২৩৫৭১
বাড়ি যাও -এটি কোন প্রকারের বাক্য?
উত্তর
অনুজ্ঞা
সমাধান
আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা , অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয়, তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।
২৩৫৭৩
'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থটি কার লেখা?
উত্তর
বেগম রোকেয়া
সমাধান
অবরোধ - বাসিনী ভারতবর্ষের অগ্রণী নারীবাদী লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি গ্রন্থ। বেগম রোকেয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হিসেবে বিবেচিত গ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তৎকালীন ভারতবর্ষীয় নারীদের বিশেষ করে মুসলমান ঘরের নারীদের সমাজের অবরোধপ্রথার জন্য যে অসুবিধায় পড়তে হত তা বর্ণিত হয়েছে। মোট ৪৭ ঘটনাকে অনুগল্প আকারে লেখে বইটি তৈরি করা হয়েছে। ঘটনাগুলো সব বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া। এ বইয়ের মাধ্যমে বেগম রোকেয়া গল্পাকারে পর্দা প্রথার দরুন নারীদের দুর্ভোগ সবার কাছে উপস্থাপন করেছেন।
২৩৫৭৪
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালে আরেকজন কবিও একই বছরে জন্মগ্রহন করেন, তিনি কে?
উত্তর
জীবনানন্দ দাশ
সমাধান
জীবনানন্দ দাশ (১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪) (৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তাঁকে বাংলাভাষার "শুদ্ধতম কবি" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য।
২৩৫৭৬
শামসুর রাহমান এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
সমাধান
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য গ্রন্থ প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।
২৩৫৭৭
' আবোল- তাবোল' কার লেখা?
উত্তর
সুকুমার রায়
সমাধান
প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও শিশুতোষ পত্রিকা' সন্দেশ' (১৯১৩) প্রতিষ্ঠাতা সুকুমার রায় (১৮৮৭ - ১৯২৩ খ্রি.) - এর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত 'আবোল - তাবোল' (১৯২৩), 'হ - য - ব - র - ল' (১৯২৪) ,'পাগলা দাশু' (১৯৪০) ,'বহুরুপী ' (১৯৪৪) ইত্যাদি বইগুলো বাংলা শিশুতোষ সাহিত্যের অমর সৃষ্টি।
২৩৫৭৮
কোন জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন নি?
উত্তর
আবদুল হাকিম
সমাধান
আবদুল হাকিম (১৬২০ - ১৬৯০) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। নোয়াখালী জেলার বাবুপুর (মতান্তরে সন্দ্বীপের সুধারাম) ছিল কবির আবাসভূমি। তাঁর পিতা শাহ্ রাজ্জাক ছিলেন একজন পন্ডিত ব্যক্তি এবং তাঁর পীর ছিলেন সাহাবুদ্দীন। আবদুল হাকিম আরবি, ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপন্ন ছিলেন। হাদীস, আল - কুরআন, ফেকাহ প্রভৃতি শাস্ত্র এবং রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণ সম্পর্কেও তাঁর গভীর পান্ডিত্য ছিল। আবদুল হাকিম প্রধানত প্রণয়োপাখ্যানের কবি ছিলেন। এ যাবৎ তাঁর পাঁচটি গ্রন্থ পাওয়া গেছে: ইউসুফ - জুলেখা, নূরনামা, দুররে মজলিশ, লালমোতি সয়ফুল্মূল্ক এবং হানিফার লড়াই। ইউসুফ - জুলেখা মোল্লা জামী রচিত ফারসি কাব্য ইউসুফ ওয়া জুলায়খা (১৪৮৩) এবং নূরনামা ফারসি নীতিকাব্য নূরনামাহ্ অবলম্বনে রচিত। ‘যেসব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় না জানি। । ’ বাংলা ভাষার প্রতি এরূপ শ্রদ্ধাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য কবির নূরনামা কাব্য বিশেষভাবে প্রশংসিত। দুররে মজলিশ নামের নীতিকাব্যও ফারসি কবি সাইফুজ জাফর রচিত দুর্রুল মজলিশ কাব্যের ভাবানুবাদ। এ কাব্যে আবদুল হাকিম শুধু শাস্ত্রকার নন, কবিও। লালমোতি সয়ফুল্মূল্ক একটি মৌলিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য। হানিফার লড়াই কাব্যের প্রাপ্ত পান্ডুলিপিটি খন্ডিত। আবদুল হাকিম সমাজের সার্বিক কল্যাণে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই তিনি বিভিন্ন গ্রন্থে আদর্শ জীবন গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন। [রাজিয়া সুলতানা]
২৩৫৮০
'কল্লোল' পএিকার সম্পাদক-
উত্তর
দীনেশ রঞ্জন দাশ
সমাধান
১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।