T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
1993
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৯৪
মোট প্রশ্ন
৯৪
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১

“সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন”। — চরণ দুইটি কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শেখ ফজলুল করিম
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো শেখ ফজলুল করিম। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর লেখা 'প্রার্থনা' কবিতার অংশ।

সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:

  • শেখ ফজলুল করিম মূলত তাঁর সহজ-সরল ও নীতিমূলক কবিতার জন্য পরিচিত।
  • এই কবিতাটি আমাদের পাঠ্যবইয়ে নৈতিক শিক্ষার অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়।
  • পরীক্ষায় এই লাইনগুলো প্রায়ই আসে, তাই কবির নামটা একবার মনে গেঁথে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই।
২

যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ঊষর
সমাধান

যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না, তাকে এক কথায় বলা হয় ঊষর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • ঊষর শব্দটির আক্ষরিক অর্থই হলো এমন ভূমি যা অনুর্বর বা যেখানে চাষাবাদ করা সম্ভব নয়।
  • সাধারণত লবণাক্ত বা শুষ্ক মাটির কারণে যখন কোনো জমিতে ফসল ফলানো যায় না, তখন সেই বিশেষ অবস্থাকে বোঝাতে আমরা ঊষর শব্দটি ব্যবহার করি।

তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি ঊষর উত্তরটি বেছে নিতে পারেন, কারণ এটিই এই পরিস্থিতির সবচেয়ে সঠিক ও মানসম্মত শব্দ।

৩

অপমান’ শব্দের ‘অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বিপরীত
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো বিপরীত।

খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো— ‘মান’ শব্দের অর্থ সম্মান বা মর্যাদা। এর আগে যখন ‘অপ’ উপসর্গটি যুক্ত হয়ে ‘অপমান’ শব্দ তৈরি হয়, তখন তা সম্মানের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ অর্থাৎ অসম্মান প্রকাশ করে। তাই এখানে ‘অপ’ উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

৪

‘সোনালী কাবিন’ এর রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আল-মাহমুদ
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো আল-মাহমুদ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি আল-মাহমুদ তাঁর কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:

  • সোনালী কাবিন বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক সনেট গুচ্ছ।
  • এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং কবি আল-মাহমুদকে বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।
  • পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘আল-মাহমুদ’ এবং ‘সোনালী কাবিন’ শব্দ দুটিকে একসাথে মাথায় গেঁথে নিন।
৫

বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
উত্তরাধিকার
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো উত্তরাধিকার। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত এই সাহিত্য পত্রিকাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি নিয়মিতভাবে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও গবেষণামূলক লেখা প্রকাশ করে থাকে।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য:

  • বাংলা একাডেমী আমাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
  • তাদের মুখপত্র বা সাহিত্য পত্রিকার নাম হিসেবে উত্তরাধিকার নামটি বিশেষভাবে পরিচিত।
  • এটি মূলত সাহিত্যের মানসম্মত চর্চা ও প্রসারের লক্ষ্যে নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
৬

ঠক চাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আলালের ঘরের দুলাল
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো আলালের ঘরের দুলাল।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো 'আলালের ঘরের দুলাল'। এই উপন্যাসের প্রধান আকর্ষণই হলো এর চরিত্রগুলো। কেন এই উত্তরটি সঠিক, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • ঠক চাচা চরিত্রটি এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় একটি চরিত্র।
  • উপন্যাসটিতে তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কারকে ফুটিয়ে তুলতে লেখক ঠক চাচার মতো চরিত্রকে দারুণভাবে ব্যবহার করেছেন।
  • বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই চরিত্রটি তার চাতুর্য এবং সংলাপের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

তাই যখনই 'ঠক চাচা'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসেরই অংশ।

৭

বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১৮৭২ সালে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ১৮৭২ সালে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে (বৈশাখ ১২৭৯ বঙ্গাব্দ)।

সহজে মনে রাখার উপায়:

  • বঙ্কিমচন্দ্রের কালজয়ী এই পত্রিকাটি প্রকাশের সালটি হলো ১৮৭২।
  • বাংলা সাহিত্যের বিকাশে এই সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই পত্রিকা থেকেই বাংলা প্রবন্ধ ও উপন্যাসের ধারায় এক বড় পরিবর্তন আসে।
৮

ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
জীবনানুভূতির গভীরতায়
সমাধান
নাটকনাটক সাহিত্যের একটি বিশেষ ধরন। সাধারণত একটি লিখিত পাণ্ডুলিপি অনুসরণ করে অভিনয় করে নাটক পরিবেশিত হয়ে থাকে। নাটক লেখা হয় অভিনয় করার জন্য। তাই নাটক লেখার আগেই তার অভিনয় করার যোগ্য হতে হয়। নাটকে স্থান, সময় ও পরিবেশের বর্ণনা ছাড়াও সংলাপ লেখা থাকে। সংলাপ বলেই একজন অভিনেতা নাটকের বিভিন্ন বিষয়ে বলে থাকেন। তবে সংলাপই শেষ কথা নয়। সংলাপবিহীন অভিনয়ও নাটকের অংশ।নাটক এর প্রেক্ষাপটসাধারণ মানুষের মধ্যে গল্পে গল্পে যে নাটক গড়ে ওঠে, সাধারণ মানুষের গল্প অবলম্বন করে যার কাহিনি আবর্তিত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কথ্যরীতিতে যে নাটক বেঁচে থাকে তাই লোকনাট্য।সংস্কৃত আলঙ্কারিকগণ নাট্যসাহিত্যকে কাব্য সাহিত্যের মধ্যে স্থান দিয়েছেন। তাদের মতে কাব্য দুই প্রকার - দৃশ্য কাব্য ও শ্রব্য কাব্য। নাটক প্রধানত দৃশ্য কাব্য এবং এটি সকল প্রকার কাব্য সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ - “ কাব্যেষু নাটকং রম্যম্‌। ” নাটক দৃশ্য ও শ্রব্যকাব্যের সমন্বয়ে রঙ্গমঞ্চের সাহায্যে গতিমান মানবজীবনের প্রতিচ্ছবি আমাদের সম্মুখে মূর্ত্ত করে তোলে। রঙ্গমঞ্চের সাহায্য ব্যতীত নাটকীয় বিষয় পরিস্ফুট হয় না। নাট্যোল্লিখিত কুশীলবগণ তাদের অভিনয় - নৈপুণ্যে নাটকের কঙ্কালদেহে প্রাণসঞ্চার করেন, তাকে বাস্তব রূপৈশ্বর্য্য দান করেন। নাটকে অনেক সময় পাত্র - পাত্রীদের কথায় নাট্যকার নিজের ধ্যান - ধারণার কথাও সংযোগ করে দেন। এইজন্য এটি সম্পূর্ণরূপে বস্তুনিষ্ঠ বা তন্ময় বা অবজেকটিভস্‌ না - ও হতে পারে। কিন্তু শ্রেষ্ঠ নাট্যকার নিজেকে যথাসাধ্য গোপনে রাখেন এবং তার চরিত্র - সৃষ্টির মধ্যে বিশেষ একটি নির্লিপ্ততা বর্তমান থাকে। সংস্কৃত নাটকসংস্কৃত নাটকে দেখা যায় যে, প্রথমতঃ পূর্বরঙ্গ বা মঙ্গলাচরণ, দ্বিতীয়তঃ সভাপূজা (সামাজিকগণের), তৃতীয়তঃ কবিসংজ্ঞা বা নাটকীয় বিষয় - কথন এবং তারপর প্রস্তাবনা। 'মঙ্গলাচরণে' সূত্রধর (তিনি জাতিতে ব্রাহ্মণ, সংস্কৃতজ্ঞ ও অভিনয় - পটু) রঙ্গভূমিতে উপস্থিত থেকে অভিনয় - কার্য্যের বিঘ্নপরিসমাপ্তির জন্য যে মঙ্গলাচরণ করেন তার নাম 'নান্দী'।প্রস্তাবনার পর সাধারণতঃ প্রথম অঙ্ক আরম্ভ হয়। নাটকীয় কুশীলবগণ 'সূচিত' না হয়ে রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করতে পারে না। শুধু নায়ক বা আর্ত্ত যে - কোন চরিত্রের প্রবেশের জন্য সূচনার প্রয়োজন নেই। নাটকের ভাষায় গদ্য ও পদ্য উভয়ই ব্যবহৃত হয়। তবে, সংস্কৃত নাটকে বিদ্বানপুরুষ সাধারণতঃ সংস্কৃত, বিদুষী মহিলাগণ শৌরসেনী, রাজপুত্র ও শ্রেষ্ঠিগণ অর্দ্ধমাগধী, বিদূষক প্রাচ্যা এবং ধূর্ত্ত অবন্তিক ভাষা ব্যবহার করতেন।ঐক্যনীতিসনাতনপন্থী নাট্যকারগণ নাটকে তিনটি ঐক্যনীতি মেনে চলতেন। সেগুলো হলোঃ - সময়ের ঐক্যঃ নাটকীয় আখ্যানভাগ রঙ্গমঞ্চে দেখাতে যতক্ষণ সময় লাগে, বাস্তব জীবনে সংঘটিত হতে যেন ঠিক ততক্ষণ লাগে, এদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এরিস্টটল এই কাল - নির্দেশ করতে গিয়ে একে 'সিঙ্গেল রিভোলিউশন অব দ্য সান' অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছেন। স্থানের ঐক্যঃ নাটকে এমন কোন স্থানের উল্লেখ থাকতে পারবে না, যেখানে নাট্য - নির্দেশিত সময়ের মধ্যে নাটকের কুশীলবগণ যাতায়াত করতে পারে না। ঘটনার ঐক্যঃ নাটকে এমন কোন দৃশ্য বা চরিত্র সমাবেশ থাকবে না, যাতে নাটকের মূল সুর ব্যাহত হতে পারে। সমস্ত চরিত্র ও দৃশ্যই নাটকের মূল বিষয় ও সুরের পরিপোষকরূপে প্রদর্শিত হওয়া চাই এবং নাটকটি যেন আদি, মধ্য ও অন্ত - সমন্বিত একটি অখণ্ডরূপে পরিস্ফুট হয়।ইংরেজি সাহিত্যে বেন জনসন ঐক্যনীতি মেনে চলেছেন এবং শেক্সপিয়ার মাত্র দ্য টেম্পেস্ট এবং দ্য কমেডি অব এরর'স - এ এই নিয়ম মেনে চলেছেন। এইখানে উল্লেখযোগ্য যে, প্রাচীন সংস্কৃত নাটকে কাল, স্থান ও ঘটনার ঐক্য অনুঃসৃত হয়নি। ভবভূতির 'মহাবীর চরিত্রে' দ্বাদশবর্ষের ঘটনা নাট্যাকারে পরিবেশিত হয়েছে। চরিত্রে দ্বাদশবর্ষের ঘটনা নাট্যাকারে পরিবেশিত হয়েছে।নাটকের উপাদান মূল ভাবনা বা প্রেমিজ: একটা নাটক তার দর্শককে কিছু বলতে চায়। নাট্যকার একটি ধারণাকে অবলম্বন করে একটি কাহিনি তৈরি করেন। কাহিনির মাধ্যমে তিনি তার ধারণাটিকে বলেন। তার এই মূল বক্তব্যটিই হল মূল ধারণা বা প্রেমিজ। কাহিনি বা প্লট: নাটকে সাধারণত একটি ঘটনা থাকে। কাহিনির শুরু, মধ্য ও শেষ থাকে। এক বা একাধিক মানুষের বা চরিত্রের কাহিনি বর্ণিত হতে থাকে। প্রধান কাহিনির পাশাপাশি নাটকে উপ - কাহিনি বা সাব - প্লট থাকতে পারে। তবে উপ - কাহিনি প্রধান কাহিনিকে সহায়তা করে। চরিত্র: নাটক যেই ব্যক্তিগুলোর কাহিনি বর্ণনা করে সেই ব্যক্তিগুলোই নাটকের চরিত্র। মূলত একটি নাটকে একজন প্রধান চরিত্র হয়। চরিত্রটি নাটকের শুরুতে যে রকম থাকে, নাটকের শেষে সে রকম থাকে না। ঘটনাপ্রবাহের প্রবাহে তার মধ্যে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে। সংলাপ: নাটকের চরিত্র বা পাত্রপাত্রী কথোপকথন আকারে যা বলে সেটাই সংলাপ। সোজা কথায়, নাটকের চরিত্রের মুখের কথাগুলোকেই সংলাপ বলে।নাটকের শ্রেণীবিভাগনাটকের শ্রেণীবিভাগ কোনো বিশেষ বিষয়কে ভিত্তি করে করা হয়নি। নানারকম বিষয়বস্তু অনুসারে নাটককে নানাভাবে শ্রেণীবিভাগ করা হয়েছে। নাটকের শ্রেণীবিভাগগুলো এরকম: ক) ভাব সংবেদনা রীতি অনুসারে (০১) ট্রাজেডি (০২) কমেডি (০৩) ট্রাজি - কমেডি (০৪) মেলোড্রামা ও (০৫) ফার্স।খ) বিষয়বস্তুর উৎসরীতি অনুসারে (০১) পৌরাণিক (০২) ঐতিহাসিক (০৩) ঐতিহাসিককল্প চরিত্রমূলক (০৪ ) সামাজিক (০৫) পারিবারিক (০৬) উপকথাশ্রয়ী ও (০৭) কাল্পনিকগ) বিষয়বস্তুর প্রকৃতি অনুসারে (০১) ধর্মমূলক (০২) নীতিমূলক (০৩) আধ্যাত্মিক (০৪) রাজনৈতিক (০৫) অর্থনৈতিক (০৬) প্রেমমূলক (০৭) দেশপ্রেমমূলক (০৮) সমাজরীতিমূলক (০৯) ষড়যন্ত্রমূলক (১০) রোমাঞ্চকর দুঃস্বাহসমূলক ও (১১) অপরাধ আবিষ্কারমূলক প্রভৃতিঘ) উপাদানযোজনা বৈশিষ্ট্য অনুসারে (০১) গীতিনাট্য বা অপেরা (০২) যাত্রা (০৩) নৃত্যনাট্য (০৪) নাটক বা ড্রামাঙ) আয়তন বা অঙ্কসংখ্যা অনুসারে (০১) মহানাটক (০২) নাটক (০৩) নাটিকা (০৪) একাঙ্কিকাচ) গঠন রীতি অনুসারে (০১) ক্লাসিক্যাল (০২) রোমান্টিক (০৩) দৃশ্যাবলীছ) রচনারীতি অনুসারে (০১) পদ্যনাটক (০২) গদ্যনাটক (০৩) গদ্য - পদ্যময় নাটকজ) উপস্থাপনারীতি অনুসারে (০১) বাস্তবিক নাটক (০২) ভাবতান্ত্রিক নাটক (০৩) রূপক নাটক (০৪) সাংকেতিক নাটক (০৫) এক্সপ্রেশানিস্টিক নাটকঝ) উদ্দেশ্য অনুসারে (০১) ঘটনামূখ্য (মোলোড্রামা) (০২) চরিত্রমূখ্য (চরিত্রনাট্য) (০৩) রসমূখ্য (রসনাট্য) ও (০৪) তত্ত্বমূখ্য (তত্ত্বনাটক)লোকনাট্যসাধারণ মানুষের মধ্যে গল্পে গল্পে যে নাটক গড়ে ওঠে, সাধারণ মানুষের গল্প অবলম্বন করে যার কাহিনি আবর্তিত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কথ্যরীতিতে যে নাটক বেঁচে থাকে তাই লোকনাট্য।
৯

সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
সমাধান

সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই পার্থক্যটি বোঝার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:

  • ক্রিয়াপদের রূপ: সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ পূর্ণাঙ্গ থাকে (যেমন: করিতেছি, চলিল), কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয় (যেমন: করছি, চলল)।
  • সর্বনাম পদের রূপ: সাধু ভাষায় সর্বনাম পদগুলো বেশ গুরুগম্ভীর হয় (যেমন: তাহার, কাহারা), অন্যদিকে চলিত ভাষায় এগুলো ছোট ও সাবলীল (যেমন: তার, কারা)।

সহজ কথায়, সাধু ভাষা যেখানে ব্যাকরণগতভাবে সুনির্ধারিত ও দীর্ঘ রূপ অনুসরণ করে, চলিত ভাষা সেখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত ও গতিশীল রূপ ব্যবহার করে ভাষাকে সহজবোধ্য করে তোলে।

১০

সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সিকানদার আবু জাফর
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো সিকানদার আবু জাফর।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী পত্রিকা ছিল, যা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক সিকানদার আবু জাফর। তিনি দীর্ঘ সময় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

  • পত্রিকার নাম: সমকাল
  • সম্পাদক: সিকানদার আবু জাফর
  • প্রকাশকাল: ১৯৫৭ সাল

পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান হিসেবে নোট করে রাখতে পারেন।