প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (ডেল্টা) ২০১৪
The antonym of “Patriot"is —
এখানে সঠিক উত্তর হলো Traitor। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'Patriot' মানে হলো দেশপ্রেমিক, যে তার দেশকে ভালোবাসে এবং দেশের জন্য কাজ করে। অন্যদিকে, 'Traitor' মানে হলো বিশ্বাসঘাতক, যে তার দেশের সাথে প্রতারণা করে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- Patriot: যে দেশের প্রতি অনুগত (Loyal)।
- Traitor: যে দেশের প্রতি অবিশ্বস্ত বা বিশ্বাসঘাতক (Disloyal)।
তাই দেশপ্রেমিকের বিপরীত শব্দ হিসেবে Traitor শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।
"ভবদহ" বিল কোথায় অবস্থিত?
সঠিক উত্তর হলো যশোরে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ভবদহ বিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতার জন্য পরিচিত একটি এলাকা।
- ভবদহ বিল মূলত যশোরের অভয়নগর, মণিরামপুর এবং কেশবপুর উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি মূলত হরি, আপার ভৈরব ও মুক্তেশ্বরী নদীর অববাহিকায় অবস্থিত একটি বিশাল বিল।
- দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যার কারণে এই বিলটি ভৌগোলিক ও পরিবেশগত আলোচনায় সবসময় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ভাস্কর্য “অঙ্গীকার" এর অবস্থান কোথায়?
সঠিক উত্তর হলো চাঁদপুর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি বহনকারী অন্যতম একটি নিদর্শন।
- ভাস্কর্যটির নাম অঙ্গীকার।
- এটি চাঁদপুরের লেকের পাড়ে অবস্থিত।
- এটি মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় বীরদের আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
সহজ কথায়, আপনি যদি চাঁদপুরের কথা ভাবেন, তবেই এই ভাস্কর্যটির কথা মাথায় গেঁথে নিন। এটি শহরের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের ইতিহাসের এক অনন্য সাক্ষী।
"ম্যাডোনা–৪৩" কি?
সঠিক উত্তর হলো একটি চিত্রকর্ম।
বিষয়টি খুব সহজ। শিল্পকলার ইতিহাসে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্মগুলোর মধ্যে 'ম্যাডোনা' সিরিজের কাজগুলো অত্যন্ত পরিচিত। মূলত:
- 'ম্যাডোনা-৪৩' বা এই জাতীয় শিরোনামগুলো মূলত রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত শিল্পীদের আঁকা যিশু খ্রিস্ট ও মাতা মেরির বিভিন্ন চিত্রকর্মকে নির্দেশ করে।
- এটি কোনো মডেল, ভাস্কর্য বা চলচ্চিত্র নয়, বরং ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলা একটি কালজয়ী শিল্পকর্ম।
তাই শিল্পকলার সাধারণ জ্ঞান থেকে আমরা সহজেই মনে রাখতে পারি যে, এটি একটি চিত্রকর্ম।
প্রাচীন পুন্ড্রনগর কোথায়?
সঠিক উত্তর হলো মহাস্থানগড়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ইতিহাসের পাতায় বগুড়ার মহাস্থানগড়ই প্রাচীন বাংলার 'পুন্ড্রবর্ধন' বা 'পুন্ড্রনগর' হিসেবে পরিচিত।
- প্রাচীনকালে করতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই নগরীটি ছিল পুন্ড্র রাজ্যের রাজধানী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং বৃহত্তম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর একটি।
- মহাস্থানগড়কে কেন্দ্র করেই প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো, যা একে ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
নিম্নলিখিত কোন আঞ্চলিক বা আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত?
সঠিক উত্তর হলো CIRDAP। এর সদর দপ্তর ঢাকার চামেলীবাগে অবস্থিত।
সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
- CIRDAP-এর পূর্ণরূপ হলো Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific।
- এটি মূলত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
- এর সদর দপ্তরটি 'চামেলী হাউস' নামে পরিচিত, যা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তরগুলো ভিন্ন ভিন্ন দেশে অবস্থিত হওয়ায়, এই অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা এই বিশেষ প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
"দারফুর" হলো—
সঠিক উত্তর হলো সুদানের একটি অঞ্চলের নাম। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- দারফুর মূলত পশ্চিম সুদানের একটি বিশাল ভৌগোলিক অঞ্চল।
- এটি তার ঐতিহাসিক সংঘাত এবং মানবিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে বেশ পরিচিত।
- সহজ কথায়, মানচিত্রের দিকে তাকালে আপনি দারফুরকে সুদানের মানচিত্রের পশ্চিম প্রান্তে খুঁজে পাবেন।
তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন, দারফুর মানেই হলো সুদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক কে?
রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক হলেন জর্জ স্টিফেনসন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- ১৮১৪ সালে তিনি প্রথম সফল বাষ্পীয় লোকোমোটিভ বা রেল ইঞ্জিন তৈরি করেন।
- তার এই উদ্ভাবনটিই পরবর্তীতে আধুনিক রেল যোগাযোগের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
- ইতিহাসের পাতায় তিনি 'রেলপথের জনক' হিসেবেও পরিচিত।
তাই রেল ইঞ্জিনের নাম শুনলেই সরাসরি স্টিফেনসন-এর কথা মনে রাখবেন!
“Adam’s Peak" তীর্থস্থানটি কোথায় অবস্থিত?
সঠিক উত্তর হলো শ্রীলংকায়।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। অ্যাডামস পিক বা 'শ্রীপদ' হলো শ্রীলঙ্কার একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং জনপ্রিয় তীর্থস্থান। এর সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য:
- এটি শ্রীলঙ্কার রত্নপুরা জেলায় অবস্থিত একটি সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- পাহাড়ের চূড়ায় একটি পায়ের ছাপের মতো চিহ্ন রয়েছে, যা বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কাছে ভিন্ন ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে।
- পর্যটক এবং তীর্থযাত্রীদের কাছে এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দারুণ জনপ্রিয়।
তাই যখনই অ্যাডামস পিকের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে শ্রীলঙ্কা মনে রাখলেই হবে!
বরফ সাদা দেখায় কারণ—
বরফ সাদা দেখানোর পেছনের কারণটি বেশ মজার এবং সহজ। কোনো বস্তু যখন তার ওপর পড়া দৃশ্যমান আলোর সবটুকু অংশই সমানভাবে ফিরিয়ে দেয় বা প্রতিফলন করে, তখন আমাদের চোখে সেই বস্তুটি সাদা রঙের মনে হয়।
বরফের ক্ষেত্রে যা ঘটে:
- বরফ অসংখ্য ছোট ছোট স্ফটিক বা ক্রিস্টালের সমন্বয়ে গঠিত।
- যখন আলো বরফের ওপর পড়ে, তখন এই ছোট ছোট স্ফটিকগুলো আলোর সব রঙকে (বেনীআসহকলা) চারদিকে ছড়িয়ে দেয় বা প্রতিফলন ঘটায়।
- আলোর সব রঙের সংমিশ্রণ যখন একসাথে আমাদের চোখে এসে পৌঁছায়, তখন আমাদের মস্তিষ্ক সেই আলোকে সাদা হিসেবে শনাক্ত করে।
সহজ কথায়, বরফ কোনো রঙ শোষণ করে না, বরং সব রঙকে প্রতিফলিত করে দেয় বলেই আমরা একে সাদা দেখি।