T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন

বুদ্ধিজীবী” কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
ব্যাখ্যা ও সঠিক সমাধান
উত্তর: উপপদ তৎপুরুষ
আমরা জানি যে, ধাতু বা কৃদন্ত পদের পূর্বে দুই ধরনের শব্দ যুক্ত হয়। একটি হচ্ছে উপসর্গ, অপরটি হচ্ছে উপসর্গহীন অন্য শব্দ। যে ধাতু বা কৃদন্ত পদের পূর্বে উপসর্গহীন শব্দ বসে, সে-ই উপসর্গহীন শব্দটিকে উপপদ বলে। যেমন- যাদুকর (যাদু করে যে); এখানে পরপদটিতে রয়েছে, কর্‌ নামক ধাতু। আর এই ধাতুর পূর্বের শব্দটি হচ্ছে যাদু; যা উপসর্গহীন। এই উপসর্গহীন 'যাদু' পদটি হচ্ছে উপপদ।উপপদের সাথে ধাতুর বা কৃদন্ত পদ একত্রিত হয়ে যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার উপায়- উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার সাধারণত দুটি উপায় রয়েছে।১) সংস্কৃত সমাসবদ্ধ শব্দের ক্ষেত্রে পরপদটি সাধারণত স্বাধীনভাবে ব্যবহার হয় না। অন্য শব্দ যুক্ত হয়ে তবেই ব্যবহার উপযোগী হয়। যেমন- অগ্রগামী (অগ্রে গমন করে যে); এখানে যদি 'অগ্র' পদটিকে বাদ দিই, তাহলে 'গামী' পদটি আর স্বাধীনভাবে ব্যবহারের উপযোগী হয় না। এরূপ উদাহরণ- বহুদর্শী, কৃষিজীবী, বুদ্ধিজীবী ইত্যাদি। এসব শব্দের -দর্শী, জীবী পরপদগুলোর স্বাধীনভাবে ব্যবহারের উপযোগী নয়।২) অপর একটি উপায় হচ্ছে, এসব সমাসবদ্ধ পদ দিয়ে 'যে কাজটি করে' এমন অর্থ প্রকাশ পায়। অন্যান্য সমাসের সাথে মূলত এটিই পার্থক্য। যেমন- জলদ (জল দেয় যে); পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যে), প্রিয়ংবদা, পকেটমার ইত্যাদি।অনেকের প্রশ্ন- বুদ্ধিজীবী শব্দটির 'জীবী' কৃদন্ত পদ বা ধাতু দিয়ে গঠিত কি না? উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ। জীবী শব্দটির গঠন √জীব্‌ + ইন = জীবী; যা জীব্‌ ধাতু থেকে তৈরি।বুদ্ধিজীবী - ব্যাসবাক্য হচ্ছে, ' বুদ্ধি বা জ্ঞান দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে' । এখানে প্রশ্ন থাকতে পারে যে, ব্যাসবাক্যে দ্বারা, দিয়ে থাকলে তো তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস। এটা উপপদ হল কেন? তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের সাথে এর সূক্ষ্ম পার্থক্য হচ্ছে, তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে পরপদে কৃদন্ত পদ থাকে কিন্তু কাজটি কেউ করে না, অপরদিকে উপপদ তৎপুরুষ সমাসে 'কাজটি যে করে' এমন অর্থটি প্রকাশ পায়।এখন আসি প্রশ্নটির উত্তরে, চারটি অপশনের মধ্যে, চৌরাস্তা- দ্বিগু সমাস, ধোয়ামোছা- কর্মধারয় সমাস, বুদ্ধিজীবী- উপপদ তৎপুরুষ সমাস।দ্বিচক্র- দুইটি চক্র (চাকা) আছে যার = দ্বিচক্র (যান বোঝাচ্ছে); এটি সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। তাই সঠিক উত্তর দ্বিচক্র।