২৪৪২১
'সকল দেশের রানী সে যে-আমার জন্মভূমি'- চরণটি কোন কবির রচনা?
উত্তর
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
সমাধান
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯ জুলাই ১৮৬৩ - ১৭ মে ১৯১৩) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা। তিনি ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন। এই গানগুলি বাংলা সংগীত জগতে দ্বিজেন্দ্রগীতি নামে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত গান "ধনধান্যে পুষ্পে ভরা", "বঙ্গ আমার! জননী আমার! ধাত্রী আমার! আমার দেশ" ইত্যাদি আজও সমান জনপ্রিয়। তিনি অনেকগুলি নাটক রচনা করেন। তাঁর নাটকগুলি চার শ্রেণিতে বিন্যস্ত: প্রহসন, কাব্যনাট্য, ঐতিহাসিক নাটক ও সামাজিক নাটক। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে জীবদ্দশায় প্রকাশিত আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ) ও মন্দ্র বিখ্যাত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একঘরে, কল্কি - অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার - পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল - বিজয় ইত্যাদি।
২৪৪২২
আলাদ্দিন আল আজাদ কোন গ্রন্থের রচয়িতা?
উত্তর
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
সমাধান
আলাউদ্দির আল আজাদ রচিত গ্রন্থ বা উপন্যাস হচ্ছে ‘ তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ (১৯৬০)। তার অন্যান্য রচনার মধ্যে কর্ণফুলী (১৯৬২), ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪), খসড়া কাগজ (১৯৮৬), স্বাগতম ভালবাসা (১৯৯০) প্রভৃতি প্রধান। পক্ষান্তরেম ‘আর্তনাদ’ ও ‘নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক এ উপন্যাস দুটির রচিয়তা যথাক্রমে শওকত ওসমান ও সেলিনা হোসেন। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রচনা।
২৪৪২৩
বাংলা কবিতার ছন্দ প্রধানত কত প্রকার?
উত্তর
তিন প্রকার
সমাধান
বাংলা কবিতার ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার। ১. স্বরবৃত্ত ছন্দ ২. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ৩. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ.
২৪৪২৪
ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম?
উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সমাধান
বাংলা সাহিত্যে অনেক সাহিত্যিককে তাদের সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে ছদ্মনাম ব্যবহার করতে দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ‘ভানুসিংহ’। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’। মোহিত লাল মজুমদারের ছদ্মনাম কৃত্তিবাস ওঝা ও সত্যসুন্দর দাস। অন্যদিকে, সমাজ সংস্কারক রামমোহন রায় দিল্লির বাদশাহ কর্তৃক ‘রাজা’ উপাধি লাভ করেন।
২৪৪২৫
”আমি বিজয় দেখেছি” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর
এম.আর. আখতার মুকুল
সমাধান
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ‘আমি বিজয় দেখেছি’ - এর রচিয়তা এম. আর. আখতার মুকুল। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে একাত্তরের বর্ণমালা, মহাপুরুষ, জয় বাংলা, ওরা চার জন, বিজয়’৭১ প্রভৃতি অন্যতম। পক্ষান্তরে, মেজর রফিকুল ইসলাম রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে একাত্তরের বিজয় গাঁথা, মুক্তিযুদ্ধ ও বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, প্রতিশোধের প্রথম প্রহর প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বদরুদ্দীন ওমর রচিত গ্রন্থের মধ্যে সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা, যুদ্ধপূর্ব বাংলাদেশ, যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ, ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ইত্যাদি প্রধান।
২৪৪২৬
কবর কবিতার দাদু কোন হাটে তরমুজ বিক্রী করতেন?
উত্তর
শাপলার হাটে
সমাধান
বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা
''আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু, উজান - তলীর গাঁ। ''
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু - পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
২৪৪২৭
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধানত কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন?
উত্তর
ভাষাতত্ত্ববিদ
সমাধান
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক, অনুবাদক,চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যারা অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অন্যতম। জন্ম : ১০ জুলাই ১৮৮৫, পশ্চিমবঙ্গের পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে।
২৪৪২৮
”বটতলার উপন্যাস” গ্রন্থ কে রচনা করেন?
উত্তর
রাজিয়া খান
সমাধান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রাজিয়া খানের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরে। তার প্রকাশিত উপন্যাসগুলো হলো ‘বটতলার উপন্যাস’ (১৯৫৯), ‘অনুকল্প’ (১৯৫৯) ‘প্রতিচিত্র’ (১৯৭৬), ‘চিত্রকাব্য’ (১৯৮০), ‘দ্রৌপদী’ (১৯৯৩), ‘পাদবিক’ (১৯৯৮) ইত্যাদি। রিজিয়া রহমানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ঘর - ভাঙা - ঘর, উত্তর পুরুষ, রক্তের অক্ষয়, বং থেকে বাংলা, অলিখিত উপাখ্যান, অরণ্যের কাছে ঝড়ের মুখোমুখি, সবুজ পাহাড়, ধবল জ্যোৎস্না, হে মানবী ইত্যাদি।
২৪৪২৯
”কবর” নাটক কার রচনা?
উত্তর
মুনীর চৌধুরী
সমাধান
শিক্ষাবিদ, নাটকার, সমালোচক ও বাগ্মী চৌধুরী (১৯২৫ - ১৯৭১ খ্রি.) ‘কবর’ (১৯৬৬) নাটকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক হলো - ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ (১৯৬২),‘চিঠি’ (১৯৬৬), ‘দপ্তকারণ্য’ (১৯৬৬) ইত্যাদি।
২৪৪৩০
বুলবুল চৌধুরী খ্যাত-
উত্তর
নৃত্যের জন্য
সমাধান
বুলবুল চৌধুরি (১৯১৯ - ১৯৫৪) নৃত্যশিল্পী ও লেখক হিসেবে খ্যাত হলেও তিনি তার নৃত্যের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তার আসল নাম রশীদ আহমদ চৌধুরী। বুলবুল চৌধুরীর নাচ দেখে ইরানের শাহেন শাহ, ভারতের তৎকালীর প্রধানমন্ত্রী জওহরলার নেহেরু, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান, সাম্যবাদী নেতা রজনী পাম দত্ত প্রমুখ রাষ্ট্রনায়ক ও মনীষী বিমুগ্ধ হন এবং তারা বুলবুল চৌধুরীকে ‘মহৎ নৃত্যুশিল্পী’ রুপে আখ্যায়িত করেন। তার স্মৃতিকে অম্লান রাখার জন্য মাহমুদ নুরুল হুদা কর্তৃক ১৯৫৫ সালে ঢাকায় ‘বুলবুল ললিতকলা একাডেমি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য বুলবুল চৌধুরী নামে পুরাতন ঢাকার আরেক জন লেখক রয়েছেন।