিনির্ভর রচনার জন্য পরিচিত।
- 'শিক্ষা ও সভ্যতা' তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি প্রবন্ধ, যেখানে তিনি শিক্ষা ও সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে নামের সাথে বইটির শিরোনাম মিলিয়ে একটি ছোট বাক্য তৈরি করে নিতে পারেন, যেমন: "অতুলনীয় শিক্ষার নামই সভ্যতা"।
এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি মাথায় চলে আসবে।
'শ্রী কৃষ্ণকীর্তনের' রচয়িতা কে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বড়ু চণ্ডীদাস। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
- দীর্ঘদিন এটি অজ্ঞাত ছিল, তবে ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
- পুঁথির ভণিতায় কবির নাম পাওয়া যায় 'বড়ু চণ্ডীদাস'।
- সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের অমর সৃষ্টি।