T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৩৫১

'ক্ষমার যোগ্য' -এর বাক্য সংকোচন ------

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক্ষমার্হ
সমাধান
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন: যার অনুরাগ দূর হয়েছে – বীতরাগ। যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ থাকে – জাতিস্মর। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় — স্বয়ংবরা। যে ব্যক্তি দ্বার রক্ষার জন্য নিযুক্ত — দারোয়ান। যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পরে জন্মে – মরণোত্তরজাতক। যে আলোতে কুমুদ ফোটে – কৌমুদী। ক্ষমার যোগ্য – ক্ষমার্হ । বাঘের চামড়া – কৃত্তি।
২৩৩৫২

'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচয়িতা -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মওলানা আকরম খাঁ
সমাধান
১৯৩৬ সালের অক্টোবর মাসে মওলানা আকরম দৈনিক আজাদ পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন। সেই সময় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। মুসলিম লীগের সমর্থন যোগাতে এই বাংলা পত্রিকাটি সেই সময় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে পত্রিকার বহু পুরনো সংখ্যা সংরক্ষিত আছে। সাহিত্য কর্ম: সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়] আমপারার বাংলা অনুবাদ মোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্য বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত) তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত) মুক্তি ও ইসলাম[
২৩৩৫৩

'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থের রচয়িতা -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আবুল মনসুর আহ্‌মদ
সমাধান
আবুল মনসুর আহমেদ একজন শক্তিমান লেখক ছিলেন। তিনি ব্যঙ্গাত্মক রচনায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। আয়না ও ফুড কনফারেন্স গল্পগ্রন্থদ্বয়ে তিনি মুসলিম সমাজের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা, ভণ্ডামিসহ নানা কুসংস্কারের ব্যঙ্গ করেছেন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে। গ্রন্থসমূহ ব্যঙ্গরচনা আয়না (১৯৩৬ - ১৯৩৭) ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪) গালিভারের সফরনামা স্মৃতিকথা আত্মকথা (১৯৭৮, আত্মজীবনী) আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২) অন্যান্য রচনা সত্য মিথ্যা (১৯৫৩) জীবনক্ষুধা (১৯৫৫) আবে হায়াত (১৯৬৪) হুযুর কেবলা (১৯৩৫) ”বাংলাদেশের কালচার” (১৯৬৬) বাংলা একাডেমি সম্প্রতি আবুল মনসুর আহমদ রচনাসমগ্র নিয়ে তিন খণ্ড প্রকাশনা করেছে। আরও তিন খণ্ড প্রকাশিতব্য রয়েছে ( জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সম্পাদনায় ও কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজের সহযোগিতায়।
২৩৩৫৪

পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক------

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ফকির গরিবুল্লাহ।
সমাধান
ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০ - ১৭৭০) এদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন সাহিত্যিক। ফকির গরীবুল্লাহ হুগলি জেলার (তখনকার বর্ধমান এর অংশ) বালিয়া পরগনার হাফিজপুর গ্রামের অধিবাসী। গরীবুল্লাহ সম্পর্কে তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। তাঁর পিতার নাম শাহ্ দুন্দীর (সাহা দুন্দি)। তথ্যের অভাবে গরীবুল্লাহ - এর সময় নির্ধারন করা দুরূহ। সাহিত্যকর্ম: তাঁর রচনা কোনগুলো তা নিয়েও মতবিরোধ আছে। তবে আমির হামজা প্রথম পর্ব তাঁর রচনা। ফকির গরীবুল্লাহ - এর ইউসুফ - জোলেখা নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন, কাব্যটি ১৭৬৫ সালের পর রচিত। ঐতিহাসিকরা বলেন,আঠারো শতকের মধ্যভাগে ফকির গরীবুল্লাহ কয়েকটি পুঁথি রচনা করেন। সেগুলো হচ্ছে: ইউসুফ জোলেখা, আমির হামজা, সোনাভান ও সতয়পীরের পুঁথি। মৃত্যু: তাঁর মৃত্যুর কোনো সঠিক সাল, বা তারিখ পাওয়া যায় না।
২৩৩৫৫

'চাচা কাহিনীর' লেখক------

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সৈয়দ মুজতবা আলী
সমাধান
শান্তিনিকেতনে পড়ার সময় সেখানের বিশ্বভারতী নামের হস্তলিখিত ম্যাগাজিনে মুজতবা আলী লিখতেন। পরবর্তীতে তিনি ‘সত্যপীর’, ‘ওমর খৈয়াম’, ‘টেকচাঁদ’, ‘প্রিয়দর্শী’ প্রভৃতি ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায়, যেমন: দেশ, আনন্দবাজার, বসুমতী, সত্যযুগ, মোহাম্মদী প্রভৃতিতে কলাম লিখেন। তাঁর বহু দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন ভ্রমণলিপি। এছাড়াও লিখেছেন ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা। বিবিধ ভাষা থেকে শ্লোক ও রূপকের যথার্থ ব্যবহার, হাস্যরস সৃষ্টিতে পারদর্শিতা এবং এর মধ্য দিয়ে গভীর জীবনবোধ ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। অনেকের মতে, ১৯৫০ - ৬০ দশকে মুজতবা আলী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি হলো: “ বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। ” তুলনাত্মক ভাষাতত্ত্বের অধ্যাপক মুজতবার ধর্মদর্শন নিয়ে বড় ভাই সৈয়দ মুর্তাজা আলী মন্তব্য করেন: তাঁর (মুজতবা আলীর) সাহিত্যে বিন্দুমাত্র ধর্মীয় সংকীর্ণতা ছিল না। কিন্তু তাঁর এই উদারতার জন্য গোঁড়া স্বধর্মীরা তাঁকে কোনোদিন ক্ষমা করেননি। তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা ৩০। প্রকাশনা উপন্যাস অবিশ্বাস্য (১৯৫৪) শবনম (১৯৬০) শহর - ইয়ার (১৯৬৯) ভ্রমণকাহিনী দেশে বিদেশে (১৯৪৯) (কাবুল শহরের কাহিনী নিয়ে লেখা। ) জলে ডাঙ্গায় (১৯৬০) ছোটগল্প চাচা কাহিনী (১৯৫২) টুনি মেম (১৯৬৪) পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২) ময়ূরকন্ঠী (১৯৫৭) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'লালসালু' (১৯৪৮), শওকত উসমানের উপন্যাস ' ক্রীতদাসের হাসি ' (১৯৬২)
২৩৩৫৬

বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে -------

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পদ
সমাধান
বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে। পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ। সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
২৩৩৫৭

'রাজলক্ষ্মী' চরিত্রর স্রষ্টা ঔপন্যাসিক -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শরৎচন্দ্র
সমাধান
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ - ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭ - ১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), পরিণীতা (১৯১৪), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস " শ্রীকান্ত "।  শ্রীকান্ত ' র একটি শক্তিশালী চরিত্র " রাজলক্ষ্মী "।
২৩৩৫৮

"মেঘনাদবধ" কাব্যের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
সমাধান
'মেঘনাদ বধ' কাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 'মেঘনাদ বধ' কাব্যের কাহিনী সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ থেকে গৃহীত হয়েছে। রাবণ, ,মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা এ মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র। বাংলা সাহিত্যের একমাত্র সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
২৩৩৫৯

"চাচাকাহিনী" এর রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সৈয়দ মুজতবা আলী
সমাধান
সরস, মার্জিত ,বুদ্ধিদ্বীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ - রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। 'চাচা কাহিনী' (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রন্থ।
২৩৩৬০

শেষের কবিতা -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস
সমাধান
'শেষের কবিতা 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক কাব্য উপন্যাস । এ উপন্যাসের বিষয়বস্তু পুরুষ ও নারীর অবিরোধে একসঙ্গে দুজনকে ভালোবাসা। এ উপন্যাসে অমিত - লাবণ্য, কেতকী - শোভনলাল চরিত্রের মাধ্যমে প্রেমের বিচিত্র বিকাশ দেখানো হয়েছেন।