T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৬৬১

' ইউসুফ-জোলেখা' প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছেন -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর
সমাধান
শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি। বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী।
২৩৬৬২

' নদী ও নারী' কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হুমায়ুন কবির
সমাধান
'নদী ও নারী' (১৯৪৫) হুমায়ুন কবির রচিত একটি উপন্যাস। কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস 'নদীবক্ষে' (১৯১৮) । শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' আবুল ফজল রচিত উপন্যাস 'রাঙা প্রভাত' (১৩৬৪) , 'প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৩৪৭), 'চৌচির' (১৯৩৪)।
২৩৬৬৩

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ' ভ্রান্তিবিলাস' কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কমেডি অব এররস
সমাধান
ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪ - ১৬১৬ খ্রি.) রচিত নাটক কমেডি অফ এররস অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১ খ্রি.) 'ভ্রান্তিবিলাস' রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।
২৩৬৬৪

কখনো উপন্যাস লেখেননি ----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সমাধান
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত(১৯০১ - ১৯৬০ খ্রি.) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি। তিনি অনেক কবিতা ও গদ্য রচনা করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ - ১৯৭৬ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বাঁধনহহারা (১৯২৭) , মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১) । পল্লীকবি জসীমউদ্দীন (১৯০৩ - ১৯৭৬খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বোবা কাহিনী (১৯৬৪) । কবি ও কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো সাড়া (১৯৩০) সানন্দা (১৯৩৩) ,নির্জন স্বাক্ষর (১৯৫১), তিথিডোর (১৯৫২), নীলাঞ্জনের খাতা (১৯৬০) ইত্যাদি।
২৩৬৬৫

'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শেখ ফজলল করিম
সমাধান
'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ - নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি শেখ ফজলল করিম এর রচনা।শেখ ফজলল করিম (৯ এপ্রিল ১৮৮২/বাংলা ৩০শে চৈত্র ১২৮৯ - ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬) একজন স্বনামধন্য বাঙালি সাহিত্যিক। তার লেখা কবিতার কয়েকটি লাইন,কোথায় স্বর্গ?কোথায় নরক?কে বলে তা বহুদূর?মানুষের মাঝেই স্বর্গ - নরকমানুষেতে সুরাসুর শেখ ফজলল করিম জন্ম ৯ এপ্রিল ১৮৮২ (বয়স ১৩৮) কাকিনা বাজার গ্রাম, লালমনিরহাট, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত মৃত্যু ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৬ (বয়স ৫৪) সমাধিস্থল কাকিনা, লালমনিরহাট, বাংলাদেশ পেশা কবি ভাষা বাংলা নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয় উল্লেখযোগ্য রচনাবলি পথ ও পাথেয়
২৩৬৬৬

' আত্মঘাতী বাঙালি' কার রচিত গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নীরদচন্দ্র চৌধুরী
সমাধান
'আত্মঘাতী বাঙালি' রচনা করেন নীরদ চন্দ্র চৌধুরী। অশোক মিত্র রচিত গ্রন্থ 'কবিতা থেকে মিছিল' । দেবী প্রসাদ চট্রোপাধ্যায় রচিত গ্রন্থ 'যে গল্পের শেষ নেই, 'লোকায়থ দর্শন' ।
২৩৬৬৭

' দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সমাধান
'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩ - ১৯৯৭ খ্রি). কর্তৃক রচিত। ১৯৮৫ সালে এটি প্রকাশিত হয় । তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৬) ইত্যাদি।
২৩৬৬৮

' সংস্কৃতির ভাঙা সেতু' গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সমাধান
'সংস্কৃতির ভাঙা সেতু' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ। 'সংস্কৃতির কথা' মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ। এছাড়া 'সংস্কৃতির চড়াই - উৎরাই' (প্রবন্ধ) শওকত ওসমান, 'সংস্কৃতির রুপান্তর' (প্রবন্ধ) গোপাল হালদার ও 'সংস্কৃতির সংকট' (প্রবন্ধ) বদরুদ্দিন উমর রচিত গ্রন্থ।
২৩৬৬৯

রোহিণী- বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
সমাধান
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত 'কৃষ্ণকান্তের উইল' - এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চোখের বালি'র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী' শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত ' চরিত্রহীন' এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী কিরণময়ী ও দিবাকর।
২৩৬৭০

সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সমাধান
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য বিদ্যমান। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য আলোচনা করা হলো ক্রম সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১ যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২ সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩ সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪ সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫ সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৬ সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৭ এ ভাষা প্রাচীন। এটি আধুনিক। ৮ সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯ সাধু ভাষা কৃত্রিম। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ১০ ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়মনিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে। উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!