২৪৬১১
”একুশে ফেব্রূয়ারি” কী ধরনের রচনা?
উত্তর
কবিতা সংকলন
সমাধান
'একুশে ফেব্রুয়ারি ' হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদিত একটি সাহিত্য সংকলন।
একুশে ফেব্রুয়ারির স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে এটি প্রকাশিত হয়।
২৪৬১২
'ছোট কিন্তু রসে ভরা'- বাক্যটিকে সরল বাক্যে রুপান্তরিত করলে হবে-
উত্তর
ছোট হলেও রসে ভরা
সমাধান
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে। প্রশ্নে প্রদত্ত 'ছোট কিন্তু রসে ভরা' বাক্যটির সরল রূপ হলো - 'ছোট হলেও রসে ভরা'।
২৪৬১৩
বাংলাদেশের চেতনার প্রবাহরীতির উপন্যাস কে লিখেছেন?
উত্তর
জহির রায়হান
সমাধান
বাংলাদেশের চেতনার প্রবাহরীতির উপন্যাস লিখেছেন - জহির রায়হান।
ঔপন্যাসিক জহির রায়হানের উপন্যাসসমূহে বাংলাদেশের চেতনা প্রবাহিত হয়েছে।
২৪৬১৪
শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে খ্যাত সাহিত্যিকের নামঃ
উত্তর
ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সমাধান
শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে বিদ্যাসাগর সুশৃংখলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।
২৪৬১৫
”পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়” কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় কি?
উত্তর
মুক্তিযুদ্ধ
সমাধান
সৈয়দ শামসুল হকের রচিত ' পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের মৌল বিষয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
২৪৬১৬
'ছায়াহরিণ' কার গ্রন্থ?
উত্তর
আহসান হাবীব
সমাধান
'ছায়াহরিণ' (১৯৬২) আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ। তার কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বস্তুনিষ্ঠতা ও বাস্তব জীবনবোধ প্রাধান্য পেয়েছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো - রাত্রিশেষ (১৯৪৭), সারাদুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), ও দুই হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০)।
২৪৬১৭
তৃষ্ণার্ত --- সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর
তৃষ্ণা +ঋত
সমাধান
অ - কার বা আ কারের পর ' ঋত ' থাকলে অ, আ + ঋ উভয় মিলে ' আর' হয়।
যেমন - তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত
২৪৬১৮
”কেরী সাহেবের মুন্সী” কার লেখা?
উত্তর
প্রমথনাথ বিশী
সমাধান
প্রথমনাথ বিশী সাহিত্য সমালোচক হিসেবে খ্যাত।
কেরী সাহেবর মুন্সী - ছাড়া ও অন্য উপন্যাস হল পদ্না, চলনবিল, লালকেল্লা, বঙ্গভঙ্গ ইত্যাদি।
২৪৬১৯
”বন্দী শিবির থেকে” এর বন্দী কে?
উত্তর
শামসুর রাহমান
সমাধান
বন্দী শিবির থেকে
- শামসুর রাহমান
ঈর্ষাতুর নই, তবু আমি
তোমাদের আজ বড় ঈর্ষা করি। তোমরা সুন্দর
জামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপ জমাও,
কখনো সেজন্যে নয়। ভালো খাও দাও,
ফুর্তি করো সবান্ধব
সেজন্যেও নয়।
বন্ধুরা তোমরা যারা কবি,
স্বাধীন দেশের কবি, তাদের সৌভাগ্যে
আমি বড়ো ঈর্ষান্বিত আজ।
যখন যা খুশি
মনের মতো শব্দ কী সহজে করো ব্যবহার
তোমরা সবাই।
যখন যে শব্দ চাও, এসে গেলে সাজাও পয়ারে,
কখনো অমিত্রাক্ষরে, ক্ষিপ্র মাত্রাবৃত্তে কখনো - বা।
সেসব কবিতাবলী, যেন রাজহাঁস
দৃপ্ত ভঙ্গিমায় মানুষের
অত্যন্ত নিকটে যায়, কুড়ায় আদর।
অথচ এদেশে আমি আজ দমবদ্ধ
এ বন্দী - শিবিরে
মাথা খুঁড়ে মরলেও পারি না করতে উচ্চারণ
মনের মতন শব্দ কোনো।
মনের মতন সব কবিতা লেখার
অধিকার ওরা
করেছে হরণ।
প্রকাশ্য রাস্তায় যদি তারস্বরে চাঁদ, ফুল, পাখি
এমনকি নারী ইত্যাকার শব্দাবলী
করি উচ্চারণ, কেউ করবে না বারণ কখনো।
কিন্তু কিছু শব্দকে করেছে
বেআইনী ওরা
ভয়ানক বিস্ফোরক ভেবে।
স্বাধীনতা নামক শব্দটি
ভরাট গলায় দীপ্ত উচ্চারণ করে বারবার
তৃপ্তি পেতে চাই। শহরের আনাচে কানাচে
প্রতিটি রাস্তায়
অলিতে - গলিতে,
রঙিন সাইনবোর্ড, প্রত্যেক বাড়িতে
স্বাধীনতা নামক শব্দটি আমি লিখে দিতে চাই
বিশাল অক্ষরে।
স্বাধীনতা শব্দ এত প্রিয় যে আমার
কখনো জানিনি আগে। উঁচিয়ে বন্দুক,
স্বাধীনতা, বাংলাদেশ - এই মতো শব্দ থেকে ওরা
আমাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখছে সর্বদা।
অথচ জানেনা ওরা কেউ
গাছের পাতায়, ফুটপাতে
পাখির পালকে কিংবা নারীর দু’চোখে
পথের ধুলায়
বস্তির দুরন্ত ছেলেটার
হাতের মুঠোয়
সর্বদাই দেখি জ্বলে স্বাধীনতা নামক শব্দটি।
২৪৬২০
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রবতীর পিতার নাম কি?
উত্তর
দ্বিজ বংশীদাস
সমাধান
মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর পিতা দ্বিজ বংশীদাস ' 'মনসামঙ্গলের' অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ, মলুয়া গীতিকা রচনা করেন।