২৩৪৭১
"অন্যপুষ্ট" কোন পাখিকে বলা হয়?
উত্তর
কোকিল
সমাধান
কোকিল - অন্যপুষ্ট, অন্যভৃত, পরভৃত, পিক; দোয়েল - সমধুর গায়ক পাখিবিশেষ (বাংলাদেশের জাতীয় পাখি) কাক - বায়স; ময়ূর - শিখী, কলাপী, বর্হী, শিখন্ডী।
২৩৪৭২
"অর্বাচীন" এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
উত্তর
প্রাচীন
সমাধান
অর্বাচীন শব্দের অর্থ নবীন, আধুনিক, অপ্রবীণ। সুতরাং অর্বাচীন - এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন।
২৩৪৭৩
রবীন্দ্রনাথের "শেষের কবিতা" কোন ধরনের গ্রন্থ?
উত্তর
উপন্যাস
সমাধান
শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের চিত্রসৃষ্টি পর্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস (প্রথমটি যোগাযোগ) এটি। ১৯২৭ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ভাদ্র) থেকে ১৯২৮ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের চৈত্র) অবধি প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে রচনাটি প্রকাশিত হয়।
২৩৪৭৪
"তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি"- এটি কোন শ্রেণীর বাক্য?
উত্তর
সরল বাক্য
সমাধান
সরল বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে। এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘তার বয়স’আর সমাপিকা ক্রিয়া হচ্ছে ‘বাড়েনি’। আরো উদাহরণ - দিপা বই পড়। রাসেল ক্রিকেট খেলে।
২৩৪৭৮
উপকারীর অপকার করেন যিনি-
উত্তর
কৃতঘ্ন
সমাধান
কৃতঘ্ন - [বিশেষণ পদ] যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বা তাহার অপকার করে, নিমকহারাম, অকৃতজ্ঞ। [বিশেষ্য পদ] কৃতঘ্নতা।
২৩৪৭৯
'যদি সত্য বল, তাহলে মুক্তি পাবে'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
উত্তর
মিশ্র বাক্য
সমাধান
জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য)যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।
২৩৪৮০
"চর্যাপদ" কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে?
উত্তর
নেপাল
সমাধান
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
আবিষ্কার এর ৯ বছর পর ' চর্যাপদ ' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় - ১৯১৬ সালে।