বিস্তারিত সমাধান
ফ্রি ২০টি প্রশ্নের পড়ার কোটা সমাপ্ত!
লগইন ছাড়া আপনি সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন পড়তে পারবেন।
আরও শত শত প্রশ্ন, সমাধান ও ব্যাখ্যা পড়তে চান?
আমাদের সকল প্রশ্ন ব্যাংক, ব্যাখ্যা ও মডেল টেস্টে সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পেতে এখনই লগইন করুন অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন।
সম্পর্কিত পরীক্ষা সমূহ
সম্পর্কিত বিষয় সমূহ
সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আর একটি নাম কি?
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আর একটি নাম হলো জিনজিরা। স্থানীয়ভাবে এটি এই নামেই বেশি পরিচিত। এর পেছনে একটি মজার ইতিহাস আছে:
- প্রাকৃতিকভাবে এই দ্বীপটি প্রবাল প্রাচীর বা কোরাল দিয়ে তৈরি।
- স্থানীয় ভাষায় প্রবালকে অনেক সময় 'জিনজিরা' বা 'নারিকেল জিনজিরা' বলা হয়।
- দ্বীপটিতে প্রচুর নারিকেল গাছ জন্মে বলে একে অনেকে নারিকেল জিনজিরা নামেও ডেকে থাকেন।
তাই ভৌগোলিক ও স্থানীয় পরিচিতির দিক থেকে সঠিক উত্তর হলো জিনজিরা।
League of Arab States -এর বর্তমান সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
সঠিক উত্তর হলো কায়রো। মিশরের রাজধানী কায়রোতেই আরব লীগের সদর দপ্তর অবস্থিত।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে মিশর ঐতিহাসিকভাবেই অত্যন্ত প্রভাবশালী।
- ১৯৪৫ সালে আরব লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এর প্রধান কার্যালয় মিশরের কায়রোতে স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়।
- আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর সাধারণত সেই অঞ্চলের প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে হয়ে থাকে, আর আরব বিশ্বের সেই কেন্দ্রবিন্দু হলো কায়রো।
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়েছে?
১৯৯৩ সালে কম্বোডিয়ায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফুনসিনপেক (FUNCINPEC) দলটি বিজয়ী হয়েছিল। এই নির্বাচনটি ছিল দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কম্বোডিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- ফুনসিনপেক হলো রাজকীয় অনুগত একটি রাজনৈতিক দল, যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রিন্স নরোদম রণারিধ।
- নির্বাচনে এই দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে তারা সিপিপির (CPP) সাথে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করে।
- এই নির্বাচনের মাধ্যমেই কম্বোডিয়ায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে নতুন করে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
নিচের কোন দেশটি Group of Seven (G-7) এর সদস্য নয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সুইডেন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ জি-৭ (G-7) ভুক্ত দেশগুলো হলো বিশ্বের প্রধান শিল্পোন্নত অর্থনীতির দেশ।
সহজে মনে রাখার জন্য আপনি এই তালিকাটি মাথায় রাখতে পারেন:
- জি-৭ এর সদস্য দেশগুলো হলো: কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- সুইডেন এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
একটি ছোট ট্রিক হিসেবে মনে রাখতে পারেন, জি-৭ এর সদস্য দেশগুলো মূলত উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনীতির দেশগুলোর একটি জোট।
বিশ্বের কোন শহর ‘নিষিদ্ধ শহর’ নামে পরিচিত?
সঠিক উত্তর হলো লাসা। তিব্বতের রাজধানী লাসা শহরটি ঐতিহাসিকভাবে ‘নিষিদ্ধ শহর’ বা ‘Forbidden City’ নামে পরিচিত।
এর পেছনের কারণটি বেশ মজার:
- লাসা শহরটি হিমালয় পর্বতমালার অনেক উঁচুতে এবং দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত।
- বহু বছর ধরে বাইরের বিশ্বের মানুষের জন্য এই শহরে প্রবেশ করা ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং প্রায় নিষিদ্ধ।
- ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা এবং কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে বাইরের পর্যটক বা অভিযাত্রীদের কাছে এটি এক রহস্যময় ও নিষিদ্ধ শহর হিসেবে পরিচিতি পায়।
বাংলাদেশ নিচে উল্লিখিত কোন সময়ের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল?
সঠিক উত্তর হলো ১৯৭৯-৮০। বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছিল।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম মেয়াদ ছিল ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত।
- এই সময়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ আরও একবার, অর্থাৎ ২০০০-২০০১ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল।
সহজ কথায়, বাংলাদেশের প্রথমবার নিরাপত্তা পরিষদে যাওয়ার সময়কালটি ছিল ১৯৭৯-৮০।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মহিলা সদস্যের সংরক্ষিত আসন কত?
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা হলো ৫০টি।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়।
- বর্তমানে সাধারণ ৩০০টি আসনের পাশাপাশি নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি।
- অর্থাৎ, জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা এখন $300 + 50 = 350$ টি।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ে রেডিমেড গার্মেন্টসের অংশ কত?
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩.৯১% আসে এই রেডিমেড গার্মেন্টস বা তৈরি পোশাক খাত থেকে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো তৈরি পোশাক শিল্প।
- মোট রপ্তানির হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতি ১০০ টাকার রপ্তানির মধ্যে প্রায় ৮৩.৯১ টাকাই আসে এই খাত থেকে।
- অর্থাৎ, গাণিতিক মান হিসেবে এটি হলো 0.8391।
এই বিশাল অবদানই প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎস হলো আমাদের গার্মেন্টস শিল্প।
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়?
সঠিক উত্তর হলো সিলেট। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ ও ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ:
- সিলেট অঞ্চলকে আধ্যাত্মিক সাধকদের পুণ্যভূমি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে হযরত শাহজালাল (রহ.) এবং তাঁর ৩৬০ জন সফরসঙ্গী ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সিলেটে আগমন করেন।
- তাদের এই মহান ত্যাগের স্মরণে এবং ওই অঞ্চলে অগণিত পীর-আউলিয়ার মাজার থাকায় সিলেটকে ঐতিহাসিকভাবে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
সহজ কথায়, হযরত শাহজালাল (রহ.) ও তাঁর সঙ্গীদের আগমনের কারণেই সিলেট এই বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে।
নিচের কোন তারিখে পিএলও-ইসরাইল পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে স্বাক্ষর করে?
সঠিক উত্তর হলো ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে 'অসলো চুক্তি' (Oslo Accords) নামে পরিচিত।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:
- এই চুক্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এবং ইসরাইল একে অপরকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক দলিলে স্বাক্ষর করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের তারিখ ছিল ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩, যা মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান মাইলফলক।
সহজ কথায়, এই তারিখটি মনে রাখলে আপনি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ এই মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনাটি সহজেই মনে রাখতে পারবেন।