T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৬২১

পদাবলী লিখেছেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সমাধান
রাধা - কৃষে।ঞর জীবন অবলম্বন করে যে ধারনাটিসবাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য । প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলীর রচনা করেছেন, যার নাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন । বৈষ্ঞব পদাবলীর সৌন্দার্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এটি রচনা করেন । পদাবলীর প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন - বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস প্রমূখ ।
২৩৬২২

‘বসন্তকুমারী’ মীর মশাররফ হোসেনের একটি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নাটক
সমাধান
মীর মশাররফ হোসেন ১৩ই নবেম্বর ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি কলকাতার ‘সংবাদ প্রভাকর’ এবং কুমারখালির ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করতেন। তাছাড়ও তার সম্পাদিত দুটি পত্রিকা – আজিজননেহার ও হিতকরী।তিনি ‘গাজী মিয়া’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে লিখতেন।তাঁর সাহিত্য গুরু ছিলেন কাঙাল হরিনাথ। তিনি ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। বসন্তকুমারী - বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক ‘বসন্তকুমারী’। নাটকটি তিনি নওয়াব আবদুল লতিফকে উৎসর্গ করেন।
২৩৬২৩

‘কূল’ এর সমার্থক শব্দ নয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কুন্তল
সমাধান
কুন্তল - [বিশেষ্য পদ] কেশগুচ্ছ, কেশপাশ, চুল।,
২৩৬২৪

' বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান' ---- এখানে ' টাপুর টুপুর' কোন ধরনের শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ধবন্যাত্নক শব্দ
সমাধান
যেসব শব্দ অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিথ হয় তাকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন: কুহু কুহু (কোকিলের রব ), টাপুর টুপুর (বৃষ্টির পতনের শব্দ) ,হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ)।
২৩৬২৫

'কোনটি বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কুবের
সমাধান
বিষাদসিন্ধু এজিদ্‌ - বধ পর্বের প্রচ্ছদ (১৮৯০) লেখক মীর মশাররফ হোসেন দেশ অবিভক্ত বাংলা ভাষা বাংলা বিষাদ - সিন্ধুবিষাদ - সিন্ধু কারবালার যুদ্ধক্ষেত্রকে উপাত্ত করে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি যথাক্রমে ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিন ভাগে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে সেগুলি একখন্ডে মুদ্রিত হয়।বিষাদ - সিন্ধুর প্রধান চরিত্রগুলো নামের দিক থেকে ঐতিহাসিক, কিন্তু ঘটনা বর্ণনায় ও চরিত্র সৃষ্টিতে কাল্পনিক। এই গ্রন্থে কিছু উপকাহিনী আছে, যেগুলো যথার্থ ঐতিহাসিক নয়। গ্রন্থের মুখবন্ধে লেখক মীর মশাররফ হোসেন লিখেছেন - ‘পারস্য ও আরব্য গ্রন্থ হইতে মূল ঘটনার সারাংশ লইয়া বিষাদ - সিন্ধু বিরচিত হইল।’ লক্ষণীয় বিষয়, মীর মশাররফ হোসেন বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাসমূহ কোন কোন আরবি এবং ফারসি গ্রন্থ হতে সংগ্রহ করেছেন তার নাম উল্লেখ করেননি। এ কারণে ‘সমালোচকবৃন্দ’ লেখকের ‘বক্তব্য অনুমোদনে দ্বিধান্বিত’। মুনীর চৌধুরী লেখকের দাবী সম্পর্কে যৌক্তিক সংশয় পোষণ করেছেন। তিনি দোভাষী পুঁথির সঙ্গে বিষাদ - সিন্ধুর বেশ সাদৃশ্য আবিষ্কার করে নিশ্চিন্ত হয়েছেন যে মশাররফের অবলম্বন ছিল কারবালাবিষয়ক জনপ্রিয় বাংলা পুঁথিই। গোলাম সাকলায়েনের অভিমতও অভিন্ন। আনিসুজ্জামান ও মুস্তাফা নূরউল ইসলামও মনে করেন দোভাষী পুঁথিই মশাররফের কাহিনীর প্রধান প্রেরণা ও মূল উৎস। কাজী আবদুল মান্নান অনুমান করেছেন, ‘গ্রন্থটির প্রতি ধর্মপ্রাণ মুসলমান সমাজের শ্রদ্ধা এবং আকর্ষণ সৃষ্টির জন্যই মশাররফ কাহিনী - উৎসের প্রশ্নে আরবি - ফারসি গ্রন্থেও প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন।মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ - সিন্ধুর মূল বিষয়বস্ত্ত হচ্ছে - হযরত মুহাম্মদ (সা.) - এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর জন্য দায়ী ঘটনাসমূহ। অবশ্য ইমাম হোসেনের মৃত্যুর ফলে যে সকল ঘটনা ঘটেছিল তারও বর্ণনা রয়েছে এ গ্রন্থে। বিষাদ - সিন্ধু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলির সন্ধান ইতিহাসে পাওয়া যায়, কিন্তু কোনো কোনো অপ্রধান চরিত্রের উল্লেখ বা সন্ধান ঐতিহাসিক কোনো গ্রন্থে পাওয়া যায় না। কিন্তু গবেষকের সিদ্ধান্ত - ‘যেহেতু ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করেই এই গ্রন্থ রচিত হয়েছে, সুতরাং এটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যায়।’ এতে একই সঙ্গে উপন্যাসের চরিত্রচিত্রণ, মানবজীবনের দুঃখ - যন্ত্রণা, হিংসা - বিদ্বেষ ইত্যাদি যেমন চিত্রিত হয়েছে তেমনি ইতিহাসের পটভূমিকায় সিংহাসন নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংগ্রাম, রক্তপাত, হত্যাকান্ড ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে। সারকথা বিষাদ - সিন্ধুতে বর্ণিত ইতিহাসের চরিত্র ও ইতিহাসের লক্ষণকে প্রত্যক্ষ করে গবেষক একে ঐতিহাসিক উপন্যাসের মর্যাদা দিতে দ্বিধা করেননি। তবে এতে এমন কিছু ঘটনার উল্লেখ আছে যেগুলো ইতিহাসের আলোকে বিচার করা চলে না। এমনকি বাস্তব জীবনেও সেগুলির অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করা চলে, যেমন - কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনা, এগুলির কোনোটির উৎপত্তি ধর্মীয় বিশ্বাসে, আবার কোনটির উৎপত্তি ঐন্দ্রজালিক শক্তিতে ও আস্থায়।বিষাদ - সিন্ধুর সূচনা হচ্ছে - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর এক ভবিষ্যদ্বাণীতে এবং ভবিষ্যদ্বাণী সত্যে পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রন্থের উপসংহার হবে। এই ভবিষ্যদ্বাণী ছাড়াও এতে কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। যেমন - এজিদের চোখের সামনে থেকে হোসেনের খন্ডিত শির অদৃশ্য হওয়া, কারবালা প্রান্তরের বৃক্ষ থেকে রক্তক্ষরিত হওয়া, হোসেনের মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় হোসেনের পিতামাতার মর্তে আগমন এবং দু্ই পাহাড়ের মধ্যবর্তীস্থানে হানিফার বন্দি হওয়া ইত্যাদি। কোনো উপন্যাসে কেবল বাস্তব জীবনের ঘটনা চিহ্নিত হলে তাকে সাধারণত উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয় না। কিন্তু বিষাদ - সিন্ধুতে বাস্তব ঘটনা এবং অতিপ্রাকৃত বিষয়ের অবতারণা করা হলেও তা পাঠকদের অবিশ্বাস উদ্রেক করে না। বিষাদ - সিন্ধুর ঘটনাস্থান ও ঘটনাকাল সপ্তম শতাব্দীর আরবদেশ। এ উপন্যাস বিচারকালে কোনো কোনো গবেষক সেই বিশেষ যুগের ও মানুষের বিশ্বাসের কথাটি মনে রাখার পক্ষে মত দিয়ে বলেছেন - হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরেরা যদি দৈবশক্তিতে বিশ্বাসী হন, আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কারণ তাঁরা বিশ্বাস করতেন - বিধাতার স্থিরীকৃত পথ থেকে কেউ বিচ্যুত হতে পারে না। বিষাদ - সিন্ধু পাঠকালে কখনো কখনো মনে হয় যেন ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেন রক্তমাংসের কোনো মানুষ নয়, কেননা তারা সম্পূর্ণরূপে দৈবের ওপর নির্ভরশীল এবং তারা কেউ নিজেদের কৃতকর্মের ফলের জন্য নিজেদের দায়ী বলে মনে করে না। অপরদিকে এজিদ, জায়েদা, মায়মুনা এবং মরওয়ান - এরা পাষন্ড হলেও এদের অনেকটা রক্তমাংসের মানুষ মনে হয়। কারণ এরা মনে করে - তাদের বর্তমান ক্রিয়াকর্মের ফলেই ভবিষ্যৎ ঘটনাবলী প্রভাবান্বিত হবে। এজিদ হজরত মুহম্মদ (সা.) - এর বংশধরদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে অনবরত সংগ্রাম করতে থাকে, কিন্তু সর্বক্ষণই এজিদ আপন বাহুবল ও কলাকৌশলের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইমাম হাসান এবং ইমাম হোসেন মৃত্যুকে বরণ করে বিনা প্রতিবাদে, বিনা প্রতিরোধে। কেননা, তাঁরা বিশ্বাস করে - বিধাতার অভিপ্রায়ই তাই, ফলে তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।মীর মশাররফ হোসেন জন্মগ্রহণ করেন ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে এবং তিনি যে পরিবেশে বেড়ে উঠেন সেটি ছিল সে - যুগের পূর্ববর্তী সময়ের রীতি - নীতি ও বিশ্বাসদ্বারা লালিত। অধিকাংশ গবেষক বিষাদ - সিন্ধুকে মহাকাব্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন - ‘এতে রয়েছে মহাকাব্যের বিশাল পটভূমি। এটি ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংঘর্ষের কাহিনী নয় - এ হচ্ছে প্রভুত্ব নিয়ে দুই নৃপতির মধ্যে সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত ছিল বহু লোকের জীবন, বহু লোকের ভাগ্য।’ এতে প্রায় শ’খানেক পাত্রপাত্রী আছে; এর মধ্যে রয়েছে অনেক কাহিনী শাখা - প্রশাখায় বিস্তৃত। হিংসা বিদ্বেষজর্জরিত মানুষের কামনা, বাসনা, প্রভুত্বের নিষ্ঠুরতা, রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, আর এসব ঘটেছিল একটি নারীকে কেন্দ্র করে। ঠিক এমন ঘটনা গ্রিক সাহিত্যের ইলিয়াড মহাকাব্যে ঘটেছিল।বিষাদ - সিন্ধুর অধিকাংশ ঘটনাই জয়নাবকে কেন্দ্র করে। এজিদ ও ইমাম হাসান - হোসেনের সংঘর্ষের মূল কারণ জয়নাব। জয়নাব সতীসাধ্বী স্ত্রী। প্রথম স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়ে দ্বিতীয়বার পরিণীতা হন ইমাম হাসানের সঙ্গে। ভাগ্যের পরিহাসে ইমাম হাসানের মৃত্যুর পর সে এজিদের কারাগারে বন্দিনী হন। কারাগারে বন্দিনী থাকাকালে তার মনে হতো কারবালার রক্তপাতের জন্য সেই যেন দায়ী। এজিদকে স্বামীত্বে বরণ করে নিলেই তো আর এসব ঘটনা ঘটত না। সাহিত্য সৃষ্টির দিক থেকে মাইকেলের মেঘনাদবধ কাব্যের সীতা - চরিত্রের সঙ্গে জয়নাবের তুলনা করা চলে।বিষাদ - সিন্ধু পাঠ্যপুস্তক হিসেবেই প্রথমে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং গ্রামে গ্রামে পঠিত হতে থাকে। পরবর্তীতে বিষাদ - সিন্ধুর এই জনপ্রিয়তার সূত্র ধরে বাংলাদেশের জারিগানের আসরে প্রথমত প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে আত্তীকৃত হয়, পরবর্তীতে জারিগানের গীত - নৃত্যমূলক পরিবেশনায় বিষাদ - সিন্ধুর পদ্যগীতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশিত হতে থাকে। আধুনিক বাংলা ভাষার গদ্যরীতিতে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধুর পুরো পাঠটিই বাংলাদেশের নেত্রকোণা অঞ্চলে প্রচলিত জারিগানের আদলে আত্তীকৃত হয়েছে।বিষাদ - সিন্ধু ও জারিগানের তুলনামূলক পাঠের ভেতর দিয়ে পাঠক - গবেষক স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন, আধুনিক বাংলা ভাষার লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু কীভাবে গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত ‘বয়াতি’, ‘জারিয়াল’ বা ‘খেলোয়াড়’ কর্তৃক জারিগানের আসরে আত্তীকৃত হয়ে কতটা প্রাণবন্তভাবেই না গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে থাকে। উপস্থাপিত পাঠের ভেতর দিয়ে মূলত নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিপালার আত্তীকৃত পাঠকে প্রত্যক্ষ করা যাবে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য বিষাদ - সিন্ধু আত্তীকৃত হবার ইতিহাস হতে জানা যায় সাধারণত দুইভাবে আত্তীকৃত হয়ে বিষাদ - সিন্ধুর আখ্যান গ্রামীণ আসরে পরিবেশিত হয়ে আসছে। ক্ষেত্রসমীক্ষণে জারিগানের বয়াতিদের ভাষ্যমতে, জারিগানের আসরে বিষাদ - সিন্ধু প্রথমবারের মতো আত্তীকৃত হয়েছিল মূলত প্রতিযোগিতামূলক আসরে প্রশ্নোত্তরের একটি আকর্ষণীয় তথ্যনির্ভর উপাদান হিসেবে, দ্বিতীয়ত প্রতিযোগিতামূলক জারিগানের আসর হতেই পর্যায়ক্রমে বিষাদ - সিন্ধু গীত - নৃত্য আশ্রিত জারিপালায় প্রবেশ করে বয়াতিদের মুখে মুখে সৃজিত ছন্দের গাঁথুনিতে রূপান্তরিত হয়ে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিষাদ - সিন্ধুর গদ্যরীতি জারিগানের সৃজনশীল বয়াতিদের দ্বারা ছন্দবদ্ধ গীতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূলত ‘ক্ষুদ্র পয়ার’ বা ‘দীর্ঘ পয়ার’ ছন্দগীত প্রযুক্ত হলেও তাতে বৈচিত্র্য প্রদান করে পালার পয়ারের পূর্বে এবং মধ্যে মধ্যে গীত দোহারদের দিশা - দোহার বা ধূয়া এবং ডাক। দিশা - দোহার বা ধূয়াতে বিচিত্র ছন্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। মূলত দোহার - দিশাতেই বিচিত্র ছন্দ প্রয়োগ করা হয়, পালার পয়ারের প্রচলিত কাঠামোর ওপরে সাধারণত ত্রিপদী, চৌপদী ইত্যাদি ছন্দের আবরণ দিয়েই জারিগানে বৈচিত্র্য সৃজন করা হয়। জারিগানের আসরের নৃত্য - গীতের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃজন করে দোহার - খোলোয়াড়দের মুখে উচ্চারিত আরেকটি উপাদান তা হলো ‘ডাক’।বিষাদ - সিন্ধু কেন্দ্রিক নৃত্য - গীত আশ্রিত জারিগানের আসরে লিখিত সাহিত্য এ উপন্যাসে নির্ধারিত প্রবাহ হতে কখনো মূলপাঠ আবার কখনো মূলপাঠের কথার কাট - ছাট উপস্থাপন করে তার আগে ও পরে ছন্দগীত আকারে জারিপালা পরিবেশন করে থাকেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কারবালাবিষয়ক কাব্য রচনায় কবি হায়াত মামুদ, ফকির গরীবুল্লাহ এবং সৈয়দ হামজা সর্বাপেক্ষা কৃতিত্বের পরিচয় দেন। মীর মশাররফ হোসেনের কাহিনীতে কবি হায়াত মামুদ ও ফকির গরীবুল্লাহ’র কাহিনীর সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। পূর্বসূরী ফকির গরীবুল্লাহ’র রচনা থেকে উপকরণ নিলেও বিষাদ - সিন্ধু গ্রন্থের কাহিনী - নির্বাচন, নির্মাণ ও চরিত্র সৃষ্টি মীর মশাররফের একান্ত নিজস্ব। [সাইমন জাকারিয়া]সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া
২৩৬২৬

অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মায়ে ঝিয়ে
২৩৬২৭

কোন সাহিত্যিক ' ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কাজী নজরুল ইসলাম
সমাধান
ছদ্মনামছদ্মনাম কোনো ব্যক্তি বা ক্ষেত্রবিশেষে কোনো গোষ্ঠীর স্বগৃহীত ও স্বব্যবহৃত কাল্পনিক নাম।ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখা। শুধুমাত্র লেখকেরাই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন না, গ্র্যাফিটি শিল্পী, প্রতিবাদী আন্দোলনকারী অথবা সন্ত্রাসবাদী এমনকি কম্পিউটার হ্যাকারেরাও ব্যবহার করেন এই জাতীয় নকল নাম। অভিনেতা, গায়ক বা অন্যান্য শিল্পীরা অনেক সময় নিজেদের জাতিগত পরিচয় গোপন রাখার জন্য মঞ্চনাম ব্যবহার করেন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছদ্মনাম গ্রহণের কারণ হয় সাংস্কৃতিক বা সাংগাঠনিক ঐতিহ্য। কোনো কোনো ধর্মীয় সংঘের সদস্যদের ধর্মীয় নাম এবং কমিউনিস্ট পার্টি নেতৃবৃন্দের ব্যবহৃত "ক্যাডার নাম" এর উদাহরণ। যথা: ট্রটস্কি ও স্তালিন।কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার একাধিক ব্যক্তি একক ছদ্মনামের আড়ালেও লিখে থাকেন। কোনো রচনার সহকারী লেখকবৃন্দের ক্ষেত্রে এই জাতীয় ছদ্মনাম গ্রহণের প্রবণতা দেখা যায়। যেমন: এলারি কুইন বা নিকোলাস বরবাকি।বাংলা সাহিত্যিকদের ছদ্মনামবাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। বাংলা ভাষা তথা বিশ্বের সকল সাহিত্যে সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের নাম আত্মগোপন করে অন্যকোন নামে সাহিত্য রচনা করতেন। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অনেক কবি, সাহিত্যিক,উপন্যাসিক, নাট্যকার তাদের আসল নাম গোপন করে ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। নিম্নে তার একটি তালিকা দেওয়া হল। সময়কাল জন্মস্থান প্রকৃত নাম ছদ্মনাম বিশেষত্ব ১৯০৩ - ১৯৭৬ নোয়াখালী, বাংলাদেশ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত নীহারিকা দেবী কবি, ঔপন্যাসিক ১৮৮২ - ১৯৫৮ অনুরূপা দেবী অনুপমা দেবী ঔপন্যাসিক ১৯০৪ - ২০০২ উড়িষ্যা, ভারত অন্নদাশংকর রায় লীলাময় রায় কবি, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার অহিদুর রেজা হাসন রাজা ১৯২৭ - ১৯৭১ ফেনী, বাংলাদেশ আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ শহীদুল্লা কায়সার ঔপন্যাসিক আবুল ফজল শমসের উল আজাদ আবুল হোসেন মিয়া আবুল হাসান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো এম. ওবায়দুল্লাহ অাসকার ইবনে শাইখ ১৮৫৭ - ১৯৫১ ঢাকা, বাংলাদেশ কাজেম আল কোরেশী কায়কোবাদ কবি কাজী নজরুল ইসলাম নুরু; নুরুল ইসলাম কালিকানন্দ অবধূত কালীপ্রসন্ন সিংহ হুতোম পেঁচা কামিনী রায় জনৈক বঙ্গমহিলা চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ জমীরউদ্দীন মোল্লা ১৮৯৮ - ১৯৭১ বীরভূম, ভারত তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় হাবু শর্মা ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার দৃষ্টিহীন; মধুসূদন মজুমদার ১৯১৮ - ১৯৭০ বালিয়াডাঙ্গী, বাংলাদেশ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সুনন্দ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ১৯১১ - ১৯৮৬ নড়াইল, বাংলাদেশ নীহাররঞ্জন গুপ্ত দাদাভাই; বাণভট্ট ঔপন্যাসিক প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৬৮ - ১৯৪৬ পাবনা, বাংলাদেশ প্রমথ চৌধুরী বীরবল কবি, প্রাবন্ধিক প্রেমেন্দ্র মিত্র কৃত্তিবাস ভদ্র; লেখরাজ সামন্ত প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কমলাকান্ত বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় যাযাবর বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় ক্বচিৎ প্রৌঢ় বিমল ঘোষ মৌমাছি বিমল মিত্র জাবালি বিহারীলাল চক্রবর্তী ভোরের পাখি মইনুদ্দিন অাহমেদ সেলিম অাল দীন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় শংকর মণীশ ঘটক যুবনাশ্ব মনিরুজ্জামান হায়াৎ মামুদ মহাশ্বেতা দেবী সুমিত্রা দেবী মাইকেল মধুসূদন দত্ত এ নেটিভ মীর মশাররফ হোসেন গৌড়তটবাসী মশা; উদাসীন পথিক; গাজী মিয়াঁ মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ জহির রায়হান মোহিতলাল মজুমদার কৃত্তিবাস ওঝা; সত্যসুন্দর দাস মোঃ শহীদুল হক শহীদুল জহির ১৮৬১ - ১৯৪১ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, ভারত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহ ঠাকুর রাজশেখর বসু পরশুরাম রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনিলা দেবী শম্ভু মিত্র প্রসাদ দত্ত; শ্রী সঞ্জীব; সুরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় শেখ অাজিজুর রহমান শওকত ওসমান সতীনাথ ভাদুড়ী চিত্রগুপ্ত ১৯২৪ - ১৯৮৮ বিক্রমপুর, বাংলাদেশ সমরেশ বসু কালকূট; ভ্রমর ১৯৩৪ - ২০১২ মাদারীপুর, বাংলাদেশ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নীল উপাধ্যায়; নীল লোহিত; সনাতন পাঠক সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুবচনী সোমেন চন্দ ইন্দ্রকুমার সোম ১৯০৪ - ১৯৭৪ করিমগঞ্জ, আসাম সৈয়দ মুজতবা আলী প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর ১৮৩৩ - ১৮৯৬ কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ হরিনাথ মজুমদার কাঙাল হরিনাথ সুত্রঃ ইউকিপিডিয়া
২৩৬২৮

'কালো বরফ' রচনা করেন

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মাহমুদুল হক
সমাধান
'কালো বরফ' রচনা করেন মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকমাহমুদুল হক (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪০ - জুলাই ২১, ২০০৮) একজন বাংলাদেশি লেখক। তাকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে। তার লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।প্রাথমিক জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হক ১৯৪০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সিরাজুল ইসলাম, মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় পর পিতা সরকারের উচ্চপদে চাকরিসূত্রে পূর্ব পাকিস্তানে যোগদান করেন এবং বেশ পরে তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ১৯৫১ সালে আজিমপুরে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।শিক্ষা ও পেশাগত জীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের পড়ালেখার হাতেখড়ি হয়েছিল বারাসাতের কালীকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ১৯৫২ সালে ঢাকার লালবাগের ওয়েস্ট এন্ড স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। রাতকানা রোগের কারণে মাঝখানে কিছুদিন তিনি পড়ালেখায় বিরতি দেন। পরে তিনি ১৯৫৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হলেও পড়ালেখার চেয়ে আড্ডাবাজিতে মগ্ন হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার ইতি ঘটান। দৈনিক সংবাদ পত্রিকার অনুবাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিন মাসের মাথায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি প্রথমে মনোহারি, পরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে যুক্ত হন। পরে অবশ্য মীজানুর রহমান এবং প্রতাপউদ্দিনের সাথে মিলি ‘গাঙচিল প্রেস’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৬৭ সালে; কিন্তু এ ব্যবসাও তার টেকে নি।সাহিত্যজীবন - মাহমুদুল হকমাহমুদুল হকের শিক্ষক ছিলেন কথাশিল্পী শহীদ সাবের। তার প্রত্যক্ষ প্রেরণায় তিনি সাহিত্যের সাথে যুক্ত হন এবং প্রথমে ‘অগ্রগামী’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির মাত্র ৩টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। মাহমুদুল হক যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তখন ‘রেড হর্নেট’ (১৯৫৪) ডিটেকটিভ উপন্যাস রচনা করেন। এ সময় তিনি ‘অরণ্য বাসর’ ও ‘আমি সম্রাট’ নামি দুটি রোমাঞ্চধর্মী উপন্যাসও লিখেছিলেন। তবে তিনি ১৯৮৪ সালের পর আর লেখালেখি করেন নি।সাহিত্যকর্ম - মাহমুদুল হকউপন্যাস অনুর পাঠশালা (১৯৬৭) নিরাপদ তন্দ্রা (১৯৬৮) জীবন আমার বোন (১৯৭২) কালো বরফ (১৯৭৭) অশরীরী (১৯৭৯) পাতালপুরী (১৯৮১) খেলাঘর (১৯৮৮) মাটির জাহাজ (১৯৭৭)শিশুতোষ উপন্যাস চিক্কোর কাবুক (১৯৭৯)গল্পগ্রন্থ প্রতিদিন একটি রুমাল (১৯৯৪) মাহমুদুল হকের নির্বাচিত গল্প (১৯৯৯) মানুষ মানুষ খেলা (২০০৯) অগ্রন্থিত গল্প [সংগ্রহ ও সম্পাদনা, আবু হেনা মোস্তফা এনাম] (২০১০)অন্যান্য মাহমুদুল হক শিশুদের কাগজ আলাপনী, শাহীন সেতারা প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। তার কিছু সাড়া জাগানো উপন্যাসের মধ্যে খেলাঘর - চলচ্চিত্ররূপ ২০০৬। মাহমুদুল হক জন্ম ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪০ বারাসাত মৃত্যু ২১ জুলাই ২০০৮ (বয়স ৬৭) ঢাকা জাতীয়তা বাংলাদেশি যেখানের শিক্ষার্থী জগন্নাথ কলেজ পেশা সাহিত্যিক পরিচিতির কারণ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার উল্লেখযোগ্য কর্ম কালো বরফ, জীবন আমার বোন, মাটির জাহাজ, প্রতিদিন একটি রুমাল পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৭) সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
২৩৬২৯

'হাত- হদাই' একটি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নাটক
সমাধান
'হাত - হদাই' নাটকের নাট্যকার - সেলিম আল দীন সেলিম আল দীনসেলিম আল দীন (১৮ আগস্ট, ১৯৪৯ - ১৪ জানুয়ারি, ২০০৮ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সেলিম আল দীন সেলিম আল দীন জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ (বয়স ৭০) সোনাগাজী, ফেনী, বাংলাদেশ মৃত্যু ১৪ জানুয়ারি ২০০৮ (বয়স ৫৮) ঢাকা, বাংলাদেশ পেশা নাট্যকার, লেখক, অধ্যাপক জাতীয়তা বাংলাদেশী (বাংলা) নাগরিকত্ব বাংলাদেশী দম্পতি বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম তথ্য ধারা নাটক উল্লেখযোগ্য কাজ কিত্তনখোলা (১৯৮৬) কেরামতমঙ্গল (১৯৮৮) চাকা (১৯৯১) হরগজ (১৯৯২) যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩) হাতহদাই (১৯৯৭) প্রাচ্য (২০০০) নিমজ্জন (২০০২) পুরস্কার বাংলা একাডেমি পুরস্কার (সাহিত্য) (১৯৮৪) একুশে পদক (২০০৭) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩, ১৯৯৪) নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা) ১৯৯৪ শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪) মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)
২৩৬৩০

"শশাঙ্ক" শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চাঁদ
সমাধান
চন্দ্রচাঁদ, চন্দ্রমা, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর, নিশাকান্ত, মৃগাঙ্ক, রজনীকান্ত