T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৪৪১

'শকুনি মামা' এর অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কুচক্রী লোক
সমাধান
বাগধারা : কোন শব্দ বা শব্দ - সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ - সমষ্টিকে বাগধারা বা বাক্যরীতি বলা হয় । [বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম - দশম শ্রেণী] আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বাগধারা বা বিশিষ্টার্থক শব্দ বলে । বাগধারা মূলত কথ্য ভাষার সম্পদ হলেও তা এখন আর কেবল কথ্য ভাষায় সীমাবদ্ধ নেই । সাহিত্যে তার বিচরণ এখন যত্রতত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেমন - জান খারাপ, হাঁক দেওয়া, পকেট শুকিয়ে যাওয়া, বাজি মেরে দেওয়া [সৌদামিনী মালো; উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সংকলন] অর্থাৎ, একটি বা কয়েকটি শব্দ বাক্যে একত্রে ব্যবহৃত হয়ে যখন ঐ শব্দ বা শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের বলা হয় বাগধারা বা বাক্যরীতি ।
২৩৪৪২

'মেঘনাবধ' গ্রন্থে কোনটির প্রবল প্রকাশ ঘটেছে

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দেশপ্রেম
সমাধান
মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।প্রথম সর্গমেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম ‘অভিষেক’। এই সর্গের সূচনায় কবি বাগ্‌দেবী সরস্বতী ও দেবী কল্পনার আবাহন করেছেন। লঙ্কার রাজসভায় রাজা রাবণ বসে আছেন। ভগ্নদূত মকরাক্ষ এসে যুদ্ধে রাজপুত্র বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ দিলেন। পুত্রের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে রাবণ শোকে অভিভূত হলেন। মন্ত্রী সারণ তাকে সান্ত্বনা দিলেন। দূতের মুখে পুত্রের বীরত্বের কাহিনী শুনে যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থা দেখতে রাবণ স্বয়ং প্রাসাদশিখরে আরোহণ করলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি নিহত পুত্রের জন্য বিলাপ করতে লাগলেন। সেতুবন্ধনে রামকে সাহায্য করার জন্য সমুদ্রদেবতা বরুণকেও ধিক্কার দিলেন। তারপর ফিরে এসে বসলেন সভায়। রাবণের অন্যতমা পত্নী তথা বীরবাহুর মা চিত্রাঙ্গদা তার একমাত্র আত্মজ পুত্রের মৃত্যুতে আকুল হয়ে রাজসভায় ছুটে এলেন। বিলাপ করতে করতে তিনি সীতাহরণের জন্য রাবণকে ধিক্কার দিলেন। চিত্রাঙ্গদা সভা থেকে প্রস্থান করলে রাবণ স্বয়ং যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। রাক্ষসসেনার পদভরে পৃথিবী টলমল করে উঠল। তা শুনে শঙ্কিত হয়ে বরুণের পত্নী বারুণী যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের জন্য সখী মুরলাকে পাঠালেন লঙ্কার রাজলক্ষ্মীর মন্দিরে। মুরলা রাজলক্ষ্মীর কাছে গিয়ে যুদ্ধের সংবাদ শ্রবণ করলেন এবং এও শুনলেন যে রাবণের অপর পুত্র মহাবীর মেঘনাদ যুদ্ধে না গিয়ে প্রমোদ উদ্যানে বিহার করছেন। মুরলা ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে মেঘনাদের কাছে গিয়ে যুদ্ধের সংবাদ ও রাবণের রণসজ্জার আয়োজনের কথা জানালেন। দেশের আপদকালের কথা বিস্মৃত হয়ে আমোদপ্রমোদে মেতে থাকার জন্য মেঘনাদ নিজেকে ধিক্কার জানিয়ে তখনই যুদ্ধে যাওয়ার সংকল্প নিলেন। পত্নী প্রমীলা কেঁদে বললেন, “কোথা প্রাণসখে,/ রাখি এ দাসীরে, কহ, চলিলা আপনি?” মেঘনাদ উত্তরে বললেন, “ত্বরায় আমি আসিব ফিরিয়া/ কল্যাণি, সমরে নাশি তোমার কল্যাণে,/ রাঘবে। বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখি।” রাবণের কাছে গিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন মেঘনাদ। রামের সঙ্গে যুদ্ধে লঙ্কার অনেক পরাক্রমী বীর নিহত হয়েছেন, তাই রাবণ ইষ্টদেবের পূজা ও নিকুম্ভিলা যজ্ঞ সমাপ্ত করে যুদ্ধে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন তার প্রিয় পুত্রকে। তারপর গঙ্গাজল দিয়ে শাস্ত্রবিধি অনুসারে সেনাপতিপদে মেঘনাদের অভিষেক করলেন।দ্বিতীয় সর্গদ্বিতীয় সর্গের নাম ‘অস্ত্রলাভ’। লঙ্কার রাজলক্ষ্মী স্বর্গে এসে ইন্দ্রকে মেঘনাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত করলেন। বললেন, “নিকুম্ভিলা যজ্ঞ সাঙ্গ করি, আরম্ভিলে/ যুদ্ধ দম্ভী মেঘনাদ, বিষম সঙ্কটে/ ঠেকিবে বৈদেহীনাথ, কহিনু তোমারে।” এই কথা শুনে ইন্দ্র শচীকে নিয়ে কৈলাসে এলেন। শিব তখন কৈলাসে ছিলেন না, যোগাসন নামে এক শৃঙ্গে ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। তাই ইন্দ্র দুর্গাকেই অনুরোধ করলেন মেঘনাদের বিরুদ্ধে রামকে সাহায্য করার জন্য। এদিকে সখী জয়ার মুখে দুর্গা সংবাদ পেলেন যুদ্ধে বিজয় কামনায় রামচন্দ্রও দুর্গাপূজায় বসেছেন। দুর্গা তখন ইন্দ্র, শচী, কামদেব ও রতিকে নিয়ে যোগাসনে গেলেন। কামদেবের সাহায্যে শিবের ধ্যান ভঙ্গ করে রামের জন্য সাহায্যপ্রার্থনা করলেন। শিব ইন্দ্রকে দেবী মায়ার কাছে যেতে বললেন, “মায়ার প্রসাদে,/ বধিবে লক্ষ্মণ শূর মেঘনাদ শূরে।” মায়া সব শুনে ইন্দ্রকে কিছু মহাস্ত্র দিয়ে বললেন, “ওই সব অস্ত্রবলে নাশিলা তারকে/ ষড়ানন। ওই সব অস্ত্রবলে, বলি,/ মেঘনাদ - মৃত্যু, সত্য কহিনু তোমারে।/ কিন্তু হেন বীর নাহি এ তিন ভুবনে,/ দেব কি দানব, ন্যায়যুদ্ধে যে বধিবে/ রাবণিরে!” দেবী মায়ার অস্ত্র নিয়ে ইন্দ্র স্বর্গে ফিরে এলেন। পরে সহচর চিত্ররথের মারফৎ সেই সব অস্ত্র পাঠালেন রামের কাছে।তৃতীয় সর্গতৃতীয় সর্গের নাম ‘সমাগম’। প্রমোদ উদ্যানে প্রমীলা মেঘনাদের বিলম্ব দেখে শঙ্কিত হলেন। স্বয়ং লঙ্কাপুরীতে গিয়ে পতির সঙ্গে মিলিত হওয়ার বাসনা প্রকাশ করলেন সখীদের কাছে। কিন্তু সেই রাতে রামের অনুচরবৃন্দ লঙ্কাপুরী ঘিরে রেখেছিল। তাদের এড়িয়ে লঙ্কায় প্রবেশ অসম্ভব জেনে প্রমীলা সাজলেন যুদ্ধসাজে। “আমি কি ডরাই, সখি, ভিখারী রাঘবে?/ পশিব লঙ্কায় আজি নিজ ভুজ - বলে;/ দেখিব কেমনে মোরে নিবারে নৃমণি?” তারপর বীরাঙ্গনার বেশে সখীদের নিয়ে চললেন লঙ্কার উদ্দেশ্যে। পশ্চিম দ্বারে তাদের বাধা দিলেন হনুমান। তখন প্রমীলা গর্জন করে বললেন, “অরিন্দম ইন্দ্রজিৎ—প্রমীলা সুন্দরী/ পত্নী তার; বাহু - বলে প্রবেশিবে এবে/ লঙ্কাপুরে, পতিপদ পূজিতে যুবতী!/ কোন্ যোধ সাধ্য, মূঢ়, রোধিতে তাঁহারে?” প্রমীলার পরাক্রমে আশ্চর্যান্বিত হয়ে প্রমীলারই অনুরোধে রামকে ডেকে আনলেন হনুমান। সখী নৃমুণ্ডমালিনীর মাধ্যমে প্রমীলা রামকে জানালেন তার আগমনের উদ্দেশ্যের কথা। রাম বললেন, “অরি মম রক্ষঃ - পতি; তোমরা সকলে/ কুলবালা; কুলবধূ; কোন্ অপরাধে/ বৈরি - ভাব আচরিব তোমাদের সাথে?/ আনন্দে প্রবেশ লঙ্কা নিঃশঙ্ক হৃদয়ে।” রামের আদেশে হনুমান পথ ছেড়ে দিল। কিন্তু বীরাঙ্গনাবেশি প্রমীলাকে দেখে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হতে পারলেন না রাম। বিভীষণ তাকে জানালেন, যে নারী ইন্দ্র - জয়ী মেঘনাদকে নিজ পদতলে রাখার ক্ষমতা ধরে সে সামান্য মেয়ে নয়। কালনেমির কন্যা প্রমীলা মহাশক্তির অংশসম্ভূতা। পতিসম্মিলনের পর তিনি যদি গোপনে রামের শিবির আক্রমণ করেন, তাহলে যুদ্ধে এঁটে ওঠা কঠিন হবে। রাম তখন তার সকল অনুচরদের নিয়ে লঙ্কার প্রধান ফটকগুলি পাহারা দিতে লাগলেন। এদিকে লঙ্কায় প্রবেশ করে পতি মেঘনাদের সঙ্গে সম্মিলিত হলেন প্রমীলা। এই দৃশ্য দেখে কৈলাসে সখী বিজয়া দুর্গাকে জিজ্ঞাসা করলেন, যে প্রমীলা দুর্গার অংশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই প্রমীলা কাছে থাকলে যুদ্ধে কীভাবে মেঘনাদের পরাজয় সম্ভব হবে? দুর্গা বললেন, যুদ্ধের পূর্বে তিনি প্রমীলার তেজ হরণ করবেন। তখন লক্ষ্মণ সহজেই মেঘনাদকে বধ করতে পারবে।চতুর্থ সর্গচতুর্থ সর্গের নাম ‘অশোকবন’॥চতুর্থ সর্গের শুরুতে মধুসূদন প্রথমেই "বাল্মিকী'কে বন্দনা করেছেন। অতঃপর তিনি শ্রীভর্তৃহরি, ভবভুতি এবং মহাকবি কালিদাসকে স্মরণ করেছেন। অবশেষে কীর্তিবাস তথা কৃত্তিবাসের নাম স্মরণ করে তাঁদের মতো খ্যাত হওয়ার বাসনা প্রকাশ করেছেন। চতুর্থ সর্গে বন্দিনী সীতার সঙ্গে বিভীষণপত্নী সরমার কথোপকথন বর্ণিত হয়েছে। " বৃথা গঞ্জ দশাননে তুমি, বিধুমুখী। - সীতা সরমার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছেন। মারীচ মায়ামৃগ রূপে সীতাকে প্রলুব্ধ করলে, রামচন্দ্র সীতার মনোবাসনা পূরণ করবার জন্য তাকে ধরতে পিছু ধাওয়া করেন। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হয়ে রামচন্দ্র কঠিন শরে তাকে বিদ্ধ করেন। মরণকালে মারীচ রামের স্বর নকল করে আর্তনাদ করে। তাতেই সীতার অনুরোধ ও গঞ্জনায় লক্ষ্মণ রামের সাহায্যার্থে বনে গমন করলে, সেই অবকাশে জটাজুট যোগীর ছদ্মবেশে রাবণ সীতাকে হরণ করে। সীতা স্বপনে রাবণানুজ কুম্ভকর্ণের মৃত্যু দর্শন করেছিলেন। বিভীষণের স্ত্রী সরমা গন্ধর্বরাজ শৈলুষের কন্যা।পঞ্চম সর্গপঞ্চম সর্গের নাম ‘উদ্যোগ’।ষষ্ঠ সর্গষষ্ঠ সর্গের নাম ‘বধো’। এই পর্বে মেঘনাদকে বধ করা হয়। লক্ষণ রাম - লক্ষণের শিবিরে পৌঁছে বিভীষণকে বলে যে মায়াদেবী তাকে কী বর দিয়েছিল। মায়াদেবী বলেছিল, নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে আচমকা বাঘের মত আক্রমণ করে মেঘনাদকে হত্যা করতে। এবার রামের পরামর্শ চাইলে রাম বলে যে, সর্পবিবরে কী করে প্রাণাধিক লক্ষণকে পাঠাবে। "নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি।" লক্ষণ প্রশ্ন করে, দৈব - বলে যে শক্তিমান সে কেন ভয়ে পিছিয়ে আসবে? বিভীষণও তার সঙ্গে একমত হয়ে বলে, দেবতার আদেশ মানা কর্তব্য। আমিও লক্ষণের সাথে যাব। তখন রাম লক্ষণের মা সুমিত্রার কথা স্মরণ করে, যার অনুরোধ ছিল লক্ষণকে রক্ষা করা। তাই রাম বলে, "নাহি কাজ, মিত্রবর, সীতায় উদ্ধারি।" তখন সহসা স্বরস্বতী আবির্ভূত হয়ে ভবিষ্যত দেখায়। এবং বলে যে, দেববাক্যে তার সন্দেহ থাকা উচিত নয়। এবার রাম রাজি হয়ে লক্ষণকে প্রস্তুত করে এবং বিভীষণকে বলে, আমি ভিখারী রাঘব আমার অমূল্য রত্ন লক্ষণকে আজ তোমার হাতে তুলে দিলাম। আমার জীবন - মরণ সবই তোমার হাতে। এবার লক্ষণ - বিভীষণ যাত্রা করল লঙ্কা অভিমুখে।সপ্তম সর্গসপ্তম সর্গের নাম ‘শক্তিনির্ভেদ’।অষ্টম সর্গঅষ্টম সর্গের নাম ‘প্রেতপুরী’। এখানে আলোচ্য বিষয় হলো তিনটি। যথা, ১ - লক্ষ্মণের শোকে রামের বিলাপ। ২ - কৈলেশের শীব - পারবতীর কথোপকোথন ও মায়াদেবীর প্রতি নির্দেশ। ৩ - রামচন্দ্রের প্রেতপুরী দর্শন।নবম সর্গনবম সর্গের নাম ‘সংস্ক্রিয়া’।রচনাকাল ও প্রকাশেতিহাসমধুসূদন ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে এ কাব্যটি রচনা করেন। কাব্যটি দুটি খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ড (১ - ৫ সর্গ) ১৮৬১ সালের জানুয়ারি মাসে, আর দ্বিতীয় খন্ড (৬ - ৯ সর্গ) ঐ বছরেই রচনা করেন।বিষয়বস্তু ও কাঠামোগ্রিক রীতিতে হিন্দু পূরাণের কাহিনী অবলম্বন করে এই কাব্যটি রচিত। এর মূল উপজীব্য রামায়ণ। মধুসূদনের মেঘনাদ বধ কাব্য সর্বাংশে আর্য রামায়নকে অনুসরণ করে রচনা করেন নি। প্রতিটি চরিত্রের উপর বাল্মীকির থেকে ইংবেঙ্গলের প্রভাব অনেক বেশি৷ ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যের লঙ্কা কাণ্ডের স্থান লঙ্কা দ্বীপের পরিবর্তে হল হিন্দু কলেজ, ভাষাতেও আধুনিকতার প্রচ্ছাপ৷ কবি মিলটন বিরচিত প্যারাডাইয লস্ট - এর রচনারীতির অনুগামীতা এতে পরিস্ফুট। প্রথম সর্গ "অভিষেক" - এ মোট ৭৮৫টি চরণ আছে।ছন্দএটি অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা 'ফ্রি ভার্সে' রচিত। অমিত্রাক্ষরে প্রথম রচনা করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য(১৮৬০)। এরপর ‌‌মেঘনাদ বধ কাব্য(১৮৬১) রচনা করেন অমিত্রাক্ষর ছন্দে। নিচের উদ্ধৃতি থেকে এ কাব্যের ছন্দ - প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ অংশটি ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ এবং ‌‌‌মেঘনাদ ও বিভীষণ নামে পরিচিত। “ "এতক্ষণে" - - অরিন্দম কহিলা বিষাদে "জানিনু কেমনে আসি লক্ষণ পশিল রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব একাজ, নিকষা সতী তোমার জননী, সহোদর রক্ষশ্রেষ্ঠ? - - শূলী - শম্ভূনিভ কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসব বিজয়ী? নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে? কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে, পাঠাইব রামানুজে শমন - ভবনে, লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।" ” সূত্রঃ ইউকিপিডিয়া
২৩৪৪৩

"To be or not to be that's the question" এ লাইনটি শেক্সপিয়র এর কোন নাটক থেকে নেয়া হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
Hamlet
সমাধান
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১৯৫৩ সালের পাকিস্তান নৌবাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তাকে নৌবাহিনীর আর্টিফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ১৯৬৮ সালে তাকে চট্রগ্রামের পিএএএস বখতিয়ার নৌঘাঁটিতে বদলি করা হয়। ১৯৭১ সালের এপ্রিল তিনি গোপনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। সেপ্টেম্বর মাসে তিনি নবগঠিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ শহীদ হন।
২৩৪৪৪

'পার হইয়া' এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তর করলে হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পেরিয়ে
সমাধান
সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়ম: নিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ১। ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। ২। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন— হউক>হোক, থাউক>থাক। ৩। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন— তাহা>তা, যাহা>যা। ৪। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন— শুন>শোন উঠে>ওঠে। ৫। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন— গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। ৬। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন— করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে।
২৩৪৪৫

"কি করিতে হইবে বুঝিতে না পারা" এক কথায় হবে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কিংকর্তব্যবিমুঢ়
সমাধান
এক কথায় প্রকাশ৯ম - ১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও সৌমিত্র শেখর এর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা থেকে প্রাপ্ত কমন এক কথায় প্রকাশ: বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অকালে পক্ক হয়েছে যা অকালপক্ব। অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে অনুজ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার অনভিজ্ঞ। অহংকার নেই যার নিরহংকার। আচারে নিষ্ঠা আছে যার আচারনিষ্ঠ। আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আদ্যন্ত, আদ্যোপান্ত । আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা আত্মকেন্দ্রিক ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি ইতিহাসবেত্তা। ইতিহাস রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক। ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি জিতেন্দ্রিয়। ঈষৎ আমিষ (আঁষ) গন্ধ যার আঁষটে। উপকারীর অপকার করে যে কৃতঘ্ন। উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে অকৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে কৃতজ্ঞ। এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত একাদিক্রমে। কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী কর্মঠ। কোনাে ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না অনিবার্য। চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত চাক্ষুষ জীবিত থেকেও যে মৃত জীবন্মৃত তল স্পর্শ করা যায় না যার অতলস্পর্শী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক। ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় ওষধি। যা অতি দীর্ঘ নয় নাতিদীর্ঘ। যা কষ্টে জয় করা যায় দুর্জয়। যা কষ্টে লাভ করা যায় দুর্লভ। যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু বন্ধুর। যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে বর্ধিষ্ণু। যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় নাতিশীতােষ্ণ। যা দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান। যা পূর্বে ছিল এখন নেই ভূতপূর্ব। যা পূর্বে দেখা যায় নি অদৃষ্টপূর্ব যা পূর্বে শােনা যায় নি অশ্রুতপূর্ব যা বলা হয় নি অনুক্ত যা বলার যােগ্য নয় অকথ্য যার অন্য উপায় নেই অনন্যোপায়। যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে প্রত্যুৎপন্নমতি যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না অজ্ঞাতকুলশীল যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব। যিনি বক্তৃতা দানে পটু বাগ্মী।। যে ক্রমাগত রােদন করছে রােরুদ্যমান। যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে বীরপ্রসূ যে নারীর সন্তান বাঁচে না মৃতবৎসা। যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ শ্বাপদসংকুল যে বিষয়ে কোনাে বিতর্ক (বা বিসংবাদ) নেই অবিসংবাদিত। যে রব শুনে এসেছে রবাহুত যে রােগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত হাতুড়ে লাভ করার ইচ্ছা লিপ্সা। সকলের জন্য প্রযােজ্য সর্বজনীন। হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা বর্ধিত রূপ এক কথায় প্রকাশ অক্ষির সমক্ষে বর্তমান প্রত্যক্ষ। অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম। আকাশে বেড়ায় যে আকাশচারী, খেচর। আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার আস্তিক। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার নাস্তিক। একই মাতার উদরে জাত যে সহােদর। দিনে যে একবার আহার করে একাহারী। নদী মেখলা যে দেশের নদীমেখলা। নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার নশ্বর। নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে নাবিক। বিদেশে থাকে যে প্রবাসী।। বিশ্বজনের হিতকর বিশ্বজনীন। মৃতের মতাে অবস্থা যার মুমূর্ষ। যা অধ্যয়ন করা হয়েছে অধীত। যা আঘাত পায়নি অনাহত। যা উদিত হচ্ছে উদীয়মান। যা কখনাে নষ্ট হয় না অবিনশ্বর। যা চিন্তা করা যায় না অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য। যা জলে ও স্থলে চরে উভচর। যা জলে চরে জলচর। যা থলে চরে থলচর। যা দমন করা কষ্টকর দুর্দমনীয়। যা দমন করা যায় না অদম্য। যা নিবারণ করা কষ্টকর দুর্নিবার। যা বার বার দুলছে দোদুল্যমান। যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে অযত্বলন্ধ। যা মর্ম স্পর্শ করে মর্মস্পর্শী। যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় ব্যয়বহুল। যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন অনন্যসাধারণ। যার আকার কুৎসিত কদাকার। যার কোনাে উপায় নেই নিরুপায়। যার কোনাে কিছু থেকেই ভয় নেই অকুতােভয়। যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না বর্ণচোরা। যার বিশেষ খ্যাতি আছে বিখ্যাত। যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে পরগাছা। যে গাছ কোনাে কাজে লাগে না আগাছা। যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না বনস্পতি। যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে কাককন্ধ্যা। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় স্বয়ংবরা। যে নারীর কোনাে সন্তান হয় না বন্ধ্যা। যে পুরুষ বিয়ে করেছে কৃতদার। যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর সুদর্শন। যে বাতু থেকে উৎখাত হয়েছে উদ্বাস্তু। যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে অবিমৃষ্যকারী। যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না অপরিণামদর্শী। যে মেয়ের বিয়ে হয়নি অনুঢ়া। যে শুনেই মনে রাখতে পারে শ্রুতিধর। যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় সর্বংসহা। শুভ ক্ষণে জন্ম যার ক্ষণজন্মা। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা প্রত্যুদৃগমন। (যে পুরুষ) পত্নী সহ বর্তমান সপত্নীক (যে পুরুষ) স্ত্রীর বশীভূত স্ত্রৈণ অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান পিজরাপোল অকালে উৎপন্ন কুমড়া অকালকুষ্মাণ্ড অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লােম অক্ষিপক্ষ্ম অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর) কামাক্ষী অক্ষির অগােচরে পরোক্ষ অক্ষির অভিমুখে প্রত্যক্ষ অক্ষির সমীপে সমক্ষ অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের) সেঁজুতি অজ (ছাগল)কে গ্রাস করে যা অজগর অতিশয় ঘটা বা জাকজমক বড়ম্বর অধর - প্রান্তের হাসি বক্রোষ্ঠিকামর অনশনে মৃত্যু প্রায় অনুকরণ করার ইচ্ছা অনুচিকীর্ষা অনুসন্ধান করার ইচ্ছা অনুসন্ধিৎসা অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী) অন্তঃসলিলা অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যােগ্য অন্তরিক্ষ অন্ন - ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য জলপান অন্য গতি নাই যার অগত্যা অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে অনপেক্ষ অন্যের মনােরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ উপচার অপকার করার ইচ্ছা অপচিকীর্ষা অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি উন্নাসিক। অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা অভ্রংলিহ অরিকে দমন করে যে অরিন্দম। অলঙ্কারের ধ্বনি শিঞ্জন। অশ্বের ডাক হ্রেষা। আকাশ ও পৃথিবী বা স্বর্গ ও মর্ত্য ক্রন্দসী আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল রোদসী আকাশে (খ - তে) ওড়ে যে বাজি খ - ধূপ আকাশে (খ - তে) চরে যে খেচর / খচর আনন্দজনক ধ্বনি নন্দিঘোষ আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর হিংটিংছট আয়ুর পক্ষে হিতকর আয়ুষ্য আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা বরাভয়। আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি কোজাগর ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল বিসর্পী। ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী ঐন্দ্রজালিক ইন্দ্রের অশ্ব উচ্চৈঃশ্রবা। ঈষৎ উষ্ণ কবোষ্ণ উচচানে অবস্থিত ক্ষদ্র কটির টঙ্গি উদক (জল) পানের ইচ্ছা উদন্যা উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান উপজ্ঞা উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে যে উরগ (সর্প) ঋণ শােধের জন্য যে ঋণ করা হয় ঋণার্ণ ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি ঋত্বিক এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা অধ্যাস। একশত পঞ্চাশ বছর সার্ধশতবর্ষ ঐতিহাসিককালেরও আগের প্রাগৈতিহাসিক কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়ােগ বুনি করার ইচ্ছা চিকীর্ষা। কাচের তৈরি বাড়ি শিশমহল। কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে করিতকর্মা কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় কুকুরের ডাক বুক্কন কুমারীর পুত্র কানীনময় কোকিলের ডাক কুহু কোনাে কিছু থেকেই যার ভয় নেই অকুতোভয় ক্ষমা করার ইচ্ছা চিক্ষমিষা ক্ষমার যােগ্য ক্ষমার্হ। ক্ষুদ্র অঙ্গ উপাঙ্গ ক্ষুদ্র কূপ পাতকুয়া। ক্ষুদ্র গাছ গাছড়া। ক্ষুদ্র গ্রাম পল্লিগ্রাম ক্ষুদ্র চিহ্ন বিন্দু। ক্ষুদ্র জাতীয় বক বলাক। ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র নাকাড়া ক্ষুদ্র তিীয় বকের শ্রেণি বলাকা ক্ষুদ্র নদী সারণি ক্ষুদ্র নাটক নাটিকা। ক্ষুদ্র নালা নালি। ক্ষুদ্র প্রলয় খণ্ডপ্রলয় ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড নুড়ি ক্ষুদ্র ফেঁড়া ফুসকুড়ি ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন পিড়ি ক্ষুদ্র বাগান বাগিচা ক্ষুদ্র বিন্দু ফুটকি ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র ভঁড় ক্ষুদ্র রথ রথার্ভক ক্ষুদ্র রাজা রাজড়া ক্ষুদ্র লতা লতিকারুকার ক্ষুদ্র লেবু পাতিলেবু ক্ষুদ্র শিয়াল খেকশিয়াল ক্ষুদ্র হাঁস পাতিহাঁস ক্ষুদ্রকায় ঘােড়া টাটু গদ্যপদ্যময় কাব্য চম্পু গমন করার ইচ্ছা জিগমিষা গম্ভীর ধ্বনি মন্দ্র। গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান গোষ্পদ গুরু বাসগৃহ গুরুকুল। ঘরের অভাব হা - ঘর চতুরঙ্গ অষ্টপ্রহর (সারা দিন) ব্যবহার্য যা আটপৌরে চার অভ্রান্ত জ্ঞান প্রমা। চৈত্র মাসে উৎপন্ন ফসল চৈতালি চোখের কোণ অপাঙ্গ জয় করার ইচ্ছা জিগীষা জয়ের জন্য যে উৎসব জয়ন্তী জলপানের জন্য দেয় অর্থ জলপানি (বৃত্তি) জলে ও স্থলে চরে যে উভচর। জানবার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা জ্বল জ্বল করছে যা জাজ্বল্যমান। জ্বলছে যে অর্চি (শিখা) জ্বলদর্চি ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা ঠ্যাঙারে। তুরিত গমন করতে পারে যে তুরগ (ঘোড়া) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি শাল। ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা তিতীর্ষা দমন করা কষ্টকর যাকে দুর্দমনীয় দমন করা যায় না যাকে অদম্য দান করার ইচ্ছা দিৎসা দিনের অপর ভাগ অপরাহু দিনের পূর্ব ভাগ পূর্বাহ দিনের মধ্য ভাগ মধ্যাহ্ন দিনের সায় (অবসান) ভাগ সায়াহ্ন দুয়ের মধ্যে একটি অন্যতর দেখবার ইচ্ছা দিদৃক্ষা দেখে চোখের আশা মেটে না যাকে অতৃপ্তদৃশ্য দ্বারে থাকে যে দৌবারিক। ধনুকের ধ্বনি টঙ্কার ধন্যবাদের যােগ্য ধন্যবাদাহ ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন পরিব্রাজন ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ প্রব্রজ্যা ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে ধুরন্ধর নষ্ট হওয়া স্বভাব যার নশ্বর। নারীর কটিভূষণ রশনা। নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ মেখলা নারীর লীলাময়ী নৃত্য লাস্য নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল) নিদাঘ নিন্দা করার ইচ্ছা জুগুপ্সা নির্মাণ করার ইচ্ছা নির্মিসা নীল বর্ণ পদ্ম ইন্দির। নূপুরের ধ্বনি নিকৃণ ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি নৈয়ায়িক পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব রজত জয়ন্তী পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত অপাঙতেয় পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব সুবর্ণ জয়ন্তী পত্নী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও পুনর্বিবাহ অধিবেদন পত্নীর সাথে বর্তমান সপত্নীক পদ্মের উঁটা বা নাল মৃণাল। পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ মৃণালিনী পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ পুণ্ডরীকাক্ষ পরকে (কোকিল শাবক) পালন করে যে পরভৃৎ (কাক) পরের (কাকের) দ্বারা প্রতিপালিত যে পরভৃত (কোকিল) পা দিয়ে যে চলে না পন্নগ (সর্প)। পা ধােয়ার জল পাদ্য পান করার ইচ্ছা পিপাসা পিতৃগৃহবাসিনী চিরন্টী পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন পুণ্যাহ। পুরুষের উদ্দাম নৃত্য তাণ্ডব পুরুষের কটিবন্ধ সরাসন পুরুষের কর্ণভূষণ বীরবৌলি পূর্ব ও পরের অবস্থা পৌর্বাপর্যয় পেঁচা বা উলুকের ডাক হ্যাকার পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল পৌষালি প্রতিকার করার ইচ্ছা প্রতিচিকীর্ষা প্রতিবিধান করার ইচ্ছা প্রতিবিধিৎসা প্রবেশ করার ইচ্ছা বিবক্ষা প্রশংসার যােগ্য প্রশংসাৰ্য প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতাে অবস্থা লবেজান প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন প্রভাতকল্পা প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা প্রিয়চিকীর্ষা। ফুল হতে জাত ফুলেল ফেলে দেবার যােগ্য ফেনায়ক বড় ভাই থাকতে ছােট ভাইয়ের বিয়ে পরিবেদন। বন্দুক বা তির ছোড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত এ লক্ষ্য চাঁদমারি বহু গৃহ থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা মাধুকরী/মধুকরী বাঘের চর্ম কৃত্তি বাতাসে (ক - তে) চরে যে কপােত বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি ঝংকার বাস করার ইচ্ছা বিবৎসা বিজয় লাভের ইচ্ছা বিজিগীষা বিশেষ খ্যাতি আছে যার বিখ্যাত বিহায়সে (আকাশ) বিচরণ করে যে বিহগ/বিহঙ্গ বীরের গর্জন হুঙ্কার বেঁচে থাকার ইচ্ছা জিজীবিষা। ভােজন করার ইচ্ছা বুভুক্ষা ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে যে ভুজগ/ভুজঙ্গ(স) ভুলহীন ঋষি বাক্য আপ্তবাক্য ভ্রমরের শব্দ গুঞ্জন। ময়ূরের ডাক কেকা মশত বর্ণ পদ পৰীক মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে নির্মক্ষিক মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন উপবৃত্ত মাণের যােগ্য ঘেয়। মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া অনুব্রজন মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া প্রত্যুৎগমন মায়া (ছল) জানে না যে অমায়িক মাসের শেষ দিন সংক্রান্তি। মােরগের ডাক শকুনিবাদ মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন অভিসার মুক্তি পেতে ইচ্ছা মুমুক্ষা মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত মৃন্ময় যা অতিক্রম করা যায় না অনতিক্রম্য যা অনুভব করা হচ্ছে অনুভূয়মান যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর দূরপনেয় যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না অনপনেয় যা অস্ত যাচ্ছে অস্তায়মান যা আগুনে পােড়ে না অগ্নিসহ। যা আঘাত পায় নি অনাহত যা আহুত (ডাকা) হয় নি অনাহুত যা উচ্চারণ করা কঠিন দুরুচ্চার্য। যা উচ্চারণ করা যায় না অনুচ্চার্য। যা উপলব্ধি করা যাচ্ছে উপলভ্যমান যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে অপসৃয়মাণ যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে ক্রমবিস্তাৰ্যমান যা ক্রয় করার যােগ্য ক্রেয় যা চিবিয়ে খাবার যােগ্য চর্ব যা চুষে খাবার যােগ্য চোষ্য। যা চেটে খাবার যােগ্য লেহ্য। যা জল দেয় জলদ (মেঘ) যা ধারণ বা পােষণ করে ধর্ম। যা নিজের দ্বারা অর্জিত স্বােপার্জিত যা পান করার যােগ্য পেয়। যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে দেদীপ্যমান যা পুনঃ পুনঃ দুলছে দোদুল্যমান যা পূর্বে কখনাে হয় নি অভূতপূর্ব যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি অচিন্তিতপূর্ব যা প্রকাশ করা হয় নি অব্যক্ত যা প্রতিরােধ করা যায় না অপ্রতিরােধ্য। যা প্রমাণ করা যায় না অপ্রমেয় যা বচন / বাক্যে প্রকাশযােগ্য নয় অনির্বচনীয় যা বলা হচ্ছে বক্ষ্যমাণ যা বহন করা হচ্ছে নীয়মান যা বিক্রয় করার যােগ্য বিক্রেয় যা মাটি ভেদ করে ওঠে উদ্ভিদ। যা মুছে ফেলা যায় না দুর্মোচ্য যা শল্য - ব্যথা দূরীকৃত করে বিশল্যকরণী যা সহজে জানা যায় না দুয়ে । যার অর্থ নেই অর্থহীন যার ঈহা (চেষ্টা) নেই নিরীহ যার কোনাে তিথি নেই অতিথি যার চারদিকে স্থল হ্রদ যার দাড়ি গোঁফ উঠে নি অজাতশত্রু যার দুই দিক বা চার দিকে জল দ্বীপ যার দুটি মাত্র দাঁত দ্বিরদ (হাতি) যার দুবার জন্ম হয় দ্বিজ যার দুহাত সমান চলে সব্যসাচী যার পুত্র নেই অপুত্রক যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে জাতিস্মর যার বরাহের (শূকর) মতাে খুর বরাখুরে যার বেশবাস সংবৃত নয় অসংবৃত যার শুভ ক্ষণে জন্ম ক্ষণজন্মা যিনি অতিশয় হিসাবি পাটোয়ারি যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না সংশপ্তক যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি যুধিষ্ঠির যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করে নি অকৃতদার যে (পুরুষ) দ্বার পরিগ্রহ করেছে কৃতদার যে (পুরুষ) প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার পরিগ্রহ করেছে অধিবেত্তা যে অগ্র - পশ্চাৎ চিন্তা না - করে কাজ করে অবিমৃশ্যকারী যে অন্য দিকে মন দেয় না অনন্যমনা যে অপরের লেখা চুরি করে নিজনামে চালায় কুম্ভীলক যে আকৃষ্ট হচ্ছে কৃষ্যমাণ যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে কৃতার্থম্মন্য যে আপনাকে পণ্ডিত মনে করে পণ্ডিতম্মন্য যে আপনাকে হত্যা করে আত্মঘাতী যে আলােতে কুমুদ ফোটে কৌমুদী যে গমন করে না নগ পাহাড়) যে গাঁজায় নেশা করে গেঁজেল যে গাভি প্রসবও করে না, দুধও দেয় না গােবশা। যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালােবাসে বারমুখাে । যে জমিতে দুবার ফসল হয় দো - ফসলি যে জমিতে ফসল জন্মায় না ঊষর যে তির নিক্ষেপে পটু তিরন্দাজ যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে ত্র্যহস্পর্শ যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী পয়স্বিনী যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী অঘটনঘটনপটিয়সী যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা মহাশ্বেতা যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা পরভৃতা বা পরভৃতিকা যে নারী আনন্দ দান করে বিনােদিনী যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে কাকবন্ধ্যা যে নারী কহলপ্রিয় খাপ্তানী যে নারী চিত্রে অর্পিতা বা নিবদ্ধা চিত্রার্পিতা যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না অঙ্গনা যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল অন্যপূর্বা যে নারী প্রিয় বাক্য বলে প্রিয়ংবদা যে নারী বার (সমূহ) গামিনী বারাঙ্গনা। যে নারী বীর বীরাঙ্গনা যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা বালপুত্রিকা যে নারী সাগরে বিচরণ করে সাগরিকা যে নারী সুন্দরী রামা যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) অসূর্যম্পশ্যা যে নারী স্বয়ং পতি বরণ করে স্বয়ংবরা যে নারীর (মেয়ের বিয়ে হয় নি কুমারী যে নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই অনসূয়া যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র দ্বিপুত্রিকা। যে নারীর নখ শূৰ্পের (কুলা) মত শূর্পণখা যে নারীর পঞ্চ স্বামী পঞ্চভর্তকা যে নারীর বিয়ে হয় না অনূঢ়া(আইবুড়াে অর্থে) যে নারীর বিয়ে হয়েছে ঊঢ়া যে নারীর সতীন/শত্রু নেই নিঃসপ্ত যে নারীর সন্তান হয় না বন্ধ্যা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে নবােঢ়া। যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় বিষকন্যকা যে নারীর স্বামী (ভর্তা) বিদেশে থাকে প্রােষিতভর্তৃকা যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত বীরা বা পুরন্ধ্রী যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত অবীরা যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বা অধিবিন্না যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত শুচিস্মিতা যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা যে পরের গুণেও দোষ ধরে অসূয়ক যে পুত্রের মাতা কুমারী কানীন যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে প্রােষিতপত্নীক বা প্রােষিতভার্য যে বিদ্যা লাভ করেছে কৃতবিদ্য যে বৃক্ষের ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না বনস্পতি যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় সংবর্ত যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর কন্যকা। যে রূপ ইচ্ছা যদৃচ্ছা যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মে মরণােত্তরজাতক যে সব গাছ থেকে ঔষধ প্রস্তুত হয় ঔষধি। যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে অন্ত্যজ যে সর্বত্র গমন করে সর্বগ যে সুপথ থেকে কুপথে যায় উন্মার্গগামী যেখানে মৃতজন্তু ফেলা হয় ভাগাড় / উপশল্য যে - শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে আটাসে রক্ত বর্ণ পদ্ম কোকনদ রমণের ইচ্ছা রিরংসা রাজহাঁস (পক্ষীর) কর্কশ ডাক ক্রেঙ্কার রাত্রিকালীন যুদ্ধ সৌপ্তিক রাত্রির তিনভাগ একত্রে ত্রিযামা রাত্রির প্রথম ভাগ পূর্বরাত্র রাত্রির মধ্যভাগ মহানিশা রাত্রির শেষভাগ পররাত্র রাহ বা রাস্তায় ডাকাতি রাহাজানি রােদে শুকোনাে আম আমশি রেশম দিয়ে নির্মিত রেশমি লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন আলুনি লাফিয়ে চলে যে প্লবগ (ব্যাঙ/বানর)। শত্রুকে জয় করেন যিনি পরঞ্জয় বা শত্রুজিৎ শত্রুকে হত্যা করেন যিনি শত্রুঘ্ন । শােনামাত্র যার মনে থাকে শ্রুতিধর শুকনাে পাতার শব্দ মর্মর। ষাট বছর পূর্ণ হওয়ার উৎসব হীরক জয়ন্তী সকলের জন্য হিতকর বা মঙ্গলজনক সর্বজনীন সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ ধাররাষ্ণ সব কিছু সহ্য করেন যিনি সর্বংসহা সমুদ্র থেকে হিমালয় পর্যন্ত আসমুদ্রহিমাচল সমুদ্রের ঢেউ ঊর্মি। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ কল্লোল সরােবরে জন্যে যা সরােজ সর্বত্র গমন করেন যিনি সর্বগ সাপের খােলস নিমোক বা কধুক সিংহের নাদ (ডাক) হুঙ্কার সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ অয়নাংশ সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত সাবন সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল ব্রাহ্মমুহূর্ত সৃষ্টি করার ইচ্ছা সিসৃক্ষা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস নাই যার নাস্তিক সেবা করার ইচ্ছা শুশ্রুষা সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির স্কন্দাবার স্তন্য পান করে যে স্তন্যপায়ী। স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি - কান্না দেয়ালা স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে স্বৈরাচারী স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন স্বাদিত স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা সহমরণ স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ) উপদা স্মরণের যােগ্য স্মরণাই হরিণের চর্ম অজিন হরিণের চর্মের আসন অজিনাসন হরেক রকম বলে যে হরবােলা হস্ত, অশ্ব, রথ, পদাতিকের সমাহার চতুরঙ্গ হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত হাতির পিঠে আরােহী বসার স্থান হাওদা হাতির শাবক (বাচ্চা) করভ হাতের কজি মণিবন্ধ হাতের কজি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত পাণি হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ প্রকোষ্ঠ হাতের চতুর্থ আঙুল অনামিকা। হাতের তৃতীয় আঙুল মধ্যমা। হাতের তেলাে বা তালু করতল। হাতের দ্বিতীয় আঙুল তর্জনী। হাতের পঞ্চম আঙুল কনিষ্ঠা । হাতের প্রথম আঙুল (বুড়াে আঙুল) অঙ্গুষ্ঠ হিত ইচ্ছা করে যে হিতৈষী হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল হৈমন্তিক
২৩৪৪৬

'ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে কালি পড়ে' বলেছেনঃ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রমথ চৌধুরী
সমাধান
প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
২৩৪৪৭

'সিংহাসন' শব্দটি কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
সমাধান
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ, ব্রাহ্মণ ধর্মীয় প্রধান পুরোহিত = ব্রাহ্মণ পুরোহিত, জগতের রক্ষাকারী ঈশ্বর = জগদীশ্বর ।
২৩৪৪৮

'রক্তাক্ত প্রান্তর' এর পটভুমি ছিলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পানি পথের ৩য় যুদ্ধ
২৩৪৪৯

'খাস তালুকের প্রজা' প্রবাদটির অর্থ হলোঃ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
খুব অনুগত ব্যক্তি
সমাধান
জীবন, জগৎ ও সমাজ সম্পর্কে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাপ্রসূত এই প্রবাদ লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা। প্রবাদ অতীতের বিষয় হয়েও সমকালকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করে। আধুনিক যুগে প্রায় সব ধরনের রচনায় প্রবাদ ব্যবহূত হয়। কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক, সংবাদপত্র, বিজ্ঞাপন, বক্তৃতা, এমনকি দৈনন্দিন কথাবার্তায়ও প্রবাদের ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
২৩৪৫০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গীতাঞ্জলি
সমাধান
গীতাঞ্জলি হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে মোট ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম - ভাবাপন্ন ভক্তিমূলক রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। ১৯০৮ - ০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এই কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের সং অফারিংস (ইংরেজি: Song Offerings) কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এতে গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের কবিতা রবীন্দ্রনাথ নিজে অনুবাদ করে প্রকাশ করেন। ১৯১৩ সালে ইংরেজি কাব্যগ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।২০১০ সালে গীতাঞ্জলি প্রকাশের শতবর্ষ - পুর্তি উপলক্ষে কলকাতা মেট্রোর নাকতলা স্টেশনটির নামকরণ করা হয় "গীতাঞ্জলি মেট্রো স্টেশন"।রচনা১৯০৮ সালের পূজার ছুটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহে গিয়েছিলেন। ছুটির পর ফিরে শান্তিনিকেতনে একটানা পাঁচ মাস ছিলেন। এই সময় তিনি তার বিখ্যাত শান্তিনিকেতন প্রবন্ধ গ্রন্থটি রচনা করেন। পরের বছর বর্ষা ও শরৎ কালে তিনি কিছুদিন শিলাইদহে গিয়েছিলেন। ফিরে কিছুদিন কলকাতায় জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে কাটান। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের কবিতা ও গানগুলি শিলাইদহ, শান্তিনিকেতন ও কলকাতায় রচিত হয়। জানা যায়, রবীন্দ্রনাথ এই সময় কঠোর নিরামিশাষী ছিলেন। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশ্রম পরিচালনার আদেশগুলি এই সময় তিনি কঠোরভাবে মেনে চলতেন। এমনকি অসুস্থতার সময় ডাক্তার আমিষ খাওয়ার পরামর্শ দিলেও, তিনি তা শোনেননি।গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ রচনার প্রসঙ্গে রবীন্দ্র - গবেষক সুকুমার সেন লিখেছেন:উৎসর্গ' আর 'খেয়া'র সময়ে গান লেখা চলিয়াছিল প্রচুর। ইতিমধ্যে (১৩১৪ সালের মাঝামাঝি) কনিষ্ঠ পুত্রের [শমীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৯৬ - ১৯০৭)] আকস্মিক মৃত্যুতে কবিধর্ম কিছুদিনের মতো যেন বিচলিত হইল। তখন শোকবেদনার উৎসাহ হইল এক অভিনব ভক্তিরসে। তাহার মুখ্য প্রকাশ 'গীতাঞ্জলি'তে (১৩১৭)।রবীন্দ্র - জীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের মতে:প্রায়শ্চিত্ত' [১৯০৯] নাটক লিখতে লিখতে অনেকগুলি গান লিখলেন [রবীন্দ্রনাথ] - তার কয়েকটির মধ্যে 'গীতাঞ্জলি' পর্বের পদধ্বনি শোনা গেল। জীবন গভীর একটা রসের স্তরে প্রবেশ করছে, গানগুলি তারই আগমনী।ইংরেজি অনুবাদরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই গীতাঞ্জলি - র কবিতা ও গানগুলি ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করার কাজ শুরু করেছিলেন। মূল বাংলা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ৫৩টি গান সং অফারিংস সংকলনে প্রকাশিত হয়। তবে রবীন্দ্রনাথ নিজে সব কটি কবিতা ও গানের অনুবাদ করেননি। কয়েকটি অনুবাদ করেছিলেন ব্রাদার জেমস। ব্রিটিশ কবি ও অনুবাদক জো উইন্টার বাংলাভাষা শিখে মূল বাংলা গীতাঞ্জলি সর্বাংশে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেছেন। নিচে গীতাঞ্জলি কাব্যের ১২৫ সংখ্যক গানটি উদ্ধৃত করা হল: “ আমার এ গান ছেড়েছে তার সকল অলংকার তোমার কাছে রাখেনি আর সাজের অহংকার। অলংকার যে মাঝে প’ড়ে মিলনেতে আড়াল করে, তোমার কথা ঢাকে যে তার মুখর ঝংকার। তোমার কাছে খাটে না মোর কবির গরব করা– মহাকবি, তোমার পায়ে দিতে চাই যে ধরা। জীবন লয়ে যতন করি যদি সরল বাঁশি গড়ি, আপন সুরে দিবে ভরি সকল ছিদ্র তার। ” রবীন্দ্রনাথের করা ইংরেজি অনুবাদে এটি হয়েছে (Gitanjali, verse VII) "My song has put off her adornments. She has no pride of dress and decoration. Ornaments would mar our union; they would come between thee and me; their jingling would drown thy whispers." "My poet's vanity dies in shame before thy sight. O master poet, I have sat down at thy feet. Only let me make my life simple and straight, like a flute of reed for thee to fill with music." গীতাঞ্জলি: সং অফারিংসগীতাঞ্জলি: সং অফারিংস - এর প্রথম ম্যাকমিলান সংস্করণের প্রচ্ছদ, ১৯১৩গীতাঞ্জলি: সং অফারিংস (ইংরেজি: Gitanjali - Song Offerings) ইংরেজি ভাষায় অনূদিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম সংকলনগ্রন্থ। এর কবিতাগুলি পাশ্চাত্যে খুবই সমাদৃত হয়। কিন্তু গ্রন্থদুটির নাম অভিন্ন হলেও ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে বাংলা গীতাঞ্জলি'র একচ্ছত্র আধিপত্য নেই। রবীন্দ্রনাথ বাংলা গীতাঞ্জলি'র ১৫৭টি গান/কবিতা থেকে ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে (Song Offerings) মাত্র ৫৩টি স্থান দিয়েছেন। বাকি ৫০টি বেছে নিয়েছেন গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া, শিশু, কল্পনা, চৈতালি, উৎসর্গ, স্মরণ ও অচলায়তন থেকে। গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, খেয়া থেকে ১১টি, শিশু থেকে ৩টি, কল্পনা থেকে ১টি, চৈতালি থেকে ১টি, উৎসর্গ থেকে ১টি, স্মরণ থেকে ১টি এবং অচলায়তন থেকে ১টি কবিতা/গান নিয়ে তিনি ইংরেজি গীতাঞ্জলির বিন্যাস করেছেন। অর্থাৎ ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে তিনি মোট ৯টি গ্রন্থের কবিতা বা গানের সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন।অনুবাদের ইতিহাস১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের শুরুর দিকে রবীন্দ্রনাথের জাহাজযোগে লন্ডন যাওয়ার কথা ছিল। যাত্রার পূর্বে তিনি অর্শ রোগের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পদ্মা নদীতে নৌকায় বিশ্রাম নিতে শুরু করেন। এ সময় তিনি তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ থেকে সহজ ইংরেজিতে অনুবাদ শুরু করেন। পরবর্তীকালে গীতাঞ্জলি ৫৩টি এবং গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া প্রভৃতি আরো নয়টি কাব্যগন্থ থেকে ৫০টি - সর্বমোট ১০৩টি কবিতার অনুবাদ নিয়ে একটি পাণ্ডুলিপি তৈরি করেন। এই পাণ্ডুলিপি সঙ্গে করে রবীন্দ্রনাথ ২৭ মে ১৯১২ বোম্বাই বন্দর থেকে বিলেত যাত্রা করেন। যাত্রকালে আরো কিছু কবিতা অনুবাদ করে সংযোজন করেন। তিনি লন্ডনে পৌঁছান ১৬ জুন। এ সময় উইলিয়াম রোটেনস্টাইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় এবং পাণ্ডুলিপিটি তাকে দেয়া হয়। তিনি টাইপ করিয়ে পাণ্ডুলিপিটি কবি ইয়েটস সহ আরো কয়েকজন কাব্যবোদ্ধাকে প্রদান করেন। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে লন্ডনে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। সঙ্গ অফরিংস - এর ভূমিকা লিখেছিলেন স্বয়ং কবি ইয়েটস্‌। এ ভূমিকাটি ছিল একই সঙ্গে আন্তরিক ও যথেষ্ট প্রশস্তিতমূলক।নিজ অনুবাদে রবীন্দ্রনাথ বেশ স্বাধীনতা নিয়েছিলেন। আক্ষরিক তো নয়ই বরং ভাবানুবাদেরও বেশি ; কখনো কবিতাংশ সংক্ষেপিত করা হয়েছে কখনো বা স্রেফ ভাবার্থ করা হয়েছে ; কেবল কবিতার ভাবসম্পদ অক্ষত রাখা হয়েছে। পুস্তকাকারে প্রকাশ কালে কবি ইয়েটস কিছু সম্পাদনার কাজ করেছিলেন। ইংরেজিভাষী সমালোচকরা সানন্দে তার অনুবাদের উৎকর্ষ স্বীকার করেছেন। তবে এ উৎকর্ষর ক্রমাবনতি হয়েছিল বলে মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় ইংরেজ পাঠক ও সমালোচক এবং রবি - জীবনীকার এডওয়ার্ড টম্পসন মন্তব্য করেছেন, "প্রথম দিকের অনুবাদ ছিল নিখুঁত ও মনোরম ; শেষের দিকে অযত্নে ও নৈমিত্তিকভাবে অনুবাদের কাজ সারা হয়েছে"। তবে স্বকৃত অনুবাদ নিয়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের মনেই দ্বিধা - দ্বন্দ্ব্ব ছিল। ইয়োরোপে যাওয়ার আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে শিলাইদহে নীত হন, তখন সময় কাটানোর ছলেই তিনি গীতাঞ্জলি’র অনুবাদে হাত দেন। কিন্তু প্রিয় কবিতাগুলোর অনুবাদ তাঁর কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি, মনে হয়েছিল ‘school - boy exercise'।প্রকাশনা ইতিহাস১৯১২ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনের ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণের মুদ্রণ সংখ্যা ছিল ৭৫০। মূল্য সাড়ে চার শিলিং। এবং আমেরিকায় সোয়া এক ডলার। এতে কবি ইয়েটস - এর ভূমিকা এবং রটেনস্টেইন অঙ্কিত কবির একটি পেন্সিল স্কেচ প্রতিকৃতি সংযোজন করা হয়। পরে ম্যাকমিলান কোম্পানী এই গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ একযোগে লন্ডন ও নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশ করে। মূল্য কমিয়ে রাখা হয় ইংল্যান্ডে সাড়ে চার শিলিং এবং আমেরিকায় সোয়া এক ডলার। উল্লেখ্য যে ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে ম্যাকমিলান কোম্পানী কর্তৃক প্রকাশিত সংস্করণটিকে প্রামাণ্য ধরা হয়। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত দি রেমিনিসেন্স অনুবাদ গ্রন্থটির শেষে প্রদত্ত বিজ্ঞাপন থেকে দেখা যায় যে ততোদিনে "স্যার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর" - এর গীতাঞ্জলি - র সাঁইত্রিশ সহস্রতম মুদ্রণ বাজারে ছাড়া হয়েছে।ইয়েটস - এর ভূমিকাএই সংকলন গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছিলেন ইংরেজ কবি ডব্লু বি ইয়েটস।পাশ্চাত্যে সমালোচনাগীতাঞ্জলি: দ্য সং অফারিংস প্রকাশনার পর লন্ডনের পত্র - পত্রিকায় আলোচনা - সমালোচনা মুদ্রিত হয়। লন্ডনে রথেনস্টাইনের বাসগৃহে কবি ইয়েটস্ যেদিন বন্ধু - বান্ধবকে গীতাঞ্জলি থেকে পাঠ করে শুনিয়েছিলেন সেদিন ঐ আসরে কবি মে সিনক্লেয়ার উপস্থিত ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় অভিভূত হয়ে তিনি নিঃসংকোচে লিখেছিলেন : “রবীন্দ্রনাথের কবিতায় মানুষের সাধারণ আবেগমথিত নিবেদনের মিলন হয়েছে এমন এক সঙ্গীত ও ছন্দে যা সুইনবার্নসুইনবার্নের চেয়েও পরিশীলীত। এমন এক সঙ্গীত ও ছন্দ যা পশ্চিমী শ্রোতার কাছে অচিন্তনীয়, যাতে আছে শেলীর অপার্থিব চেতনা, অদ্ভুত সূক্ষ্মতা ও তীব্রতা.... এবং তা এমন সহজিয়া রীতিতে যাতে এই যাদুকরী - আবেশকেও মনে হয় পৃথিবীর সবচে’ স্বাভাবিক রূপবন্ধ। মিল্টনও না, সে মানুষের হৃদয়ের তুলনায় বড় বেশি জাঁকালো ; ওয়ার্ডসওয়ার্থও নয়, সে বড় সূক্ষ্ম আর অন্তর্লীন .... এমনকি দান্তেও নয় যদিও তিনি বাংলার এই মরমিয়া কবির খুব কাছাকাছি।”দি টাইমস্ - এর সুবিখ্যাত সাহিত্য - সাময়িকী যা টাইমস লিটারেরী সাপ্লিমেন্ট (টিএলএস) নামে খ্যাত তার ৭ নভেম্বর ১৯১২ সংখ্যায় (পৃ. ৪৯২) প্রকাশিত আলোচনাটিই প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থালোচনা। তখনো রবীন্ত্রনাথ নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি নি। আলোচনাটির শুরুতে বলা হয়েছে, "যে - কোনো শিল্পের অধোগতির কারণ হলো বিষয় - বস্তুর দীনতা, আর ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার আদি স্তর থেকে সার্বজনীনতার পর্যায়ে উত্তরণের প্রয়োজনীয় মননশক্তি যদি না থাকে তাহলে কবিতা সবসময়ই এই দীনতায় আক্রান্ত হবে। যে - সমাজে ভাববাদিতা বিপুলভাবে বর্তমান, সে - সমাজে প্রাণময় শিল্প হিসেবে বেঁচে থাকতে হ’লে কবিতাকে উৎক্রান্তি সাধন করতেই হবে। তা’ না হ’লে, শিল্পের খাতিরে, কবি - শক্তি পর্যবসিত হবে অচল মননশীলতায়, ব্যর্থ হবে নিছক বিদগ্ধ ব্যতিরেকে অন্য কারো মনে সাড়া জাগাতে। ভাবকে জয় করতে না - পারলে ভাবের কাছে পর্যদুস্ত কাব্য পরিণত হ’বে গদ্যে। অতীতে কবিতা যেমন ঘটনা - আলোড়িত আবেগের বাহন হয়েছে, তেমনি (এখন) কবিতাকে লিখতে হবে কী ক’রে ফুটিয়ে তোলা যায় ভাবোৎসারিত আবেগ ; আর তা’ করতে যেয়ে কবিতাকে সেই কবিতাই থাকতে হ’বে যার রয়েছে প্রৌঢ় সাংগীতিকতা, উপমা - অলংকার আর নিষ্কম্প্র মূল্যবোধ। আর এই সমস্যাতেই এ যুগের কবিতা আক্রান্ত্র, এর অস্তিত্ব বিপন্ন ; এবং অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ইয়েটস সাহেব সেই ভারতীয় কবির রচনাকে সানন্দে সম্ভাষণ জানাবেন যিনি অনায়াসে ঐ সমস্যাটির সমাধান করেছেন বলে মনে হয়, যেভাবে হাজার বছর আগে চীনা চিত্রকলা রাহুমুক্ত হয়েছিল।"এথেমিয়াম পত্রিকায় লেখা হয়েছিল, "তাঁর (রবীন্দ্রনাথের) কবিতামালায় এমন এক স্নিগ্ধ প্রশান্তি রয়েছে যার শিক্ষা পশ্চিমের অশান্ত - চিত্ত মানুষের বড় দরকার।"টি. ডব্লু. রলেস্টন ১১০০ শব্দের দীর্ঘ প্রবন্ধে লিখেছিলেন, "জীবনের মৌল বিষয়ের সঙ্গে এই কবিতাগুলি এতো ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট যে এর চেতনা, এবং এমনকি, এর বাকপ্রতিমার একটি বিশ্বজনীন তাৎপর্য রয়েছে।দি নেশান পত্রিকায় লেখা হয়েছিল, "ভুলে যাও ইয়েটস্ - এর তদ্বির, ভুলে যাও যে ‘এটি সাহিত্য - বিশ্বের একটি শীর্ষ - ঘটনা’, এবং (তবু) গীতাঞ্জলি’তে পাবে প্রণয়াকুল হেমন্তের নিখাদ পুষ্পকোরক যাতে রয়েছে (মানুষের) সনাতন বিশ্বাসের ইঙ্গিত।নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে এই গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ইংরেজ লেখক এবং রয়্যাল সোসাইটির সদস্য স্টার্জ মুর নোবেল পুরস্কারের জন্য রবীন্দ্রনাথকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এই মনোনয়ন সুইডিশ একাডেমীকে বিস্মিত করেছিল। তবে একাডেমীর সদস্য পার হলস্টর্ম রবীন্দ্রনাথের ব্যাপারে উৎসাহী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফরাসি লেখক এমিল ফগ। তবে আরেকজন একাডেমী সদস্য ভার্নার লন হেইডেনস্টাম রবীন্দ্রনাথের পক্ষে প্রশস্তিপূর্ণ এমন জোরালো ও লিখিত বক্তব্য দেন যাতে সকল সংশয়ের অবসান হয় এবং রবীন্দ্রনাথকে নোবেল পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১০ নভেম্বর বুধবার সাহিত্যে নোবেল ঘোষণা করা হয়। পর দিন খবরটি ইংল্যান্ডের বিভিন্ন পত্র - পত্রিকায় মুদ্রিত হয় ; কিন্তু তা বিলম্বে কলকাতায় পৌঁছে। ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় তারবার্তার মাধ্যমে খবর আসে যে রবীন্দ্রনাথকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। গীতাঞ্জলি (১৯১২) সহ সেই সময় সামান্য যে কিছু রবীন্দ্ররচনার অনুবাদ পাশ্চাত্য পাঠক মহলে পরিচিতি লাভ করেছিল, পুরস্কারের ঘোষণাপত্রে সেসবের ভূয়সী প্রশংসা করে সুইডিশ আকাদেমি।সূত্র উইকিপিডিয়া