২৪৫৮১
'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন--
উত্তর
শওকত ওসমান
সমাধান
'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন - - শওকত ওসমান।
শেখ আজিজুর রহমান (২ জানুয়ারি ১৯১৭–মে ১৪, ১৯৯৮), যিনি শওকত ওসমান কলমি নামে অধিক পরিচিত, বাংলাদেশের একজন চিন্তক, লেখক ও কথাসাহিত্যিক।
তিনি একাধারে নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, রাজনৈতিক লেখা, শিশু - কিশোর সাহিত্য রচনা করেছেন।
তার উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে :
আমলার মামলা (১৯৪৯),
পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা (১৯৯০),
তস্কর ও লস্কর,
কাঁকর মনি
২৪৫৮২
'রিকশা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ-
উত্তর
জাপানি
সমাধান
রিকশা, হারিকিরি জাপানি ভাষার শব্দ
২৪৫৮৩
শেষের কবিতা কোন ধরনের গ্রন্থ?
উত্তর
উপন্যাস
সমাধান
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যধর্মী উপন্যাস। এটি ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রবাসী পত্রিকায় ছাপা হয়। অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ এ উপন্যাসের চরিত্র। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও’ এ কবিতাটি দিয়ে উপন্যাস শেষ হয়েছে।
২৪৫৮৪
”তামার বিষ” অর্থ কি?
উত্তর
অর্থের কুপ্রভাব
সমাধান
অপশনে অন্য গুলো সঠিক নয়।
তামার বিষ শব্দের অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব।
২৪৫৮৫
"স্বাধীনতা তুমি" কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর
শামসুর রাহমান
সমাধান
‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি রচনা করেছেন শামসুর রাহমান। তার পৈতৃক নিবাস নরসংদী জেয়ার পাড়াতলি গ্রামে। তার ডাক নাম বাচ্চু। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লিখতেন। তার অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০), ‘রৌদ্র করোটিতে’ (১৯৬৩), ‘বিধ্বস্ত নীলিমা’ (১৯৬৭), ‘নিজ বাসভূমে’ ইত্যাদি।
২৪৫৮৬
”স্কুল পালিয়ে কেউ রবীন্দ্রনাথ হয় না” - পালিয়ে কোন কারকে কী বিভক্তি?
উত্তর
অপাদানে সপ্তমী
সমাধান
যা থেকে কোন কিছু চলিত, ভীত, উৎপন্ন, গৃহীত, পতিত, বিরত, হয় তাকে অপাদান কারক বলে। ' পালিয়ে ' অপাদনে সপ্তমী বিভক্তি।
২৪৫৮৭
সন্ধি সম্বন্ধে ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচনা করা হয়?
উত্তর
ধ্বনিতত্ত্ব
সমাধান
সন্ধি সম্বন্ধে ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়।
ধ্বনিতত্ত্ব (ইংরেজি: Phonology) ভাষাবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে কোন নির্দিষ্ট ভাষার ধ্বনি - ব্যবস্থা আলোচিত হয়। এতে বাক ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সৃজিত ধ্বনির ভৌত উৎপাদন ও অনুধাবন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ভাষাবিজ্ঞানের ধ্বনিতত্ত্ব বিভাগে ধ্বনির গঠন, বিকৃতি, পুনগঠন ও পরিবর্তনগুলো আলোচিত হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় ভাষার ধ্বনিগুলো সাধারণত উচ্চারণীয় ধ্বনিতত্ত্ব, মূলধ্বনিতত্ত্ব ও শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্বকে প্রধান্য দেয়া হয়।
উচ্চারণীয় ধ্বনিতত্ত্ব: উচ্চারণীয় ধ্বনিতত্ত্বে বাকযন্ত্রের সহায়তায় ধ্বনিগঠন ও পরিবর্তনের দিক আলোচনা হরা হয়।
মূলধ্বনিতত্ত্ব: মূলধ্বনিতত্ত্বে ব্যবহারিক ধ্বনির বৈশিষ্ট, বিন্যাস বিশ্লেশণ করা হয়।
শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্ব: শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনিগঠনের সময় গলা ও মুখের বিভিন্ন অংশে (বাকযন্ত্রের) বাতাসের যে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে, তারই পর্যালোচনা হয় এই শ্রুতিগতধ্বনিতত্ত্বের মাধ্যমে।
২৪৫৮৮
'তোমাদের কখন আসা হলো' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
উত্তর
ভাববাচ্য
সমাধান
যে বাচ্যে কর্তা বা কর্ম নয়, ক্রিয়াই প্রধান হয়ে ওঠে, তাকে ভাববাচ্য বলে। যেমন - তোমাদের কখন আসা হলো। যে বাচ্যে কর্মই প্রধান হয়ে ওঠে এবং ক্রিয়া তাকেই অনুসরণ করে, তাকে বলা হয় কর্মবাচ্য। যেমন - তোমাদের (দ্বারা) কর্তৃক কখন আসা হলো? যে বাক্যে কর্তা ক্রিয়া নিস্পন্ন করে এবং বাক্যের মধ্যে প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্তৃবাচ্য বলে। যেমন - তোমরা কখন এলে?
২৪৫৮৯
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে?
উত্তর
ফ্রান্সিস জুলিয়ান
সমাধান
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার দেয়া হয়েছে ফ্রান্সিস জুলিয়ান।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১২ সালের মার্চে ফ্রান্সিসকে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ সম্মাননা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশী বন্ধুদের কাছে ‘জুলিয়ান ভাই’ হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সিস ১৯৬৮ সালে ভারতের বিহারে অক্সফামের একটি প্রকল্পে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশ শরণার্থী শিবিরে তিনি কাজ শুরু করেন।
তিনি ১৯৭১ সালে অক্সফামের ত্রাণ তৎপরতায় সমন্বয় করেন। ভারতের সীমান্ত এলাকাগুলোতে তখন অক্সফাম বাংলাদেশি শরণার্থী শিবিরগুলোতে সহায়তা দেয়।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্সিস বাংলাদেশের ত্রাণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।
ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের মলভারেনে। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
২৪৫৯০
'মেধাবী' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
উত্তর
মেধা+বীন
সমাধান
ধাতু বা ক্রিয়ার সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - রাঁধ + উনি = রাঁধুনি, ডুব + অন্ত = ডুবন্ত। শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন - মেধা + বীন = মেধাবী, বর্ষ + ইক = বার্ষিক। ‘বিন’ ( - বী) প্রত্যয়টি ‘আছে’ অর্থে যুক্ত হয়। ‘বিন’ প্রত্যয়টি প্রথমার একবচনে পুংলিঙ্গ ‘বী’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘বিনী’ এবং সমাসে পূর্বপদে হলে ‘বি’ হয়। যেমন - মেধাবী, মেধাবিনী, মায়াবী, মায়াবিনী ইত্যাদি।