২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান 2004
‘নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’ এক কথায় হবে-
‘নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’—এই ভাবটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে হয় নশ্বর। কোনো কিছু যা চিরস্থায়ী নয় বা সময়ের সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে যায়, তাকেই আমরা নশ্বর বলে থাকি।
- নশ্বর শব্দটি মূলত 'নশ' ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো যা বিনাশশীল বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- সহজ কথায়, পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে এবং যার শেষ আছে, সেই স্বভাবকেই এক কথায় নশ্বর বলা হয়।
যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদের দ্বারা সমাহার বোঝায়, তাকে বলে-
এখানে সঠিক উত্তর হলো দ্বिগু সমাস। খুব সহজে চেনার উপায় হলো—
- এই সমাসের পূর্বপদটি সবসময় সংখ্যাবাচক শব্দ হয়।
- সমস্তপদ বা পুরো শব্দটা দিয়ে কোনো কিছুর সমাহার, মিলন বা সমষ্টি বোঝায়।
- যেমন: তিন মাথার সমাহার = তিম মাথা (ত্রিমোহনা), চৌ রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা।
তাই দেখলেই বুঝবেন, যেখানেই সংখ্যা এবং সমাহার বা মিলন বোঝাবে, সেটাই চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস!
‘চাঁদমুখ’ -এর ব্যাসবাক্য হলো-
‘চাঁদমুখ’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো চাঁদের মত মুখ। এটি একটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
সহজে মনে রাখার উপায়:
- যখন কোনো সাধারণ বস্তুর সাথে উপমেয় বস্তুর তুলনা করা হয় এবং মাঝখানে ‘মত’ বা ‘সদৃশ’ শব্দটি আসে, তখন সেটি উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়।
- এখানে মুখকে চাঁদের সাথে তুলনা করা হচ্ছে, তাই ব্যাসবাক্যটি হবে চাঁদের মত মুখ।
পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে খেয়াল করবেন, তুলনাটি সরাসরি কোনো বস্তুর সাথে হচ্ছে কি না। যেহেতু মুখ এখানে চাঁদের মতো সুন্দর বা উজ্জ্বল বোঝানো হচ্ছে, তাই ‘মত’ শব্দটি ব্যবহার করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।
‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’ এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:
- বাক্যটিতে ‘ঔষধ’ শব্দটি কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ কর্তা কী বা কাকে দিয়ে ঔষধ দেবে—সেই কর্মটিই এখানে প্রধান।
- আমরা জানি, যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকেই কর্মকারক বলে। এখানে ‘ঔষধ’ হলো সেই কাঙ্ক্ষিত বস্তু যা দেওয়া হবে।
- শব্দটির শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, তে) যুক্ত নেই, তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
সহজ কথায়, ঔষধ দেওয়ার কাজটি এখানে কর্মের ওপর নির্ভর করছে এবং এর সাথে বাড়তি কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই বলেই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
‘যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে’ কোন ধরনের বাক্য?
সঠিক উত্তর হলো জটিল বাক্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় বাক্যের গঠন দেখে।
- জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্যটি তার ওপর নির্ভরশীল থাকে।
- এখানে ‘যেহেতু... সুতরাং...’ অব্যয় যুগল ব্যবহার করা হয়েছে, যা জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ — এটি একটি সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য, যা পরের অংশের ওপর নির্ভর করছে।
সহজ কথায়, যখন কোনো বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় (যেমন: যে, সে, যেহেতু, সুতরাং, যদি, তবে) থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে জটিল বাক্য বলা যায়।
‘অমিত্রাক্ষর’ ছন্দের বৈশিষ্ঠ্য হলো–
অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে কোনো ধরনের অন্ত্যমিল থাকে না। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে এই ছন্দের প্রবর্তন করেন। এই ছন্দের প্রধান কিছু দিক নিচে দেওয়া হলো:
- এই ছন্দে পঙক্তির শেষে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল রাখা হয় না।
- প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য সাধারণত ১৪ মাত্রার হয়।
- ভাবের প্রবাহ এক চরণ থেকে অন্য চরণে অনায়াসে বয়ে চলে, যাকে বলা হয় এনজ্যাম্বমেন্ট বা ভাব-অবিচ্ছিন্নতা।
- এটি মূলত মুক্তক বা অমিল পয়ারের একটি উন্নত রূপ।
সহজ কথায়, অমিত্রাক্ষর ছন্দে মিলের বালাই নেই, বরং এখানে ভাবের গভীরতা এবং ছন্দের প্রবাহই প্রধান।
Stockings are — socks
সাধারণত 'Stockings' বলতে এমন মোজাকে বোঝায় যা পায়ের পাতা থেকে শুরু করে হাঁটু বা তার ওপর পর্যন্ত লম্বা হয়। সাধারণ মোজা (socks) সাধারণত গোড়ালি বা পায়ের গোছা পর্যন্ত থাকে, কিন্তু স্টকিংসের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো এর দৈর্ঘ্য।
সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:
- Socks: সাধারণ ছোট মোজা।
- Stockings: পায়ের অনেকটা অংশ জুড়ে থাকা long বা লম্বা মোজা।
তাই ইংরেজি শব্দভাণ্ডারের নিয়ম অনুযায়ী, স্টকিংসের সঠিক বর্ণনা হলো এটি লম্বা বা long হয়।
Many students will now be starting to –about their exams result
We must look pleased or else he’ll be –
এখানে সঠিক উত্তর হলো dissatisfied। বাক্যটির অর্থ হলো—আমাদের খুশি থাকা উচিত, নয়তো সে অসন্তুষ্ট হবে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- বাক্যটিতে or else ব্যবহার করা হয়েছে, যা একটি সতর্কবার্তা বা নেতিবাচক পরিণতির ইঙ্গিত দেয়।
- আমরা যদি খুশি না থাকি, তবে স্বাভাবিকভাবেই অন্য ব্যক্তিটি খুশি হবেন না বা অসন্তুষ্ট হবেন।
- dissatisfied শব্দটির অর্থ হলো 'অসন্তুষ্ট', যা এই পরিস্থিতির সাথে পুরোপুরি মানানসই।