T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2001
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৮১
মোট প্রশ্ন
৮১
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.৫
ভুল উত্তর
১১

সমার্থক শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ। কারণ এই তিনটি শব্দই মূলত 'নদী' শব্দের সমার্থক।

  • শৈবালিনী মানে যাতে শৈবাল বা শেওলা জন্মে, অর্থাৎ নদী।
  • তরঙ্গিনী হলো যাতে তরঙ্গ বা ঢেউ আছে।
  • সরিৎ হলো সাধারণ অর্থে নদী।

অন্য অপশনগুলোতে কিছু নদীর সমার্থক শব্দ থাকলেও সমুদ্র বা খালের শব্দ মিশ্রিত থাকায় সেগুলো সঠিক নয়।

১২

শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option C: স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক। কারণ এই শব্দগুলোর প্রতিটি বানান ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।

  • স্বায়ত্তশাসন: এখানে 'স্বায়ত্ত' শব্দটিতে ত্ত-ফলা রয়েছে যা একদম সঠিক।
  • আভ্যন্তর: এটি ভেতর বা অভ্যন্তরীণ অর্থে শুদ্ধ একটি রূপ।
  • জন্মবার্ষিক: এই শব্দটিতেও কোনো বানানগত ভুল নেই।

অন্য অপশনগুলোতে কিছু বানান ভুল থাকায় (যেমন: ভবিষ্যৎ, ভৌগোলিক, সম্বর্ধনা ইত্যাদি) সেগুলো সঠিক নয়।

১৩

প্রাতঃরাশ-এর সন্ধি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রাতঃ + আশ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option C: প্রাতঃ + আশ।

বিষয়টা খুব সহজ! এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। সন্ধি করার সময় বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গ ও স্বরবর্ণ মিলে কীভাবে শব্দ তৈরি হয় তা দেখতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী:

  • প্রাতঃ + আশ মিলে তৈরি হয় প্রাতরাশ (প্রাতঃরাশ)।
  • এখানে বিসর্গ (ঃ) এর স্থানে 'র' বা অন্য কোনো পরিবর্তন না ঘটে সরাসরি 'অ' যুক্ত হয়ে 'রাশ' শব্দটির সাথে মিলে গেছে।

তাই সহজে মনে রাখার জন্য ভেঙে পড়লে পাই: প্রাতঃ + আশ = প্রাতঃরাশ।

১৪

যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়, তাকে বলা হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক্রিয়া-বিশেষণ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ক্রিয়া-বিশেষণ।

খুব সহজ কথায়, যে পদ বাক্যের ক্রিয়াপদ বা কাজের ভাব, সময়, স্থান বা প্রকৃতি কেমন তা বুঝিয়ে দেয়—সেটাই ক্রিয়া-বিশেষণ। যেমন, কাজটি 'ধীরে' হচ্ছে কিংবা বৃষ্টি 'প্রচণ্ড' পড়ছে—এখানে 'ধীরে' বা 'প্রচণ্ড' শব্দগুলো কাজের তীব্রতা বা প্রকৃতি প্রকাশ করছে। তাই এগুলো স্পষ্টতই ক্রিয়া-বিশেষণ।

১৫

রামগরুড়ের ছানা- কথাটির অর্থ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গোমড়ামুখো লোক
সমাধান
➀ রামগরুড়ের ছানা কথাটির অর্থ →গোমড়ামুখো লোক - ➁ 'আটকপাল' এর অর্থ →হতভাগ্য - ➂ 'কেউ কাটা' অর্থ →সামন্য - ➃ 'গোবর গণেশ' অর্থ→মূর্খ - ➄ 'পুটি মাছের প্রাণ' বলতে বুঝায়→ক্ষুদ্রপ্রাণ ব্যক্তি
১৬

নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয় নি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২। কারণ, বাংলা বানান ও যতিচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী তারিখ লেখার সময় বার বা তারিখের পর এবং মাসের পর কমা ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু মাসের পর সরাসরি সাল লেখার ক্ষেত্রে কমা বসে না। যেমন—'২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২' লেখা উচিত। কিন্তু এখানে '২১ ফেব্রুয়ারি,' এর পর আবার কমা দিয়ে '১৯৫২' লেখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।

১৭

বামেতর- শব্দটির অর্থ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ডান
সমাধান
বামেতর /বিশেষণ পদ/ বাম হতে অন্য অর্থাৎ দক্ষিণ বা ডান।
১৮

প্রথম বাংলা থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অশোক মুখোপাধ্যায়
সমাধান
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি.) 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' (দুই খণ্ড) সম্পাদনা করেন, যা তার জীবনের প্রথম একটি কাজ।
১৯

নিরানব্বইয়ের ধাক্কা- বাগধারাটির অর্থ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
সমাধান
'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থ টাকা জমানোর লোভ, অর্থাৎ সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি। [সূত্র: বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান]
২০

যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিত্য সমাস
সমাধান
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে এবং পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই প্রাধান্য পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। কাঁচা - পাকা ইত্যাদি। অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে সমাস পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে অব্যয়ীভাবে সমাস বলে। যেমন - কূলের সমীপে = উপকূল , আমিষের অভাব = নিরামিষ ইত্যাদি। আবার, যে সমাসে প্রথম পদটি দ্বিতীয় পদের বিশেষণরুপে অবস্থান করে এবং সমস্তপদে পরপদ তথা দ্বিতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন - নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।