T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৭৬১

যে ভবিষ্যৎ না ভেবে কাজ করে (এক কথায় প্রকাশ কর)

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অবিমৃষ্যকারী
সমাধান
অবিমৃষ্যকারী - [বিশেষণ পদ] যে সম্যক বিবেচনা না করিয়া কাজ করে; হঠকারী।
২৩৭৬২

যার দুই হাত সমান চলে (এক কথায় প্রকাশ কর)

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সব্যসাচী
সমাধান
সব্যসাচী - (১) [বিশেষণ পদ] উভয় হস্তে সমান কাজ করতে সক্ষস এমন, উভয় হস্ত দ্বারা শরনিক্ষেপে সমর্থ এমন। (২) [বিশেষ্য পদ] অর্জুন।
২৩৭৬৩

'চাঁদমুখ' ---এর ব্যাসবাক্য হলো -----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চাঁদের মত মুখ
সমাধান
সাধারণ গুণের উল্লেখ ব্যতীত উপমেয়র সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়। তাকে বলে উপমিত কর্মধারয় সমাস। 'চাঁদমুখ - এর ব্যাসবাক্য হলো 'মুখ চাঁদের ন্যায়।' এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত।
২৩৭৬৪

সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা (এক কথায় প্রকাশ কর)

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রত্যুদ্‌গমন
সমাধান
একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । অর্থাৎ একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে । উদাহরণ: সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা - প্রত্যুদ্গমন ।
২৩৭৬৫

' সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা' ---এই বাক্যে ' ঔষধ' শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কর্ম কারকে শূন্য
সমাধান
কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে কর্মকারক বলে। যেমন - তুমি বই পড় ; এখানে 'বই' কর্মকারক । যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। যেমন - দরিদ্রকে ধন দাও । ক্রিয়ার সময়, বিষয় ও স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - শিশুরা খেলা করছে। সুতরাং প্রশ্নে 'ঔষধ'কর্মকে কেন্দ্র করে দেয়া ক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ায় 'ঔষধ' শব্দটি কর্মকারক (শূন্য বিভক্তি)।
২৩৭৬৬

যা কষ্টে নিবারণ করা যায় (এক কথায় প্রকাশ কর)

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দুর্নিবার
সমাধান
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত – একাদিক্রমে একই গুরুর শিষ্য – সতীর্থ কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী = কর্মঠ কথায় বর্ণনা যায় না যা - অনির্বচনীয় কষ্টে নিবারণ করা যায় যা বা যা সহজে নিবারণ করা যায় না – দুর্নিবার কষ্টে লাভ করা যায় যা বা যা সহজে লাভ করা যায় না – দুর্লভ কোনভাবেই নিবারণ করা যায় না যা - অনিবার্য ।
২৩৭৬৭

যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কোনটিই নয়
সমাধান
যার কোন উপায় নেই' এর সংক্ষিপ্ত রুপ : নিরুপায় ✍ 'যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে : কৃতজ্ঞ ✍ 'যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই' এর সংক্ষিপ্ত রুপ : অবিসংবাদী ✍ 'যা দমন করা যায় না' এর সংক্ষিপ্ত রুপ : অদম্য ✍ 'ইহলোকে যা সামান্য নয়' এর সংক্ষিপ্ত রুপ : আলোকসামান্য
২৩৭৬৮

' সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা' রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বলাকা
সমাধান
প্রদত্ত পংক্তিটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১ - ১৯৪১ খ্রি) 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থের 'বলাকা' নামক কবিতার প্রথম পঙক্তি। বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। বলাকা  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর   সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা আঁধারে মলিন হল–যেন খাপে - ঢাকা বাঁকা তলোয়ার; দিনের ভাঁটার শেষে রাত্রির জোয়ার এল তার ভেসে - আসা তারাফুল নিয়ে কালো জলে; অন্ধকার গিরিতটতলে দেওদার তরু সারে সারে; মনে হল সৃষ্টি যেন স্বপ্নে চায় কথা কহিবারে, বলিতে না পারে স্পষ্ট করি, অব্যক্ত ধ্বনির পুঞ্জ অন্ধকারে উঠিছেগুমরি।
২৩৭৬৯

' কার মাথায় হাত বুলিয়েছ' ----এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ ------

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ফাঁকি দেওয়া
সমাধান
একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে 'মাথা' শব্দটি আরো কিছু ব্যবহার হলো - অঙ্গবিশেষ - তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান - ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা - রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও , চিঠি দিতে ভুল করো না। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া - ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।
২৩৭৭০

' সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ফররুখ আহমদ
সমাধান
চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮ - ১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ খ্রি.) তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'সিরাজাম মুনীরা' (১৯৫২) , 'নৌফেল ও হাতেম' (কাব্যনাট্য, ১৯৬১ ), 'মুহূর্তের কবিতা' (সনেট সংকলন' ১৯৬৩), 'হাতেমতায়ী' (কাহিনী কাব্য, ১৯৬৬) ইত্যাদি।