বিস্তারিত সমাধান
ফ্রি ২০টি প্রশ্নের পড়ার কোটা সমাপ্ত!
লগইন ছাড়া আপনি সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন পড়তে পারবেন।
আরও শত শত প্রশ্ন, সমাধান ও ব্যাখ্যা পড়তে চান?
আমাদের সকল প্রশ্ন ব্যাংক, ব্যাখ্যা ও মডেল টেস্টে সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পেতে এখনই লগইন করুন অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন।
পূর্ববর্তী
নেই
সম্পর্কিত বিষয় সমূহ
সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন
১
কোনো একটি ক্যাটায়নকে NH₄OH এর সাথে বিক্রিয়া করলে হালকা নীল বর্ণের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয়। I⁻ এর সাথে বিক্রিয়া ঘটালে সাদা বর্ণের অধঃক্ষেপ পাওয়া যায়। অম্লীয় H₂S এর সাথে বিক্রিয়ায় কালো বর্ণের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয়। ক্যাটায়নটি চিহ্নিত কর।
সঠিক উত্তর
উক্ত ক্যাটায়নটি: Cu²⁺। বিক্রিয়াগুলো হলো: 2CuSO₄(aq) + 2NH₄OH(aq) → CuSO₄.Cu(OH)₂(s) + (NH₄)₂SO₄(aq) (হালকা নীল বর্ণের অধঃক্ষেপ); Cu²⁺(aq) + 2I⁻(aq) → CuI₂(s) (সাদা বর্ণের অধঃক্ষেপ); Cu²⁺(aq) + H₂S(aq) → CuS(s) + 2H⁺(aq) (কালো বর্ণের অধঃক্ষেপ)
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
কপার (II) আয়ন (Cu²⁺) অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে হালকা নীল বর্ণের ক্ষারীয় কপার সালফেটের অধঃক্ষেপ তৈরি করে। আয়োডাইড আয়নের সাথে এটি সাদা বর্ণের কিউপ্রাস আয়োডাইড (CuI₂) অধঃক্ষেপ দেয় এবং হাইড্রোজেন সালফাইডের সাথে কালো বর্ণের কপার সালফাইড (CuS) অধঃক্ষেপ দেয়।
২
কপার সালফেটের জলীয় দ্রবণে অতিরিক্ত পরিমাণ জলীয় অ্যামোনিয়া ধীরে ধীরে যোগ করার ফলে সংঘটিত বিক্রিয়াগুলো লিখ।
সঠিক উত্তর
CuSO₄ + NH₄OH → CuSO₄.Cu(OH)₂ + (NH₄)₂SO₄; CuSO₄.Cu(OH)₂ + (NH₄)₂SO₄ + NH₄OH → [Cu(NH₃)₄]SO₄ + H₂O [টেট্রা অ্যাম্মিন কপার (II) সালফেট (গাঢ় নীল)]
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
কপার সালফেট দ্রবণে অল্প পরিমাণ অ্যামোনিয়া যোগ করলে হালকা নীল বর্ণের ক্ষারীয় কপার সালফেটের অধঃক্ষেপ পড়ে। অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া যোগ করলে অধঃক্ষেপটি দ্রবীভূত হয়ে গাঢ় নীল বর্ণের জটিল যৌগ টেট্রা অ্যাম্মিন কপার (II) সালফেট উৎপন্ন করে।
৩
I⁻ এবং Cl⁻ আয়ন শনাক্তকরণ বিক্রিয়া লিখ।
সঠিক উত্তর
Cl⁻ এর জন্য: Cl⁻(aq) + AgNO₃(aq) → AgCl(s)↓ + NO₃⁻(aq) (সাদা অধঃক্ষেপ); AgCl(s) + 2NH₄OH(aq) → [Ag(NH₃)₂]Cl(aq) + 2H₂O(l) (অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত)। I⁻ এর জন্য: I⁻(aq) + AgNO₃(aq) → AgI(s)↓ (গাঢ় হলুদ অধঃক্ষেপ) + NO₃⁻(aq); AgI(s) + NH₄OH(aq) → অদ্রবণীয়।
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
সিলভার নাইট্রেট (AgNO₃) বিকারক ব্যবহার করে ক্লোরাইড ও আয়োডাইড আয়ন শনাক্ত করা যায়। ক্লোরাইড আয়ন সাদা সিলভার ক্লোরাইড অধঃক্ষেপ দেয় যা অ্যামোনিয়া দ্রবণে দ্রাব্য। আয়োডাইড আয়ন গাঢ় হলুদ সিলভার আয়োডাইড অধঃক্ষেপ দেয় যা অ্যামোনিয়া দ্রবণে অদ্রাব্য।
৪
দ্রাব্যতার উপর বিভিন্ন নিয়ামকের প্রভাবগুলো কী কী?
সঠিক উত্তর
১. দ্রাবকের প্রকৃতি: পোলার দ্রাবকে পোলার দ্রব এবং অপোলার দ্রাবকে অপোলার দ্রব দ্রবণীয়। ২. দ্রবের প্রকৃতি: দ্রবের প্রকৃতির উপর দ্রাব্যতা নির্ভর করে। ৩. তাপমাত্রার প্রভাব: লা-শাতেলিয়ারের নীতি অনুসারে দ্রাবক তাপহারী হলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে দ্রবের দ্রাব্যতা বৃদ্ধি পায় এবং তাপোৎপাদী হলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে দ্রাব্যতা হ্রাস পায়। ৪. চাপের প্রভাব: হেনরীর সূত্রানুসারে স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের কোনো তরল পদার্থে কোনো গ্যাসের দ্রাব্যতা এর উপর প্রযুক্ত চাপের সমানুপাতিক।
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
ব্যতিক্রম: তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে KNO₃ এর দ্রাব্যতা বৃদ্ধির হার অন্য সব দ্রব অপেক্ষা অপেক্ষাকৃত বেশি। Na₂SO₄.10H₂O (গ্লোবার লবণ) এর ক্ষেত্রে ৩২.৪°C পর্যন্ত দ্রাব্যতা বাড়ে তারপর ধীরে ধীরে কমে।
৫
দ্রবণীয় যৌগ কী?
সঠিক উত্তর
প্রতি 100 cm³ এ 1.0g বা তার অধিক পরিমাণ দ্রবণীয় দ্রবকে দ্রবণীয় যৌগ বলে।
৬
দ্রাব্যতা কী? 25°C তাপমাত্রায় KNO₃ এর দ্রাব্যতা 31.6 বলতে কী বোঝ?
সঠিক উত্তর
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ কোন তরলে যে পরিমাণ কঠিন দ্রব দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করে, দ্রব্যের সে পরিমাণকে ঐ দ্রব্যের দ্রাব্যতা বলে। 25°C তাপমাত্রায় KNO₃ এর দ্রাব্যতা 31.6 বলতে বোঝায় 25°C তাপমাত্রায় 100g দ্রাবকে সর্বাধিক 31.6 g KNO₃ দ্রবীভূত করলে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন হয়।
৭
হেনরীর সূত্রটি কী?
সঠিক উত্তর
স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের কোনো তরল পদার্থে কোনো গ্যাসের দ্রাব্যতা এর উপর প্রযুক্ত চাপের সমানুপাতিক। গাণিতিক রূপ: S ∝ P বা S = K_H × P, যেখানে K_H হলো হেনরির ধ্রুবক।
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
K_H এর মান গ্যাসের প্রকৃতি, দ্রাবকের প্রকৃতি, তাপমাত্রা ও চাপের উপর নির্ভরশীল। তাপমাত্রা বাড়ালে K_H এর মান বাড়ে অর্থাৎ দ্রাব্যতা কমে।
৮
Na₂SO₄.10H₂O-এর জন্য s vs t꜀ এর লেখচিত্র অঙ্কন কর।
সঠিক উত্তর
Na₂SO₄.10H₂O এর দ্রাব্যতা তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় এবং 32.4°C তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ হয়। এরপর তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি করলে দ্রাব্যতা হ্রাস পেতে থাকে।
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
লেখচিত্রে x-অক্ষে তাপমাত্রা (t꜀) এবং y-অক্ষে দ্রাব্যতা (s) স্থাপন করলে একটি বক্ররেখা পাওয়া যায় যা 32.4°C বিন্দুতে শীর্ষবিন্দু গঠন করে।
৯
দ্রাব্যতা (Solubility) কাকে বলে?
সঠিক উত্তর
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় 100 গ্রাম দ্রাবককে সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত করতে কোন দ্রব্যের যত গ্রাম দ্রবীভূত করতে হয় দ্রব্যের সে ভর প্রকাশক সংখ্যাই দ্রাব্যতা। আধুনিক সংজ্ঞা: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ কোন তরলে যে পরিমাণ কঠিন দ্রব দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করে, দ্রব্যের সে পরিমাণকে ঐ দ্রব্যের দ্রাব্যতা বলে।
ব্যাখ্যা / উদাহরণ / সমাধান
দ্রাব্যতাকে "S" দ্বারা প্রকাশ করা হয়। দ্রাব্যতার সনাতন সংজ্ঞা অনুযায়ী, S = (100 × m) / (M - m)। দ্রাব্যতার একক নেই (সনাতন পদ্ধতিতে)। আধুনিক পদ্ধতিতে একক g/L, mol/L বা g/kg হতে পারে।
১০
কোন যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার শর্ত কি?
সঠিক উত্তর
হাইড্রেশন এনথালপি > ল্যাটিস এনথালপি।