T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2014
শিক্ষাবর্ষ
১২
মিনিট
৭০
মোট প্রশ্ন
৭০
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১

মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ফিনাইল এলানিন
সমাধান

মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড হলো ফিনাইল এলানিন। আমাদের শরীর প্রোটিন তৈরির জন্য অনেক ধরনের এমিনো এসিড ব্যবহার করে, কিন্তু কিছু এমিনো এসিড শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না। এগুলোকে বলা হয় অত্যাবশ্যকীয় বা এসেনশিয়াল এমিনো এসিড।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:

  • আমাদের শরীর মোট ২০টি এমিনো এসিডের মধ্যে ৯টিকে নিজে তৈরি করতে পারে না।
  • এই ৯টি এমিনো এসিড আমাদের অবশ্যই খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়।
  • ফিনাইল এলানিন এই তালিকার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ এমিনো এসিড, যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য।

তাই সঠিক উত্তর হলো ফিনাইল এলানিন, কারণ এটি আমাদের শরীরের নিজস্ব বিপাক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় না।

২

রংধনুর সাতটি রঙের মধ্যে মধ্যম রঙ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সবুজ
সমাধান

রংধনুর সাতটি রঙের মধ্যে মধ্যম বা মাঝখানের রঙটি হলো সবুজ। বিষয়টি খুব সহজেই মনে রাখা যায়।

  • রংধনুর সাতটি রঙ হলো: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
  • আপনি যদি তালিকার মাঝখানের রঙটি খেয়াল করেন, তবে দেখবেন সবুজ রঙটি ঠিক মাঝখানে অবস্থান করছে।
  • এর বাম দিকে ৩টি রঙ (বেগুনি, নীল, আসমানি) এবং ডান দিকে ৩টি রঙ (হলুদ, কমলা, লাল) রয়েছে।

তাই সাতটি রঙের ধারায় সবুজ হলো একদম মধ্যম রঙ।

৩

কোনটি চৌম্বক পদার্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কোবাল্ট
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো কোবাল্ট। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ!

চৌম্বক পদার্থ বলতে আমরা মূলত সেই সব ধাতুকে বুঝি, যাদের চুম্বক খুব সহজেই আকর্ষণ করতে পারে। এই ধরনের পদার্থকে বিজ্ঞানের ভাষায় ফেরো-ম্যাগনেটিক পদার্থ বলা হয়। এর পেছনে সহজ কিছু কারণ রয়েছে:

  • কোবাল্ট, লোহা এবং নিকেল হলো প্রকৃতির প্রধান তিনটি চৌম্বক পদার্থ।
  • এদের পারমাণবিক গঠনের কারণে এরা চুম্বকের উপস্থিতিতে খুব শক্তিশালী আকর্ষণ অনুভব করে।
  • দৈনন্দিন জীবনে শক্তিশালী চুম্বক তৈরির ক্ষেত্রে কোবাল্ট একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তাই যখনই চৌম্বক পদার্থের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে কোবাল্ট, লোহা বা নিকেলের নাম মনে রাখলেই আপনার উত্তর সঠিক হবে!

৪

যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১০৫ ডিবি
সমাধান

সাধারণত মানুষের কান শব্দের তীব্রতা সহ্য করার একটি নির্দিষ্ট সীমা মেনে চলে। আমাদের শ্রবণশক্তির সুরক্ষার জন্য এই সীমাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • মানুষের কান সাধারণত ০ থেকে ৮০ ডিবি (dB) পর্যন্ত শব্দের তীব্রতা বেশ আরামদায়কভাবে শুনতে পারে।
  • শব্দের তীব্রতা যখন ১০৫ ডিবি (dB) অতিক্রম করে, তখন তা কানের পর্দার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।
  • দীর্ঘক্ষণ এই মাত্রার শব্দে থাকলে কানের অভ্যন্তরীণ কোষগুলো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার ফলে মানুষ বধির হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

তাই বৈজ্ঞানিক পরিমাপ অনুযায়ী, ১০৫ ডিবি হলো সেই সর্বোচ্চ সীমা যার উপরে শব্দ শুনলে শ্রবণশক্তি হারানোর সম্ভাবনা প্রবল থাকে।

৫

ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় —

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
টেলিমেডিসিন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো টেলিমেডিসিন। বিষয়টি খুব সহজভাবে মাথায় রাখা যায়:

  • টেলি (Tele) শব্দের অর্থ হলো দূরবর্তী এবং মেডিসিন মানে চিকিৎসা।
  • যখন কোনো রোগী সরাসরি ডাক্তারের কাছে না গিয়ে ইন্টারনেট, ভিডিও কল বা টেলিফোনের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ বা সেবা গ্রহণ করেন, তখন তাকেই মূলত টেলিমেডিসিন বলা হয়।
  • এটি আধুনিক প্রযুক্তির এমন একটি আশীর্বাদ, যা ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে ঘরে বসেই উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
৬

কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ADA
সমাধান

কম্পিউটারের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ADA-কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পেছনের কারণটা বেশ মজার:

  • উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে চার্লস ব্যাবেজের 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন'-এর জন্য অ্যাডা লাভলেস প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন।
  • তার এই কাজের সম্মানেই এই প্রোগ্রামিং ভাষাটির নামকরণ করা হয়েছে ADA।
  • যদিও আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষার ধারণা অনেক পরে এসেছে, কিন্তু তাত্ত্বিকভাবে কম্পিউটারের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম লেখার কৃতিত্ব অ্যাডা লাভলেসের, তাই এই ভাষাকেই প্রথম ধরা হয়।

সহজ কথায়, কম্পিউটারের জন্য প্রথম কোড বা নির্দেশাবলি তৈরির পথিকৃৎ ছিলেন অ্যাডা লাভলেস, আর সেই থেকেই ADA-এর যাত্রা শুরু।

৭

"হাইল হাওর" কোন জেলায় অবস্থিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মৌলভীবাজার
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো মৌলভীবাজার। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।

  • হাইল হাওর মূলত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত পরিচিত হাওর।
  • এটি প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বেশ বিখ্যাত।
  • ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় জায়গা, তাই ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে মৌলভীবাজারের নামটা মাথায় রাখলেই চলবে।
৮

"শহীদ আসাদ দিবস" পালিত হয় কবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
২০ জানুয়ারি
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ২০ জানুয়ারি। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ।

আসাদের এই আত্মত্যাগ তৎকালীন গণঅভ্যুত্থানকে আরও বেগবান করেছিল। তাই প্রতি বছর এই দিনটিকে শ্রদ্ধার সাথে শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তারিখটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:

  • ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ের কথা ভাবুন।
  • জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখেই এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল।

সহজ কথায়, আসাদের আত্মত্যাগের দিনটিই হলো ২০ জানুয়ারি।

৯

সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানীর নাম ছিল—-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গৌড়
সমাধান

সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী হিসেবে গৌড় ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী কেন্দ্র। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:

  • ভৌগোলিক গুরুত্ব: গৌড় ছিল গঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত, যা তৎকালীন সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নৌ-চলাচলের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক ছিল।
  • রাজনৈতিক কেন্দ্র: সুলতানরা তাদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য এই অঞ্চলটিকে কৌশলগতভাবে বেছে নিয়েছিলেন।
  • ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা: প্রাচীনকাল থেকেই গৌড় ছিল বাংলার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু, তাই সুলতানরা তাদের শাসনকে সুসংহত করতে এই শহরটিকেই রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করেন।

সহজ কথায়, নদীপথের সুবিধা এবং রাজনৈতিক নিরাপত্তার কারণেই সুলতানী আমলের অধিকাংশ সময় গৌড়ই ছিল বাংলার প্রাণকেন্দ্র।

১০

জহির রায়হানের “আরেক ফাল্গুন" উপন্যাসটির পটভূমিকা হল—-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন।

জহির রায়হানের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মূলত ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা। এর পেছনের সহজ কিছু তথ্য হলো:

  • উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির সেই উত্তাল দিনগুলো।
  • লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  • এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত, যা আমাদের জাতীয় চেতনার উন্মেষকে তুলে ধরে।

সহজ কথায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনাকে অমর করে রাখতেই জহির রায়হান এই উপন্যাসটি রচনা করেন।