T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
বাংলা
বিষয়ভিত্তিক
২৪৭৩১

'খোয়াবনামা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সমাধান
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত উপন্যাসঃ চিলে কোঠার সেপাই, খোয়াবনামা।
২৪৭৩২

বাংলা ভাষার প্রধান রুপ দুটি কি কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মৌখিক ও লৈখিক
সমাধান
বাংলা ভাষার প্রধান রুপ দুটি মৌখিক ও লৈখিক। বাংলা ভাষা প্রধান বা মৌলিক রূপ দুইটি । যথা - লৈখিক রূপ এবং মৌখিক । লেখার রীতি ভাষার মৌলিক রীতি। বাংলা চাষার প্রকারভেদ বা রীতিভেদ নিচের চিত্রের মাধ্যমে দেখানো যায় - লৈখিক রূপ কে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে । ১) সাধু, ২ ) চলিত মৌখিক রূপ কে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে । ১) চলিত ২) আঞ্চলিক ( উপভাষা )
২৪৭৩৩

'অদিতি' শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অবনী
সমাধান
অদিতি শব্দের অর্থ - অবনী, পৃথিবী, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, ভুবন, মেদিনী, মহী, বসুন্ধরা, বসুধা, বসুমতী, দুনিয়া ইত্যাদি। তাই উত্তর হবে - অদিতি।
২৪৭৩৪

গুরুচান্ডলী দোষমুক্ত কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শবদাহ
সমাধান
গুরুচণ্ডালী দোষ : সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা বাংলা ভাষারই দুটো রীতি। এক রীতির সাথে অন্য রীতি মিলিয়ে ফেললে ভাষা অসুন্দর হয়, ভাষা রীতিতে ত্রুটি ঘটে। সাধু ও চলিত ভাষার ত্রুটিপূর্ণ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শব পোড়া বা পোড়া মরা - এইগুলা গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। শব মানে মরা, দাহ মানে পোড়ানো। তাই সঠিক উত্তর - শবদাহ।
২৪৭৩৫

মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মঙ্গলকাব্য
সমাধান
মধ্যযুগের সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য শাখা মঙ্গলকাব্য। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য মঙ্গলকাব্য নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য - কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয় মঙ্গলকাব্য। ১৭০০ সালের শেষের পর্যায়ে মঙ্গলকাব্য সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে। মাজিলপুর শহরে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা যায় যে এই অঞ্চলে মঙ্গলকাব্য রচিত ও প্রচারিত হবার পর থেকে শিব মন্দিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছিল।
২৪৭৩৬

মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ইউসুফ জুলেখা
সমাধান
মুসল্মান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য ইউসুফ জুলেখা। ইউসুফ - জোলেখা মধ্যযুগের পুঁথি লেখকদের রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি প্রণয় - কাব্য। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে(১৩৯৩ - ১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন। শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ - জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার মধ্যে আবদুল হাকিম, শাহ গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী এবং ফকির মোহাম্মদ উল্লেখযোগ্য।
২৪৭৩৭

' বীরবলেরর হালখাতা' গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রবন্ধ
সমাধান
'বীরবলেরর হালখাতা' গ্রন্থটি প্রবন্ধ জাতীয় রচনা। বীরবলের হালখাতা লিখেছেন প্রমথ চৌধুরী “আমরা ও তোমরা” রম্যরচনাটি প্রথম প্রকাশিত হয় “ভারতী” পত্রিকার শ্রাবণ ১৩০৯ সংখ্যায়। পরবর্তীকালে লেখকের “বীরবলের হালখাতা” গ্রন্থে (প্রকাশকাল ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১৭) এটি সংকলিত হয়। আবার ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত অতুলচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত “প্রবন্ধসংগ্রহ” - এর দ্বিতীয় খণ্ডে রচনাটি ‘বিবিধ’ অংশে গ্রন্থিত হয়।
২৪৭৩৮

'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দ্বিজ কানাই
সমাধান
'মহুয়া' পালাটির রচয়িতা দ্বিজ কানাই। দ্বিজ কানাই হলেন একজন মধ্যযুগের কবি। দ্বিজ কানাই পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। দল গঠন করে তিনি তৎকালীন লোকনাট্যরীতিতে নাটকের অভিনয় করিয়েছিলেন। বাংলার লোকগীতি বা গীতিকার ইতিহাস অনেক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। কবি দ্বিজ কানাই প্রণীত "মহুয়া" পালাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গীতিকা ধারায় একটি উল্লেখযোগ্য সম্পদ। দ্বিজ কানাই প্রায় ৩৭০ বছর পূর্বে এই পালাগানটি রচনা করেন, যা বর্তমানে 'নদের চাঁদ ও মহুয়া'র পালা বা গাথা নামে পরিচিত। এটি একটি দৃশ্য কাব্য (প্রাচীন পল্লীনাটিকা)। মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে এটি অন্যতম।
২৪৭৩৯

আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মীর মোশারফ হোসেন
সমাধান
আধুনি বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃত মীর মোশারফ হোসেন। সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত বিষাদ সিন্ধু তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।
২৪৭৪০

পল্লী কবি জসিমউদদীন কত সালে মারা যান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
1976
সমাধান
পল্লী কবি জসিমউদদীন ১৯৭৬ সালে মারা যান। তিনি ১৪ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তার শেষ ইচ্ছা অনুসারে তাকে ফরিদপুর জেলার আম্বিকাপুর গ্রামে তার দাদীর কবরের পাশে দাফন করা হয়। গোবিন্দপুরে প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে তার জন্মদিনকে স্মরণ করে জসীম মেলা নামে একটি পাক্ষিক উৎসব উদযাপন করা হয়। তার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আবাসিক হলের নামকরণ করা হয়েছে।