কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স (CGDF)-এর কার্যালয়ের অধীন অডিটর (১২.০৭.২০১৯)
‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
‘কিরণ’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো প্রভা। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কিরণ বলতে আমরা সাধারণত আলো বা রশ্মিকে বুঝি।
- ‘কিরণ’ শব্দের অর্থ হলো আলো, রশ্মি, জ্যোতি বা আভা।
- অন্যদিকে, ‘প্রভা’ শব্দটির অর্থও হলো দীপ্তি বা আলোর ছটা।
- তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘প্রভা’ একদম সঠিক।
সহজ কথায়, কোনো কিছুর উজ্জ্বলতা বা আলোকচ্ছটা বোঝাতে আমরা কিরণ বা প্রভা শব্দ দুটি ব্যবহার করে থাকি।
নিচের কোন শব্দগুচ্ছ ণত্ব ও ষত্ব বিধান অনুসারে সঠিক?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভাষণ, গ্রন্থ, জিনিস। কারণ বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর প্রতিটিই ণত্ব ও ষত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:
- ভাষণ: এখানে 'ষ' এর ব্যবহার সঠিক, কারণ 'ভাষ' ধাতুর সাথে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- গ্রন্থ: 'ন' এর ব্যবহার এখানে সঠিক, কারণ 'গ্রন্থ' একটি তৎসম শব্দ এবং এখানে 'থ' বর্গের আগে সবসময় দন্ত্য-ন (ন) বসে।
- জিনিস: এটি একটি দেশি শব্দ, তাই এখানে কোনো বিশেষ বিধানের জটিলতা নেই; এটি প্রচলিত বানান রীতি অনুযায়ীই সঠিক।
সহজ কথায়, এই শব্দগুচ্ছের প্রতিটি বানানেই ব্যাকরণের নিয়মগুলো যথাযথভাবে পালিত হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
নিচের কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো তদ+রূপ = তদ্রূপ, কারণ এটি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ভুল। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী 'ত' বা 'দ'-এর পরে 'র' থাকলে 'ত' বা 'দ' পরিবর্তিত হয়ে 'ত' হয় না, বরং এখানে সঠিক রূপটি হবে তৎ+রূপ = তদ্রূপ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণের সাথে অন্য বর্ণের মিলন হলে শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়।
- এখানে 'ত' এর জায়গায় 'তৎ' বসলে তবেই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ হয়।
- অর্থাৎ, সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদটি হবে: তৎ + রূপ = তদ্রূপ।
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দ অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ বুঝায় তাকে কোন ধরনের শব্দ বলে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো রূঢ়ি শব্দ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:
- রূঢ়ি শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো, এই শব্দগুলোর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের মধ্যে কোনো মিল থাকে না।
- সাধারণত প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও, এগুলো মূল শব্দের অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'হস্তী' শব্দটি 'হস্ত' (হাত) আছে যার—এই অর্থে গঠিত হলেও, এটি দিয়ে কোনো বিশেষ প্রাণীকে (হাতি) বোঝানো হয়।
সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ তার গঠনগত অর্থের বাইরে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থকে আঁকড়ে ধরে, তখনই তাকে আমরা রূঢ়ি শব্দ বলি।
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন যদি জন্য ব্যবহৃত হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কোলন (:)। বিষয়টি খুব সহজ, যখন একটি বাক্যের শেষে এমন কিছু থাকে যা পরবর্তী অংশের জন্য ভূমিকা হিসেবে কাজ করে, তখন আমরা কোলন ব্যবহার করি।
- যখন একটি অপূর্ণ বাক্য শেষ করে তার ব্যাখ্যা বা উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি বাক্য বা শব্দগুচ্ছ আনতে হয়, তখন কোলন চিহ্নটি বসে।
- যেমন: সভায় সিদ্ধান্ত হলো: আগামীকাল থেকে অফিস সকাল ৯টায় শুরু হবে।
- সহজ কথায়, কোনো কিছুর নাম বা তালিকা শুরু করার আগে বা একটি বাক্যের পরিপূরক হিসেবে অন্য বাক্য যোগ করতে কোলন সবচেয়ে কার্যকর।