২৪৫০১
চর্যাপদ প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
উত্তর
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
সমাধান
চর্যাপদ ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
২৪৫০২
পৃথিবীর সকল ধর্মীয় গ্রন্থের মধ্যে সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ কোনটি?
উত্তর
কুরআন শরীফ
সমাধান
পৃথিবীর সর্বধিক পঠিত গ্রন্থ হলো আল কুরআন। এটি মানবজাতির সঠিক পথে চালনা করার দিশারি। এটির মধ্য মানুষের প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় সবকিছুর কথা বলা আছে। এই কিতাবের মধ্য বিন্দুমাত্র ভুল বা মিথ্যা নেই। বিশ্বে এমন কোন কিতাব নেই যেটা এই পবিত্র কিতাব কুরআনের সমান পঠিত হয়।
২৪৫০৩
'দুধের মাছি' প্রবাদটির অর্থ কি?
উত্তর
সুসময়ের বন্ধু
সমাধান
সু সময়ের বন্ধু। দুঃসময়ে বন্ধুর অভাব হলেও সুসময়ে বন্ধুর অভাব হয় না। সুসময়ের বন্ধুকে 'দুধের মাছি' দিয়ে প্রতীকি অর্থে প্রকাশ করা হয়।
২৪৫০৪
যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে। এক কথায়--
উত্তর
অবিমৃষ্যকারী
সমাধান
যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে। এক কথায় - - অবিমৃষ্যকারী
২৪৫০৫
'ইঁদুর কপালে'-এর বিপরীত বাগধারা কোনটি?
উত্তর
একাদশে বৃহস্পতি
সমাধান
'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ = মন্দ ভাগ্য
'অদৃষ্টের পরিহাস' বাগধারাটির অর্থ = ভাগ্যের বিড়ম্বনা
'অন্ধকার দেখা' বাগধারাটির অর্থ = হতবুদ্ধি
'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারাটির অর্থ = সৌভাগ্যের বিষয়
'কেউকেটা' বাগধারাটির অর্থ = নিন্দার্থে গণ্যমান্য লোক
স্পষ্টত "ইঁদুর কপালে" বাগধারাটির বিপরীত বাগধারা "একাদশে বৃহস্পতি"
২৪৫০৭
ক্রিয়ামূল, ক্রিয়ারকাল ও পুরুষ ইত্যাদি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
উত্তর
রুপতত্ত্ব
সমাধান
সব ভাষার ব্যাকরণেই প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয় –১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology)৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) এবং৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics)
এ ছাড়া অভিধানতত্ত্ব (Lexicography) ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতিও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়।
১. ধ্বনিতত্ত্ব ধ্বনি: মানুষের বাক প্রত্যঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালি, মুখবিবর, জিহ্বা, আল - জিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, দাঁত, মাড়ি, চোয়াল, ঠোট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ‘ধ্বনি’ বলা হয়। বাক প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনির সুক্ষ্মতম মৌলিক অংশ বা একককে (Unit) ধ্বনিমূল (Phoneme) বলা হয়। ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী, উচ্চারণের স্থান, বর্ণমালা, ধ্বনি, ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিন্যাস, সন্ধি[১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি] , ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
২. রূপতত্ত্বঃ এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়, শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ (morpheme)। রূপ গঠন করে শব্দ। সেই জন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব (Morphology) বলা হয়। শব্দ, প্রত্যয়, পুরুষ, উপসর্গ, অনুসর্গ, কারক ও বিভক্তি, বচন, ক্রিয়ার কাল, ক্রিয়ামূল, দ্বিরুক্ত শব্দ, পদাশ্রিত নির্দেশক, সমাস, লিঙ্গ ইত্যাদি শব্দতত্ত্বে বা রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
৩. বাক্যতত্ত্বঃ মানুষের বাক্প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনি সমন্বয়ে গঠিত শব্দসহযোগে সৃষ্ট অর্থবোধক বাক প্রবাহের বিশেষ বিশেষ অংশকে বলা হয় বাক্য (Sentence)। বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বাচ্য, উক্তি, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন ও বিয়োজন, এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্ৰম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। বাক্যের মধ্যে কোন পদের পর কোন পদ বসে, কোন পদের স্থান কোথায় - বাক্যতত্ত্বে এসবের পূর্ণ বিশ্লেষণ থাকে। বাক্যতত্ত্বকে পদক্রমও বলা হয়।
৪. অর্থতত্ত্বঃ শব্দের অর্থবিচার, বাক্যের অর্থবিচার, অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ, যেমন—মুখ্যার্থ, গৌণার্থ, বিপরীতার্থ ইত্যাদি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
২৪৫০৮
যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তার নাম---
উত্তর
প্রকৃতি
সমাধান
➡ ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধযুক্ত পদকে কারক বলে।
➡ যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তার নাম হলো প্রকৃতি।
➡ যে সব চিহ্নের সংযোগে কারক নির্দিষ্ট করা যায় তাকে বিভক্তি বলে।
➡ বিরতি ও আবেগের ভিন্নতা প্রকাশ করার জন্য যেই চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়, তাদেরকে বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন বা ছেদ চিহ্ন বলে।
২৪৫০৯
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্নোক্ত কোন ভাষা থেকে?
উত্তর
প্রাকৃত
সমাধান
প্রাকৃত ভাষা বলতে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে লোকমুখে প্রচলিত স্বাভাবিক ভাষাগুলিকে বোঝায়। প্রাকৃত ভাষাগুলি ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের ইন্দো - ইরানীয় শাখার ইন্দো - আর্য শাখার প্রাচীন নিদর্শন। এগুলি সংস্কৃতের মত মার্জিত সাহিত্যিক ভাষা ছিল না। তবে পরবর্তীকালে সংস্কৃতের মত এগুলিও মৃত ভাষায় পরিণত হয়।
প্রাকৃত ভাষাগুলির মধ্যে পালি ভাষা বৌদ্ধ সাহিত্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হত। প্রাকৃত ভাষাগুলি থেকেই নানা বিবর্তনের মাধ্যমে আধুনিক ইন্দো - আর্য ভাষাগুলির উদ্ভব হয়েছে। মাগধী প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা, অসমীয়া, বিহারী, ও ওড়িয়া ভাষা; শৌরসেনী প্রাকৃত ভাষা থেকে পশ্চিমী হিন্দি ও পাঞ্জাবি ভাষা; অর্ধমাগধী প্রাকৃত ভাষা থেকে পূর্বী হিন্দি; এবং মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত থেকে মারাঠি ভাষার উদ্ভব হয়েছে বলে মনে করা হয়।
২৪৫১০
'শকনি মামা' এর অর্থ কি?
উত্তর
কুচক্রী মামা
সমাধান
'শকুনি মামা' এর অর্থ কুচক্রী মামা।