২৪৬৫১
এক বা একাধিক বর্ণ মিলে কোনো অর্থ প্রকাশ করলে তাকে কি বলে?
উত্তর
শব্দ
সমাধান
এক বা একাধিক বর্ণ মিলে কোনো অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে।
শব্দ হলো অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, যা বাক্য গঠনের মূল উপাদান। শব্দ একাধিক বর্ণ ও অক্ষর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে ।
বাংলা ভাষার শব্দকে উৎপত্তিগত দিক দিয়ে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ ভাগগুলো হলো : তৎসম শব্দ, অর্ধ - তৎসম শব্দ, তদ্ভব শব্দ, দেশি শব্দ ও বিদেশি শব্দ।
গঠন অনুসারে শব্দকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ (ক) মৌলিক শব্দ এবং (খ) সাধিত শব্দ
২৪৬৫৩
'দুর্যোগ' এর সন্ধিবিচ্ছেদ -
উত্তর
দুঃ+যোগ
সমাধান
ব্যাখাঃ দূর্যোগ এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো
দুঃ + যোগ = দূর্যোগ
২৪৬৫৪
'দৈনিক' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর
দিন + এক
সমাধান
ব্যাখাঃ দৈনিক এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হচ্ছে
দৈনিক = দিন + এক
২৪৬৫৫
শব্দের আগে বসে কোনটি?
উত্তর
উপসর্গ
সমাধান
‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।
‘তাপ’ (বিশেষ্য পদ) তৎসম পদ। ‘তাপ’ অর্থ উষ্ণতা বা উত্তাপ। এর পূর্বে ‘প্র’ বা ‘অনু’ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে প্রতাপ (প্র + তাপ) যার অর্থ পরাক্রান্ত বা বীরত্ব। অনুতাপ (অনু + তাপ) যার অর্থ অনুশোচনা বা আফসোস ইত্যাদি নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে এবং ‘তাপ’ শব্দের অর্থের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আবার ‘প্র’ বা ‘অনু’ এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই বা এগুলো স্বাধীনভাবে কোন বাক্যেও ব্যবহৃত হতে পারে না। তাই ভাষাবিদগণ এরূপ অব্যয়সূচক শব্দ বা শব্দাংশের নাম দিয়েছেন 'উপসর্গ'। যেমন - ‘হার’ একটি শব্দ। এর সাথে উপ, আ, প্র, বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে উপহার, আহার, প্রহার, বিহার শব্দ গঠিত হয়েছে। এভাবে উপসর্গের সাহায্যে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভার সমৃদ্ধি লাভ করেছে। অতএব, কতকগুলো অব্যয় নামবাচক বা কৃদান্ত শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরির্বতন সাধন করে, এগুলোকে উপসর্গ বলে।
২৪৬৫৬
‘আমি বিজয় দেখেছি' -এই গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর
এম আর আখতার মুকুল
সমাধান
' আমি বিজয় দেখেছি' - এই গ্রন্থের রচয়িতা এম আর আখতার মুকুল।
এম আর আখতার মুকুল (৯ আগস্ট ১৯৩০ - ২৬ জুন ২০০৪) একজন বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রচারিত স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের চরমপত্রের পরিচালক, লেখক ও কথক ছিলেন।
'চরমপত্র' অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপক সাহস, উৎসাহ - উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল৷
তার প্রকাশিত গ্রন্থ সম্পাদনা:
চল্লিশ থেকে ’৭১
একুশের দলিল
শতাব্দীর কান্নাহাসি
আমি বিজয় দেখেছি
একাত্তরের বর্ণমালা
মহাপুরুষ
জয় বাংলা
ওরা চার জন
বিজয়'৭১
২৪৬৫৭
প্রত্যয় কয় প্রকার?
উত্তর
২ প্রকার
সমাধান
প্রত্যয় সাধারনত দুই প্রকার। যথা:
১. কৃৎ প্রত্যয় - ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন: পড়্ + আ = পড়া, এর আ হলো কৃৎ প্রত্যয়। কৃৎ প্রত্যয় আবার দুই প্রকার।
- বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।
- সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
২. তদ্ধিৎ প্রত্যয় - নাম প্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিৎ প্রত্যয় বলে। যেমন:শিশু + অ = শৈশব। এখানে অ হলো তদ্ধিৎ প্রত্যয়। তদ্ধিৎ প্রত্যয় আবার তিন প্রকার। যথা: -
- বাংলা তদ্ধিৎ প্রত্যয়
- সংস্কৃত তদ্ধিৎ প্রত্যয়
- বিদেশি তদ্ধিৎ প্রত্যয়
২৪৬৫৮
যে বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষায়িত করে তাকে কি পদ বলে?
উত্তর
নাম বিশেষণ
সমাধান
যে বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষায়িত করে তাকে নাম বিশেষণ পদ বলে।
যে সকল শব্দ (বিশেষণ পদ) সর্বনাম ও বিশেষ্যকে বিশেষিত করে, তাকেই নাম বিশেষণ বলা হয়।
যেমনঃ সুস্থ সবল দেহকে কে না ভালোবাসে? সে রূপবান ও গুণবান।
২৪৬৫৯
'হাসান বই পড়ছে'-কোন কালের উদাহরন?
উত্তর
ঘটমান
সমাধান
'হাসান বই পড়ছে' - ঘটমান কালের উদাহরন।
ঘটমান বর্তমান সম্পাদনা:
যে ক্রিয়ার কাজ বর্তমানে ঘটছে বা চলছে, এখনো শেষ হয়ে যায়নি, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলা হয়।
যেমন: আমার ছোট ভাই লিখছে।
হামিম এবং নাহিদ এখনো ফুটবল খেলছে।
ঘটমান অতীত সম্পাদনা:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলেছিল, তখনো শেষ হয়নি বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলা হয়।
যেমন: রিতা ঘুমাচ্ছিল।
তিনি মেয়েটির চেহারা কেমন জানতে চাইছিলেন।
ঘটমান ভবিষ্যৎ সম্পাদনা:
যে ক্রিয়ার কাজ ভবিষ্যতে শুরু হয়ে চলতে থাকবে, তার কালকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলা হয়।
যেমন: সুমন হয়তো তখন দেখতে থাকবে।
মনীষা দৌড়াতে থাকবে।
২৪৬৬০
'কোথায় থাকা হয়'- কোন বাচ্যের উদাহরণ?
উত্তর
ভাব বাচ্য
সমাধান
'কোথায় থাকা হয়' - ভাব বাচ্যের উদাহরণ।
ভাববাচ্য:
যখন বাক্যে ব্যবহৃত পদের ভিতর ক্রিয়াপদই প্রধান হয়ে প্রতিভাত হয়, তখন ব্যবহৃত পদটি ভাববাচ্য হিসাবে বিবেচিত হয়।
প্রত্যয়জাত কোনো বিশেষ্য পদে ক্রিয়ার ভাব বিদ্যমান থাকে, তখন তা ভাববাচ্য বিবেচিত হয়।
যেমন– গ্রহণ = √গ্রহ্ (গ্রহণ করা) + অন্ (ল্যুট), ভাববাচক।