T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৪৪৩১

জীবনানন্দ দাশের জন্ম স্থান-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বরিশাল
সমাধান
বাংলা সাহিত্যে রুপসী বাংলার কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৯ সালের বরিশালে জন্মগ্রহন করেন। কবির আদি নিবাস গাওপাড়া গ্রাম, বিক্রমপুর। তার পিতা ছিলেন বরিশাল ব্রজমোহন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। মা কুসুমকুমারী দাশও একজন কবি ছিলেন।
২৪৪৩২

”অচলা” শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসের নায়িকা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গৃহদাহ
সমাধান
অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘গৃহদাহ’। উপন্যাসটি ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। মহিম ও সুরেশের প্রতি অচলার আকর্ষণ - বিকর্ষণ এই উপন্যাসের মূল উপকরণ। বিবাহ - বহির্ভূত কথিত অসামাজিক প্রেমের কাহিনী এ উপন্যাস নিখুঁত ঘটনা সংস্থানে ও বর্ণনার মনস্তাত্ত্বিক সূক্ষ্নতার দ্বারা আলোচিত হয়ে উঠেছে।
২৪৪৩৩

”চাচা কাহিনীর” লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মুজতবা আলী
সমাধান
ক. আধুনিক কবি - সাহিত্যিকদের মধ্যে সৈয়দ শামসুল হক অন্যতম। তার বিখ্যাত গ্রস্থ ‘নিষিদ্ধ লোবান’। গ. শওকত ওসমানের বিখ্যাত গ্রস্থ ‘ক্রীতদাসের হাসি’। খ. সরস, মাজিত, বৃদ্ধিদীপ্ত সাহিত্য ধারার প্রবর্তক ষৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ - রসকিতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। ‘চাচ কাহিনী’ (১৯৫৯) তার বিখ্যাত গ্রস্থ। ঘ. মুসলিম রেঁনেসার কবি ফররুখ আহমদ। তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রস্থ ‘সাত সাগেরের মাঝি’ (১৯৪৪)।
২৪৪৩৪

বাংলা সাহিত্যের আদিগ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চর্যাপদ
সমাধান
বাংলা সাহি্ত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ। সে হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রস্থ। ‘চর্যাপদ’ হলো গানের সংকলন, যা রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রস্থশালা থেকে ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে ‘চর্যাপদ’ আবিস্কার করনে। ‘শূন্যপুরাণ’ রামাইপগিুত রচিত মধ্যযুগের প্রথম দিককার বৌদ্ধ ধর্মীয় গ্রস্থ।
২৪৪৩৫

কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রাকৃত
সমাধান
প্রাকৃত মধ্যভারতীয় আর্যভাষা। প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা বৈদিক বা সংস্কৃত থেকে এর উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। সংস্কৃত ভাষার যে রূপটি ছিল সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা, তা এক সময় শিথিল ও সরল হয়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন আঞ্চলিক রূপ ধারণ করে। কালক্রমে এগুলিকেই বলা হয় প্রাকৃত ভাষা।
২৪৪৩৬

মানুষের ভাব প্রকাশের বাহন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভাষা
সমাধান
ভাষা মানুষে - মানুষে যোগাযোগের প্রধানতম বাহন। ভাষার কতটুকু মানুষের কোন জন্মগত বৈশিষ্ট্য আর কতটুকু পরিবেশনির্ভর সে ব্যাপারে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীদের মতভেদ আছে। তবে সবাই একমত যে স্বাভাবিক মানুষমাত্রেই ভাষা অর্জনের মানসিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়, এবং একবার ভাষার মূলসূত্রগুলি আয়ত্ত করে ফেলার পর বাকী জীবন ধরে মানুষ তার ভাষায় অসংখ্য নতুন নতুন বাক্য সৃষ্টি করতে পারে। এরকম অসীম প্রকাশক্ষমতাসম্পন্ন ভাষা একান্তই একটি মানবিক বৈশিষ্ট্য; মানুষ ছাড়া আর কোন প্রাণী এই ক্ষমতার অধিকারী নয়। প্রতিটি মানুষ ভাষা আয়ত্ত করার সহজাত বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নেয় এবং ঐ মানুষটি যে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক পর্যায়ের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিবেশ - বেষ্টিত ভাষিক সমাজের অন্তর্গত, সেই সমাজে সে দৈনন্দিন ভাষাপ্রয়োগের মাধ্যমে তার নিজস্ব ভাষাজ্ঞান বিকশিত করে।
২৪৪৩৭

”জয়গুন” কোন উপন্যাসের চরিত্র?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সূর্যদীঘল বাড়ি
সমাধান
১৯৫৫ সালে সৃর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের গ্রামজীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রস্থটি । বিশেষত গ্রামীণ মুসলমান জীবনের বিশ্বস্ত এবং আন্তরিক পরিচয় সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বিরল । প্রকাশের অব্যবহিত পর থেকে বাস্তব চিত্রন, চরিত্রোয়নের স্বাভাবিকতা ও প্রকাশ ভঙ্গিরি ঋজুতার জন্য উপন্যাসটি সমালোচক ও পাঠকসমাজে সমাদৃত হয়েছে । জয়গুনদের বাড়িটিতে রাতে কথিত ভূতের ঢিল পড়ে। বাড়িটিতে নিভর্য়ে থাকা যায় না। তাই সূর্য - দীঘল বাড়ি অমঙ্গলের প্রতীকে পরিণত হয়। উপন্যাসে গ্রামের মানুষের দারিদ্র্য, কুসংক্কার, মোড়ল ও মোল্লাদের দৌরাত্ম্য, হৃদয়হীনা তুলে ধরা হয়েছে, যে কারণে এটি হয়ে উঠেছে গ্রামীণ জীবনের যথার্থ উপস্থাপনা । উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র : জয়গুন, তার ছেলে হাসু, মেয়ে মায়মুন, শফি, ডা. রমেশ চক্রবতী: মোড়ল গদু প্রধান ।
২৪৪৩৮

বেদের ভাষাকে কি ভাষা বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বৈদিক ভাষা
সমাধান
বৈদিক ভাষা ভারতে আগত আর্য জাতির আদি ভাষা। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের দিকে আর্যরা ভারতবর্ষে আসা শুরু করেছিল। উত্তর - পশ্চিম ভারত দিয়ে এই আগত এই জনগোষ্ঠী খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০ অব্দের দিকে বঙ্গদেশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। খ্রিষ্ট - পূর্ব ১০০০ বৎসরের ভিতরে ভারতীয় ইন্দো - ইরানিয়ান ভাষার পরিবর্তন ঘটে।
২৪৪৩৯

”মহুয়া পালা” কে রচনা করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দ্বিজকানাই
সমাধান
নমশূররদের ব্রাহ্মণ কবি দ্বিজ কানাই ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দের দিকে মহুয়া পালা রচনা করেন বলে অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেনের ধারণা । এই পালা কাহিনীর সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত প্রেমবঞ্চনার বেদনার সাদৃশ্য রয়েছে। ভবঘুরে বেদে দল বামনকান্দা গ্রামে এসে উপস্থিত হয়। ঐ গ্রামের জমিদার নদের চাঁদ মহুয়ার রূপে মুগ্ধ হয়ে বেদে দলকে গ্রামে থাকার জায়গা ও চাষের জমি দেন। এক সময় মহুয়া ও হুমরা বেদে এ সম্পর্কের কথা জানতে পেরে এ সম্পর্ক অস্বীকার করেন ।
২৪৪৪০

কে বহু ভাষাবিদ পন্ডিত ও গবেষক ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
সমাধান
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১০ জুলাই ১৮৮৫ - ১৩ জুলাই ১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত চব্বিশ পরগণা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।