T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৩৮৪১

'জগদ্দল পাথর' বাগধারারটি অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গুরুভার
সমাধান
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:ছুঁচোর কেত্তন = অবিরাম কলহ। ছারখার হওয়া = ধ্বংস হওয়া। ছিচ্‌কাঁদুনে = অল্পতেই কাঁদে এমন। জগদ্দল পাথর = গুরুভার। জিলাপির প্যাঁচ = কুটিলতা।
২৩৮৪২

কোনোদিন কর্মহীন পূর্ণ অবকাশে বসন্তবাতাসে অতীতের তীর হতে যে রাত্রে বহিবে দীর্ঘশ্বাস, ঝরা বকুলের কান্না ব্যথিবে আকাশ।উপরিউক্ত চরণের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শামসুর রাহমান
সমাধান
চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' উপন্যাস থেকে নেয়া হয়েছে।
২৩৮৪৩

কোনটি নাম ধাতুর উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মুচড়ানো
সমাধান
নাম শব্দ অথ্যাৎ বিশেষ্য, বিশেষণ, অব্যয় প্রভৃতি শব্দ কখনও কখনও প্রত্যয়যোগে, কখনওবা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে ক্রিয়ারূপে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের ক্রিয়ার মূলকে নাম ধাতু বলে। যেমন - জুতা > জুতানো, বেত > বেতানো, হাত > হাতানো, বাঁকা>বাঁকানো।
২৩৮৪৪

'শক্রকে পীড়া দেয় যে,-এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পরন্তপ
সমাধান
পরন্তপ - [বিশেষণ পদ] শত্রু - নিগ্রহকারী, পরঞ্জয়, অরিন্দম। [পরম্‌ + তপ]
২৩৮৪৫

কোনটি উপসর্গ নিষ্পন্ন শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রত্যেক
সমাধান
উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়। ‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।
২৩৮৪৬

'রামগরুড়ের ছানা' বলতে কি বুঝ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গোমড়ামুখো লোক
সমাধান
➀ রামগরুড়ের ছানা কথাটির অর্থ →গোমড়ামুখো লোক ➁ 'আটকপাল' এর অর্থ →হতভাগ্য ➂ 'কেউ কাটা' অর্থ →সামান্য
২৩৮৪৭

বাংলায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সমাধান
রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
২৩৮৪৮

পরশুরাম কার ছদ্মনাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রাজশেখর বসু
সমাধান
রাজশেখর বসু (মার্চ ১৬, ১৮৮০ - এপ্রিল ২৭, ১৯৬০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, অনুবাদক, রসায়নবিদ ও অভিধান প্রণেতা। তিনি পরশুরাম ছদ্মনামে তাঁর ব্যঙ্গকৌতুক ও বিদ্রুপাত্মক গল্পগুলির জন্য সুপ্রসিদ্ধ। প্রথম জীবনে তিনি আচার্য স্যার প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কসে কর্মরত ছিলেন।
২৩৮৪৯

'রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রত্ন+আকর
সমাধান
রত্নাকর = রত্ন + আকর (অ + আ = আ)
২৩৮৫০

'বৃত্রসংহার' মহাকাব্যের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
সমাধান
‘বৃত্রসংহার’ (১৮৭৫ - ৭৭) হেমচন্দ্র বঙ্গোপাধ্যায় রচিত জনপ্রিয় আখ্যান কাব্য। মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। দুই খন্ডে (১ম খন্ড ১ - ১১ সর্গ, ২য় খন্ড ১২ - ১৫ সর্গ) প্রকাশিত হয়। বৃত্রাসুরের স্বর্গজয় ও দধীচির অস্থিনির্মিত বজ্র দ্বারা ইন্দ্রের বৃত্র বধ ও স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধার এই কাব্রের আখ্যান ভাগ। পৌরাণিক কাহিনির নূতন ব্যাখ্যা ঊনবিংশ শতাব্দীর জীবনজিজ্ঞাসা, অমিত্রাক্ষর ছন্দ্রের ব্যবহার ইত্যাদি। ব্যাপারে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’র অনুসারী। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এই কাব্য অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ এ কাব্যের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।