২৩৯৭১
' বীরবল' ছদ্মনামে কে লিখতেন?
উত্তর
প্রমথ চৌধুরী
সমাধান
প্রথম চৌধুরীর ছদ্মনাম 'বীরবল'। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম 'ভানুসিংহ ঠাকুর' । সমরেশ বসুর ছদ্মনাম 'কালকূট'।
২৩৯৭২
‘মা ছিল না বলে কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি।' এটি একটি ----
উত্তর
সরল বাক্য
সমাধান
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - পুকুরে পদ্মফুল জন্মে। যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়। তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন - যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে। পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্রবাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে, তিাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - লোকটি গরিব কিন্তু সৎ । 'মা ছিল না বলে কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি' __ এটি সরল বাক্যের নিয়মে গঠিত। সুতরাং সঠিক উত্তর (গ) ।
২৩৯৭৩
‘গাছপাথর' বাগধারাটির অর্থ ---
উত্তর
হিসাব-নিকাশ
সমাধান
'গাছপাথর ' বাগধারটির অর্থ : হিসাব - নিকাশ। গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা করা) ,অকালকুসুম (অসম্ভব বস্তু) এবং 'আঠারো আনা' বাগধারটির অর্থ :বাড়াবাড়ি করা ।
২৩৯৭৪
' তুমি অধম, তাই বলে আমি উত্তম হব না কেন?' এই প্রবাদটির রচয়িতা কে?
উত্তর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সমাধান
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের (১৮৩৮ - ১৮৯৪) বিখ্যাত উপন্যাস 'কপালকুন্ডলা' (১৮৬৬) । উপন্যাসটিতে কিছু বিখ্যাত উক্তি আছে। যেমন - 'তুমি অধম' তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন? 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ? ইত্যাদি।
২৩৯৭৫
সে নাচে তটিনী জল টলমল করে। এই বাক্যে জল শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তর
কর্মে শূন্য
সমাধান
কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির ব্যবহার: (ক)প্রথমা বা শূণ্য বা অ বিভক্তিডাক্তার ডাক। পুলিশ ডাক। ঘোড়া গাড়ি টানে। আমাকে একখানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম)রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে)অর্থ অনর্থ ঘটায়। আমার ভাত খাওয়া হলো না। সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়।
২৩৯৭৬
'postage' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
উত্তর
ডাকমাশুর
সমাধান
বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। ‘ভাষা’ শব্দের আগে ‘পরি’ উপসর্গযোগে ‘পরিভাষা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। এর আক্ষরিক অর্থ বিশেষ ভাষা। অর্থাৎ পারিভাষিক শব্দের অর্থ হলো কোনো ভাষার মধ্যে বিশেষ অর্থে ব্যবহারযোগ্য শব্দ। অন্যভাবে বলা যায়, মূল শব্দের মৌলিক অর্থ ও ভাবের সঙ্গে সংগতি রক্ষা করে এক ভাষার শব্দকে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করে যে রূপ দান করা হয় তাকেই ‘পরিভাষা’ বলে। জ্ঞান - বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে জীবন ও কর্মের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিত্যনতুন ধারণা ও উপকরণ তৈরি হচ্ছে। এগুলো প্রকাশের জন্য প্রয়োজন নতুন শব্দ। সুনির্দিষ্ট বিষয়কে ধারণকারী এসব শব্দই পরিভাষা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দকে বোঝার জন্য, অফিস - আদালত ও উচ্চশিক্ষায় ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দের প্রতিশব্দ জানার জন্য, জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রকে আরো সুপরিসর করার জন্য এবং মূলত ভাষাকে সহজভাবে উপস্থাপনের জন্যই পরিভাষার প্রয়োজন হয়। উদাহরণ : অম্লজান—oxygen, উদজান— hydrogen, নথি—file, প্রশিক্ষণ—training ইত্যাদি।
২৩৯৭৭
কোন বাক্যে নিম্নরেখ শব্দ বিশেষ্যরুপে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর
গভীর
সমাধান
যে পদে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, কাজ বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। যেমন: বই, নদী, পাখি, ফুল, ঢাকা ইত্যাদি।
২৩৯৭৮
ভালো করে পড়লে সফল হবে- বাক্যটিতে ক্রিয়ার কোন ভাবের প্রয়োগ ঘটেছে?
উত্তর
সাপেক্ষভাব
সমাধান
যে বিশিষ্ট ভঙ্গি, ধরন বা রীতির দ্বারা ক্রিয়ার কাজটি কীভাবে ঘটছে, তা বুঝতে পারা যায়, সেই বিশিষ্ট অবস্থাকে বলে ক্রিয়ার ভাব। যেমন: যদি রেখা আসে, আমার সঙ্গে দেখা করবে। ক্রিয়ার ভাব চার প্রকার। যথা:১। নির্দেশক ভাব২। অনুজ্ঞা ভাব৩। সাপেক্ষ ভাব৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ ভাব১। নির্দেশক ভাব: সাধারণ ঘটনা নির্দেশ করলে বা কিছু জিজ্ঞাসা করলে ক্রিয়াপদের নির্দেশক ভাব হয়। যথা: তারা বাড়ি যাবে। আপনি কি আসবেন?২। অনুজ্ঞা ভাব: আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়া পদের অনুজ্ঞা ভাব হয়। যেমন: চুপ করো, মিথ্যা বলবে না, মন দিয়ে পড়ো। ৩। সাপেক্ষ ভাব: একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলে। যেমন: যদি সে পড়ত, তবে পাস করত। আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার এত কষ্ট হতো না। ৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব: যে ক্রিয়াপদের বক্তা সোজাসুজি কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়। যেমন: সে যাক, বৃষ্টি আসে আসুক, তার মঙ্গল হোক।
২৩৯৭৯
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?
উত্তর
দুর্গেশনন্দিনী
সমাধান
দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।
২৩৯৮০
'লিপিমালা' রচনা করেছেন-
উত্তর
রাম রাম বসু
সমাধান
১৮০১ সালের ৪ মে রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে দ্বিতীয় পণ্ডিতির পদে মাসিক ৪০ টাকা বেতনে নিযুক্ত হন। তিনি "লিপিমালা" নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যা ১৮০২ সনে শ্রীরামপুর থেকে প্রকাশিত হয়।