T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2018
শিক্ষাবর্ষ
১২০
মিনিট
৮৯
মোট প্রশ্ন
৮৯
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.৫
ভুল উত্তর
১

‘বেদান্তগ্রন্থ’ ও ‘বেদান্ত সার’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রাজা রামমোহন রায়
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো রাজা রামমোহন রায়।

বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। রাজা রামমোহন রায়কে বলা হয় 'আধুনিক ভারতের জনক'। তিনি ভারতীয় দর্শন ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে প্রচুর কাজ করেছেন। তাঁর এই দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

  • বেদান্তগ্রন্থ: এটি ১৮১৫ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি উপনিষদের সারমর্ম সহজভাবে তুলে ধরেছিলেন।
  • বেদান্ত সার: এটি মূলত বেদান্তগ্রন্থেরই একটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ সংস্করণ, যা সাধারণ মানুষের কাছে বেদান্তের মূল দর্শন পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি লিখেছিলেন।

মূলত একেশ্বরবাদ প্রচার এবং হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার দূর করার লক্ষ্যেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো রচনা করেছিলেন।

২

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হুমায়ূন আহমেদ
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো হুমায়ূন আহমেদ।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘আগুনের পরশমণি’ অন্যতম, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই উপন্যাসটি নিয়ে তিনি পরবর্তীতে একটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন।

  • উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু: ১৯৭১ সালের ঢাকা শহরের অবরুদ্ধ জীবন ও গেরিলা যুদ্ধের চিত্র।
  • লেখক: হুমায়ূন আহমেদ।

সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কালজয়ী এই উপন্যাসের স্রষ্টা হলেন হুমায়ূন আহমেদ।

৩

‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
জহির রায়হান
সমাধান

‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক হলেন জহির রায়হান। এটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে আছে।

সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:

  • এই কালজয়ী সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭০ সালে।
  • এটি মূলত একটি রাজনৈতিক রূপকধর্মী চলচ্চিত্র, যা তৎকালীন বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত।
  • জহির রায়হান শুধু একজন পরিচালকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে লেখক ও চলচ্চিত্রকার, যিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে বাঙালির প্রতিবাদী সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।

তাই যখনই ‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জহির রায়হানের নাম মনে রাখলেই চলবে!

৪

‘দুরবস্থা’ শব্দটি সন্ধি বিচ্ছেদ করা হলে নিচের কোনটি পাওয়া যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দুঃ + অবস্থা
সমাধান

‘দুরবস্থা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দুঃ + অবস্থা। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:

  • বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) আগে যদি 'অ' বা 'আ' ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকে এবং পরে যদি কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে বিসর্গটি 'র' (রেফ) হয়ে যায়।
  • এখানে দুঃ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার আগে 'উ' কার রয়েছে।
  • পরবর্তী শব্দ অবস্থা-এর শুরুতে 'অ' থাকায় বিসর্গটি 'র' এ পরিণত হয়েছে।
  • অর্থাৎ, দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা।

সহজ কথায়, বিসর্গটি উঠে গিয়ে সেখানে একটি 'র' যুক্ত হয়েছে, যা পরবর্তী শব্দের সাথে মিলে 'র' কার বা রেফ হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছে।

৫

নিচের কোনটি যৌগিক কালের উদাহরণ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
করব
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো করব। কারণ এটি একটি সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত ভবিষ্যৎ কালের রূপ।

যৌগিক কাল চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো ক্রিয়াপদ মূল ধাতুর সাথে অন্য কোনো সাহায্যকারী ক্রিয়া যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, তখন তাকে যৌগিক কাল বলে। বিষয়টি এভাবে খেয়াল করুন:

  • করছিলাম: এটি ঘটমান অতীত, যেখানে 'কর' ধাতুর সাথে 'ছিলাম' যুক্ত হয়েছে।
  • করেছি: এটি পুরাঘটিত বর্তমান, যেখানে 'করে' (অসমাপিকা) + 'আছি' (সাহায্যকারী ক্রিয়া) মিলে গঠিত হয়েছে।
  • করছি: এটি ঘটমান বর্তমান, যেখানে 'কর' + 'ছি' যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
  • করব: এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল। এখানে কোনো সাহায্যকারী ক্রিয়া নেই, বরং ধাতুর সাথে সরাসরি বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। তাই এটি যৌগিক কাল নয়।

সহজ কথায়, যে ক্রিয়াপদটি ভেঙে বা বিশ্লেষণ করে আলাদা কোনো সাহায্যকারী ক্রিয়া পাওয়া যায় না, সেটিই যৌগিক কাল নয়।

৬

জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বুদ্ধদেব বসু
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো বুদ্ধদেব বসু।

জীবনানন্দ দাশের কবিতার গভীরতা, নির্জনতা এবং বিষণ্ণতার সুরকে প্রথম যিনি গভীরভাবে অনুভব করেছিলেন, তিনি হলেন বুদ্ধদেব বসু। তিনি জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী ও মনন বিশ্লেষণ করে তাকে বাংলা সাহিত্যের ‘নির্জনতম কবি’ হিসেবে অভিহিত করেন।

  • বুদ্ধদেব বসু ছিলেন জীবনানন্দ দাশের সমসাময়িক এবং তার কবিতার একজন বড় গুণগ্রাহী।
  • জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ প্রকাশের পর তার কবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলো বুদ্ধদেব বসুর লেখায় স্পষ্টভাবে উঠে আসে।
  • এই বিশেষ উপাধিটি মূলত জীবনানন্দের কবিতার সেই নিভৃতচারী ও আত্মমগ্ন সত্তাকেই ফুটিয়ে তোলে।
৭

‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
তামসিক
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো তামসিক। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘তাম্বুলিক’ শব্দটির অর্থ হলো যিনি পান চাষ করেন বা পানের ব্যবসা করেন।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • তাম্বুল শব্দের অর্থ হলো পান। তাই যারা পানের সাথে যুক্ত, তাদেরই বলা হয় তাম্বুলিক।
  • বারুই, পান-ব্যবসায়ী এবং পর্ণকার—এই তিনটি শব্দই সরাসরি পানের সাথে জড়িত পেশা বা ব্যক্তিকে বোঝায়।
  • অন্যদিকে, তামসিক শব্দটি এসেছে ‘তম’ গুণ থেকে, যা অলসতা বা অন্ধকারের প্রতীক। এর সাথে পানের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।
৮

বিভক্তহীন নাম শব্দকে কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রাতিপদিক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রাতিপদিক। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রাতিপদিক বলা হয়।
  • সহজ কথায়, শব্দের মূল রূপটিই হলো প্রাতিপদিক। যেমন: 'হাত', 'বই', বা 'কলম'—এগুলোর সাথে কোনো বিভক্তি নেই, তাই এগুলো প্রাতিপদিক।
  • যখনই এই শব্দগুলোর সাথে বিভক্তি (যেমন: -এ, -কে, -র) যুক্ত হয়, তখনই তা পদ-এ পরিণত হয়।

তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো: বিভক্তিহীন শব্দ = প্রাতিপদিক।

৯

‘তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক।’ বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অনন্বয়ী অব্যয়
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অনন্বয়ী অব্যয়। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:

  • বাক্যের শুরুতে ব্যবহৃত ‘তুমি তো’—এখানে ‘তো’ শব্দটি বাক্যের অন্য কোনো পদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করছে না।
  • এটি মূলত বাক্যে জোর বা বিশেষ ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
  • যেসব অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সাথে কোনো সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাদেরই অনন্বয়ী অব্যয় বলা হয়।

সহজ কথায়, এই অব্যয়টি বাক্যের অর্থের সাথে মিশে গিয়ে একটি বিশেষ আবেগ বা জোর তৈরি করছে, তাই এটি অনন্বয়ী অব্যয়।

১০

কোনটি অপাদান কারক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে। অপাদান কারক চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, ভীত বা আরম্ভ হওয়া বোঝানো।

  • ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে বাক্যে ট্রেনটি স্টেশন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে বা বিচ্যুত হচ্ছে।
  • যখন কোনো স্থান থেকে কোনো কিছু আলাদা হয়ে যায় বা ছেড়ে চলে যায়, তখন সেই স্থানটিই অপাদান কারক হয়।
  • এখানে স্টেশন থেকে ট্রেনটি বিচ্ছিন্ন হচ্ছে বলেই এটি অপাদান কারকের উদাহরণ।

সহজ কথায়, কোনো কিছু থেকে কোনো কিছু 'ছেড়ে যাওয়া' বা 'দূরে সরে যাওয়া' বোঝালেই চোখ বন্ধ করে সেটাকে অপাদান কারক হিসেবে ধরে নিতে পারেন।