২৪৯৪১
”আফতাব” শব্দের সমার্থ কোনটি?
উত্তর
অর্ক
সমাধান
”আফতাব” শব্দের সমার্থ হচ্ছে অর্ক।
'আফতাব' শব্দের আরো কিছু সমার্থক শব্দ হলো : সূর্য, দিবাকর, প্রভাকর, ভাস্কর, রবি, সবিতা, আদিত্য, মিহির, ভানু প্রভৃতি। অন্যদিকে জলদি ও অর্ণব শব্দের সমার্থক শব্দ - সাগর এবং রাতুল শব্দের অর্থ হলো - রক্তবর্ণ বা লাল।
২৪৯৪২
ঈষৎ পাংশুবর্ণ-এর বাক্য সংকোচন---
উত্তর
কয়রা
সমাধান
ঈষৎ পাংশুবর্ণ - এর বাক্য সংকোচন - - কয়রা।
ঈষৎ পাংশুবর্ণ = কয়রা।
ঈষৎ পান্ডুবর্ণ = ধূসর।
ঈষৎ রক্তবর্ণ = আরক্ত।
২৪৯৪৩
”সূর্য” এর সমার্থক প্রতিশব্দ--
উত্তর
মিহির
সমাধান
”সূর্য” এর সমার্থক প্রতিশব্দ - - মিহির।
হিরণ শব্দের সমার্থক শব্দ স্বর্ণ, সোনা, সুবর্ণ ইত্যাদি। দ্যুলোক শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে স্বর্গ, স্বর্গলোক, অমরাবতী ইত্যাদি। মিহির শব্দের সমার্থক শব্দ রবি, আফতাব, ভানু, আদিত্য ইত্যাদি। ধরিত্রী শব্দের সমার্থক শব্দ ধরা, ধরণী, বসুন্ধরা ইত্যাদি।
২৪৯৪৪
”নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা” - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
উত্তর
রামনিধি গুপ্ত
সমাধান
”নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা” - পঙক্তিটির রচয়িতা রামনিধি গুপ্ত।
অন্যদিকে আব্দুল হাকিম অতুলপ্রসাদ সেন ও শেখ ফজলুল করিমের বিখ্যাত উক্তি হল যথাক্রমে "দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুয়ায়/ নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়", "মোদের গরব মোদের আশা / আ মরি বাংলা ভাষা", ও "সুন্দর হে দাও দাও সুন্দর জীবন / হোক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন"।
২৪৯৪৫
'দুর্দিনের যাত্রী' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর
কাজী নজরুল ইসলাম
সমাধান
'দুর্দিনের যাত্রী' গ্রন্থের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।
দুর্দিনের যাত্রী’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ। ১৯২১ সালে অর্ধসাপ্তাহিক ‘ধূমকেতু’র প্রথম সংখ্যা বের হয়। ধূমকেতুতে নজরুল যেসব সম্পাদকীয় লেখেন তার কতগুলো নিয়ে ‘দুর্দিনের যাত্রী’ প্রকাশিত হয়।
২৪৯৪৬
”কর্বুর” শব্দের অর্থ--
উত্তর
রাক্ষস
সমাধান
”কর্বুর” শব্দের অর্থ - - রাক্ষস।
বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী 'কবুর' শব্দের কোন অর্থ নেই। তবে 'কবুর' এর স্থলে 'কর্বুর' হলে সঠিক উত্তর হবে রাক্ষস।
২৪৯৪৭
বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্য গ্রন্থে সন্নিবেশিত?
উত্তর
অগ্নিবীণা
সমাধান
বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্য গ্রন্থে সন্নিবেশিত।
অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে।
কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস (কবিতা)’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর - ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত - ইল - আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’।
২৪৯৪৮
”ভূষন্তীর কাক” বাগধারাটির অর্থ---
উত্তর
দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
সমাধান
”ভূষন্তীর কাক” বাগধারাটির অর্থ - - - দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি।
বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ কথার বচন ভঙ্গি বা ভাব বা কথার ঢং। বাক্য বা বাক্যাংশের বিশেষ প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাগধারা। বিশেষ প্রসঙ্গে শব্দের বিশিষ্টার্থক প্রয়োগের ফলে বাংলায় বহু বাগধারা তৈরী হয়েছে।
আরো কিছু বাগধারা হলো : অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী - সামান্য বিদ্যার অহঙ্কার, ইঁদুর কপালে - নিতান্ত মন্দ ভাগ্য।
২৪৯৪৯
'আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে' - কোন কবির কবিতা থেকে নেয়া?
উত্তর
জীবনানন্দ দাশ
সমাধান
'আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে' - জীবনানন্দ দাশ কবির কবিতা থেকে নেয়া।
জীবনানন্দ দাশ (১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ - ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪; ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১ বঙ্গাব্দ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক।
তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম। জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী।
মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন।
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা - পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন।
২৪৯৫০
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
উত্তর
ভারতচন্দ্র
সমাধান
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র।
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পেড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
যথাযথভাবেই রবীন্দ্রনাথ তার কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা” - র সঙ্গে। তার আর একটি বিখ্যাত কাব্য সত্যপীরের পাঁচালী। ভারতচন্দ্র ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃত্যুর সাথে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়।