২৫০০১
নিচের কোন শব্দটি ‘দক্ষ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর
ছেলেটি অংকে পাকা
সমাধান
ছেলেটি অংকে পাকা। এখানে "পাকা" শব্দর অর্থ দক্ষ বা যে ভালো পারে।
২৫০০২
‘সমুদ্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
উত্তর
পাথার
সমাধান
তরঙ্গীনি, তটিনী - নদী
হিল্লল - ঢেউ/তরঙ্গ
পাথার - সমুদ্র
২৫০০৩
সারাংশ কোন পুরুষে লিখতে হয়?
উত্তর
প্রথম পুরুষ
সমাধান
সারাংশ প্রথম পুরুষে লিখতে হয়য়। সারাংশ এর ভাষা সহজ ও সাবলীল হওয়া দরকার। বাক্যের বক্তা যে বিশেষ্য বা সর্বনামের দ্বারা বক্তা ও শ্রোতার বাইরে অন্য কাওরে নির্দেশ করে, তাকে প্রথম পুরুষ বলে। প্রথম পুরুষ ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সহজ ও সাবলীল হয়। এই জন্য প্রথম পুরুষ ব্যবহার করা হয়।
২৫০০৪
ইলেক বা লোপ চিহ্ন দিতে হয়-
উত্তর
বিলুপ্ত বর্ণের জন্য
সমাধান
ইলেক বা লোপ চিহ্ন থাকলে থামার প্রয়োজন নেই। কোন বর্ণ বিশেষের লোপ বোঝাতে বিলুপ্ত বর্ণের জন্য(') লোপ চিহ্ন দেয়া হয়। যেমন:
মাথার 'পরে জ্বলছে রবি। ('পরে = ওপরে)
২৫০০৬
”বাগাড়ম্বর” শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ ---
উত্তর
বাক্ + আড়ম্বর
সমাধান
”বাগাড়ম্বর” শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ - - বাক্ + আড়ম্বর।
স্বরবর্ণ পড়ে থাকলে বর্গের প্রথম বর্ণ স্থানে সেই বর্গের তৃতীয় বর্ণ হয়। অর্থাৎ ক, চ, ট, ত, প স্থানে যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব হয়।
২৫০০৭
”সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না” বাক্যে “ঝিনুকে” কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উত্তর
অপাদানে ৭মী
সমাধান
”সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না” বাক্যে “ঝিনুকে” অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
যা থেকে কিছু বিচ্যুত গৃহীত জাত বিরত আরম্ভ দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখি কেউ ভীত হয় তাকেই অপাদান কারক বলে। যেমন: সব ঝিনুকে মুক্তা মিলেনা বাক্যে ঝিনুক শব্দটি অপাদান কারক আর 'এ' থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
২৫০০৮
”কান্নায় শোক কমে” বাক্যে “কান্নায়” কোন কারক?
উত্তর
অধিকরণ কারক
সমাধান
”কান্নায় শোক কমে” বাক্যে “কান্নায়” অধিকরণ কারক।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধার কে অধিকরণ কারক বলে। যেমন : সূর্যদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। কান্নায় শোক কমে।
২৫০০৯
”ক্রীতদাসের হাসি” উপন্যাসের লেখক--
উত্তর
শওকত ওসমান
সমাধান
”ক্রীতদাসের হাসি” উপন্যাসের লেখক - শওকত ওসমান।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস গুলো হল : জননী, জাহান্নাম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য।
২৫০১০
”অপরাজিত” উপন্যাসের লেখক--
উত্তর
বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
সমাধান
”অপরাজিত” উপন্যাসের লেখক - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
অপরাজিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। ‘প্রবাসী’ মাসিকপত্রে ১৩৩৬ সালের পৌষ সংখ্যা থেকে ১৩৩৮ - এর আশ্বিন সংখ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসের স্ফীতির কারণে দু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে প্রথম বের হয়ঃ প্রথম ভাগের প্রকাশকাল মাঘ ১৩৩৮ [এপ্রিল ১৯৩২], দ্বিতীয় ভাগের প্রকাশকাল ফাল্গুন ১৩৩৮ [মে ১৯৩২]। এবারেও প্রকাশক ছিলেন সজনীকান্ত দাস, বের করা হয়েছিল রঞ্জন প্রকাশালয় থেকে এবং দাম ছিল যথাক্রমে দু টাকা চার আনা ও দু টাকা। পরে ‘অপরাজিত’ দু খণ্ডের জায়গায় এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়, এখনও তাই হচ্ছে। বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় এ উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন ‘মাতৃদেবীকে’।