বিস্তারিত সমাধান
ফ্রি ২০টি প্রশ্নের পড়ার কোটা সমাপ্ত!
লগইন ছাড়া আপনি সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন পড়তে পারবেন।
আরও শত শত প্রশ্ন, সমাধান ও ব্যাখ্যা পড়তে চান?
আমাদের সকল প্রশ্ন ব্যাংক, ব্যাখ্যা ও মডেল টেস্টে সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পেতে এখনই লগইন করুন অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন।
সম্পর্কিত পরীক্ষা সমূহ
সম্পর্কিত বিষয় সমূহ
সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন
Human Society in Ethics Politics গ্রন্থের লেখক কে?
সঠিক উত্তর হলো বার্ট্রান্ড রাসেল।
এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বার্ট্রান্ড রাসেল বিংশ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী দার্শনিক এবং চিন্তাবিদ ছিলেন। তিনি তার বিভিন্ন লেখায় রাজনীতি, সমাজনীতি এবং নৈতিকতার জটিল বিষয়গুলোকে খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন। Human Society in Ethics and Politics গ্রন্থটি মূলত তার সেই রাজনৈতিক ও নৈতিক দর্শনের একটি চমৎকার সংকলন।
- বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের নৈতিকতা এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যকার সম্পর্ক।
- রাসেল এখানে দেখিয়েছেন কীভাবে ব্যক্তিগত নৈতিকতা এবং রাষ্ট্রীয় রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।
- পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখতে পারেন, রাসেল সাধারণত সমাজ ও রাজনীতির জটিল সমীকরণ নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করতেন।
উৎপত্তিগত অর্থে Governance শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উৎপত্তিগত অর্থে Governance শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'kubernan' থেকে। এর সহজ অর্থ হলো কোনো কিছু পরিচালনা করা বা হাল ধরা।
- শব্দটির মূল উৎস হলো গ্রিক শব্দ kubernan।
- এর আক্ষরিক অর্থ হলো জাহাজের হাল ধরা বা দিকনির্দেশনা দেওয়া।
- পরবর্তীতে এই ধারণা থেকেই রাষ্ট্র বা কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে Governance বা শাসনব্যবস্থা শব্দটি ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
তাই মনে রাখা খুব সহজ—Governance মানেই হলো গ্রিক শব্দ থেকে আসা একটি ধারণা, যা মূলত পরিচালনার কাজকে বোঝায়।
On Liberty গ্রন্থের লেখক কে?
সঠিক উত্তর হলো জন স্টুয়ার্ট মিল।
বিষয়টা খুব সহজ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং দর্শনের ইতিহাসে 'On Liberty' বা 'অন লিবার্টি' বইটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী কাজ। এই বইটিতে মিল মূলত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমানা নিয়ে আলোচনা করেছেন। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:
- বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা (Individual Liberty)।
- জন স্টুয়ার্ট মিলকে আধুনিক উদারনীতিবাদের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা বলা হয়, যিনি এই বইটির মাধ্যমে মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে শক্তিশালী যুক্তি তুলে ধরেছেন।
তাই যখনই 'On Liberty' বা স্বাধীনতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জন স্টুয়ার্ট মিল-এর নামটাই মনে রাখবেন!
নৈতিক মূল্যবোধের উৎস কোনটি?
সঠিক উত্তর হলো সমাজ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মানুষ একা বাস করতে পারে না। সমাজে বসবাস করতে গিয়েই মানুষ একে অপরের সাথে মেলামেশা করে এবং সেখান থেকেই ভালো-মন্দের ধারণা তৈরি হয়।
- মানুষের আচার-আচরণ, রীতিনীতি এবং পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই নৈতিকতার ভিত্তি গড়ে ওঠে।
- সমাজ আমাদের শেখায় কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল, যা দীর্ঘ সময় ধরে চর্চার ফলে আমাদের নৈতিক মূল্যবোধে পরিণত হয়।
- সহজ কথায়, সমাজ হলো সেই পাঠশালা যেখানে মানুষ প্রথম নৈতিকতার শিক্ষা পায় এবং তা নিজের জীবনে ধারণ করে।
‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’ ধারণাটির প্রবর্তক কে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ইমামুয়েল কান্ট। নৈতিক দর্শনের ক্ষেত্রে কান্টের এই ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সহজবোধ্য।
- কান্টের মতে, কোনো কাজ কেবল পুরস্কার পাওয়ার আশায় বা কোনো লাভের উদ্দেশ্যে করা উচিত নয়।
- বরং কাজটি সঠিক এবং নৈতিক বলেই তা করা উচিত, একেই তিনি বলেছেন 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য' বা Duty for duty's sake।
- অর্থাৎ, ফলাফলের দিকে না তাকিয়ে কেবল নিজের নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজ সম্পাদন করাই হলো প্রকৃত নৈতিকতা।
লিভারের ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক স্থানে কত পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে?
লিভারের ভারসাম্য বজায় রাখার মূল নিয়মটি হলো: বল × বলের বাহুর দৈর্ঘ্য = ভার × ভারের বাহুর দৈর্ঘ্য। এই সহজ সূত্রটি ব্যবহার করলেই আমরা খুব দ্রুত উত্তরটি পেয়ে যাব।
- এখানে আমাদের দেওয়া আছে বলের বাহুর দৈর্ঘ্য এবং ভারের বাহুর দৈর্ঘ্য।
- ধরি, অজানা ওজনটি হলো $x$ পাউন্ড।
- সূত্র অনুযায়ী আমরা লিখতে পারি: $x \times 20 = 20 \times 35$।
- উভয় পক্ষ থেকে $20$ কাটাকাটি করলে সরাসরি পাওয়া যায়: $x = 35$।
অর্থাৎ, ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবোধক স্থানে ৩৫ পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে। বিষয়টি একদমই সহজ, শুধু দুই পাশের গুণফল সমান রাখলেই কাজ শেষ!
কোন নৈতিক মানদণ্ডটি সর্বোচ্চ সুখের উপর গুরুত্বারোপ করে?
সঠিক উত্তর হলো উপযোগবাদ। বিষয়টি একদম সহজ—উপযোগবাদের মূল কথা হলো 'সর্বাধিক মানুষের জন্য সর্বাধিক সুখ'।
এই নৈতিক মতবাদটি কেন কাজ করে, তা নিচে দেওয়া হলো:
- সুখের পরিমাপ: উপযোগবাদ অনুযায়ী, কোনো কাজ নৈতিক কি না তা নির্ভর করে সেই কাজের ফলে কত বেশি মানুষ সুখী হচ্ছে তার ওপর।
- ফলাফলভিত্তিক চিন্তা: এখানে নিয়মের চেয়ে কাজের ফলাফল বা পরিণামকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- সামাজিক কল্যাণ: ব্যক্তিগত সুখের চেয়ে সমষ্টিগত বা সামাজিক সুখ বৃদ্ধি করাই এই মতবাদের প্রধান লক্ষ্য।
সহজ কথায়, যে কাজ করলে সমাজের অধিকাংশ মানুষের কল্যাণ ও সুখ নিশ্চিত হয়, উপযোগবাদ তাকেই নৈতিকভাবে সঠিক বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশে কত সালে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ প্রণয়ন করা হয়?
বাংলাদেশে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ (National Integrity Strategy) প্রণয়ন করা হয় ২০১২ সালে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নৈতিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ কৌশলটি গ্রহণ করে।
- সাল: ২০১২
- উদ্দেশ্য: সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে একটি শুদ্ধাচারভিত্তিক সমাজ গঠন করা।
সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, ২০১২ সালটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক সংস্কারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
‘শাসক যদি মহৎগুণ সম্পন্ন হয় তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন, আর শাসক যদি মহৎগুণ সম্পন্ন না হয় তাহলে আইন অকার্যকর।’ – এটি কে বলেছেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্লেটো। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় তার রাজনৈতিক দর্শনের মাধ্যমে।
প্লেটো মনে করতেন, একজন আদর্শ শাসক বা 'ফিলোসফার কিং' যদি জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী হন, তবে তার প্রতিটি সিদ্ধান্তই ন্যায়ভিত্তিক হবে। তাই সেখানে আলাদা করে কোনো আইনের প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে, শাসক যদি অযোগ্য বা দুর্নীতিপরায়ণ হন, তবে হাজারো আইন দিয়েও তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, কারণ তিনি আইনের ফাঁকফোকর খুঁজে বের করবেন।
- মূল দর্শন: আইনের চেয়ে শাসকের নৈতিক গুণাবলি বা চরিত্রের ওপর প্লেটো বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
- সারকথা: ভালো শাসকের জন্য আইন গৌণ, আর খারাপ শাসকের জন্য আইন অকার্যকর।
বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান কতটি?
বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের মূল উপাদান হলো ৪টি। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিশ্বব্যাংক সুশাসন নিশ্চিত করতে মূলত চারটি স্তম্ভের ওপর গুরুত্ব দেয়। এই চারটি উপাদান হলো:
- জনপ্রশাসনের দক্ষতা (Public Sector Management)
- জবাবদিহিতা (Accountability)
- আইনের শাসন (Rule of Law)
- স্বচ্ছতা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ (Transparency and Information)
সহজ কথায়, এই ৪টি বিষয়ের সমন্বয় থাকলেই বিশ্বব্যাংকের মানদণ্ড অনুযায়ী একটি রাষ্ট্রকে সুশাসিত বলা যায়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো ৪টি।