T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৪৮১

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কতটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
20
২৩৪৮২

'দুই এবং নব্বই'= বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিত্য সমাস
সমাধান
নিত্য সমাসযে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস - বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়। যেমন: কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
২৩৪৮৩

"অনল প্রবাহ" কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
সমাধান
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০ - ১৯৩১) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। তিনি মুসলিমদের জন্যে বিজ্ঞানসাধনা, মাতৃভাষাচর্চা, নারীদের শিক্ষা এসবের পক্ষে লেখালেখি করেন। তার অনল - প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তিনি কারাবন্দী হন।
২৩৪৮৪

সমাস নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সমস্ত পদ
২৩৪৮৫

'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বড়ু চণ্ডীদাস
সমাধান
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুঁথি আবিষ্কার করেন।
২৩৪৮৬

"আনারস", "বালতি" শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে আগত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পর্তুগিজ
সমাধান
***পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার একটি কৌশলঃ গীর্জারপাদ্রী চাবি দিয়ে গুদামের আলমারি খুলে তাতে আনারস পেঁপে পেয়ারা আলপিন ও আলকাতরা রাখলেন।কেরানি দিয়ে কামরা পরিষ্কার করে জানালা খুলে দিলেন। তারপর পেরেক ইস্ত্রি ইস্পাত ও পিস্তল বের করে বালতিতে রেখে বোমা বানালেন। শব্দ গির্জা , চাবি , গুদাম ,আলমারি , আনারস , পেঁপে ,পেয়ারা, আলপিন , আলকাতরা, কেরানি ,কামরা, জানালা, , পেরেক , ইস্ত্রি ,ইস্পাত , পিস্তল , বালতি, টুপি , সাবান, বোতাম ,পুউরুটি , মিস্রি ,পেরেক, ইংরেজ ,নিলাম ও বেহালা ইত্যাদি ।
২৩৪৮৭

'মোদের গরব মোদের আশা আ- মরি বাংলা ভাষা' - এর রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অতুলপ্রসাদ সেন
সমাধান
বাংলা ভাষা সাহিত্যে ও সঙ্গীতের এক অতি পরিচিত নাম অতুল প্রসাদ সেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার ও গায়ক। বাংলাভাষীদের নিকট অতুল প্রসাদ সেন প্রধানত একজন সঙ্গীতজ্ঞ ও সুরকার হিসেবেই পরিচিত। তার গানগুলি মূলত স্বদেশি সঙ্গীত, ভক্তিগীতি ও প্রেমের গান; এই তিন ধারায় বিভক্ত। তবে তার ব্যক্তি জীবনের বেদনা সকল ধরনের গানেই কম - বেশি প্রভাব ফেলেছে। এজন্য তার অধিকাংশ গানই হয়ে উঠেছে করুণ - রস প্রধান। উনিশ শতকের শেষ থেকে বিশ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত রবীন্দ্র প্রতিভার প্রভাববলয়ের মধ্যে বিচরণ করেও যাঁরা বাংলা কাব্যগীতি রচনায় নিজেদের বিশেষত্ব প্রকাশ করতে সক্ষম হন, অতুল প্রসাদ ছিলেন তাদের অন্যতম। সমকালীন গীতিকারদের তুলনায় তার সঙ্গীত সংখ্যা সীমিত হলেও অতুল প্রসাদের অনেক গানে সাঙ্গীতিক মৌলিকত্ব পরিলক্ষিত হয়; আর সে কারণেই তিনি বাংলা সঙ্গীত জগতে এক স্বতন্ত্র আসন লাভ করেছেন। তার গানগুলি অতুল প্রসাদের গান নামে বিশেষ ভাবে প্রতিষ্ঠিত। অতুলপ্রসাদ বাংলা গানে ঠুংরি ধারার প্রবর্তক। তিনিই প্রথম বাংলায় গজল রচনা করেন। তার রচিত বাংলা গজলের সংখ্যা ৬ - ৭টি। গীতিগুঞ্জ (১৯৩১) গ্রন্থে তার সমুদয় গান সংকলিত হয়। এই গ্রন্থের সর্বশেষ সংস্করণে (১৯৫৭) অনেকগুলি অপ্রকাশিত গান প্রকাশিত হয়। অতুলপ্রসাদের গানের সংখ্যা ২০৮। অতুলপ্রসাদ সেনের কয়েকটি বিখ্যাত গান হল মিছে তুই ভাবিস মন, সবারে বাস রে ভালো, বঁধুয়া, নিঁদ নাহি আঁখিপাতে, একা মোর গানের তরী, কে আবার বাজায় বাঁশি, ক্রন্দসী পথচারিণী ইত্যাদি। তার রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে প্রসিদ্ধ উঠ গো ভারত - লক্ষ্মী, বলো বলো বলো সবে, হও ধরমেতে ধীর। তার মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা! গানটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অণুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। অতুলপ্রসাদের গানগুলি দেবতা, প্রকৃতি, স্বদেশ, মানব ও বিবিধ নামে পাঁচটি পর্যায়ে বিভক্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানের বিশেষ গুণগ্রাহী ছিলেন। অতুলপ্রসাদী গান নামে পরিচিত এই ধারার একজন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী হলেন কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়।
২৩৪৮৮

"সংশয়" শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রত্যয়
সমাধান
প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)।
২৩৪৮৯

"বাংলা একাডেমী" কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
সমাধান
বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) এই একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন - পরবর্তী কালের প্রেক্ষাপটে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন "বর্ধমান হাউজ" - এ এই একাডেমির সদর দপ্তর স্থাপিত হয়। একাডেমির "বর্ধমান হাউজে" একটি "ভাষা আন্দোলন জাদুঘর" আছে।
২৩৪৯০

"হাত হদাই" নাটকের নাট্যকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সেলিম আল দীন
সমাধান
'হাত - হদাই' নাটকের নাট্যকার - সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন - এর হাত হদাই বাংলা নাট্যধারায় প্রবর্তিত কথানাট্যের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছে। রূপকথার সার আরব্য রজনীর কাহিনী, সিন্দবাদের দুরন্ত ভ্রমণগাথা, পাশ্চাত্যের ওডিসি ও ঈনিড ভাবরস পানে মুগ্ধ সেলিম আল দীন হাত হদাই নাটক রচনা করেছেন। বঙ্গভূমির সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মৌখিক শব্দ 'হাত হদাই'; এর আক্ষরিক অর্থ - সাত সওদা ।সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন (১৮ আগস্ট, ১৯৪৯ - ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সেলিম আল দীন সেলিম আল দীন জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ (বয়স ৭০) সোনাগাজী, ফেনী, বাংলাদেশ মৃত্যু ১৪ জানুয়ারি ২০০৮ (বয়স ৫৮) ঢাকা, বাংলাদেশ পেশা নাট্যকার, লেখক, অধ্যাপক জাতীয়তা বাংলাদেশী (বাংলা) নাগরিকত্ব বাংলাদেশী দম্পতি বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম তথ্য ধারা নাটক উল্লেখযোগ্য কাজ কিত্তনখোলা (১৯৮৬) কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮) চাকা (১৯৯১) হরগজ (১৯৯২) যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩) হাতহদাই (১৯৯৭) প্রাচ্য (২০০০) নিমজ্জন (২০০২) পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (সাহিত্য) (১৯৮৪) একুশে পদক (২০০৭) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩, ১৯৯৪) নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা) ১৯৯৪ শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪) মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)